নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৩০৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার হারারেতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ৩০৩ রান করে তামিম ইকবালের দল। বাংলাদেশের হয়ে ফিফটির দেখা পেয়েছেন চার ব্যাটার।
ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতেই দলীয় তিন অঙ্কের ঘরে পা রাখে বাংলাদেশ। এই জুটি ভাঙে তামিমের বিদায়ে। ৮৮ বলে ৯ চারে ৬২ রানে বিদায় নেন তিনি। তার আগে অনন্য এক রেকর্ড গড়েন তামিম। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডেতে ৮ হাজার রানের মাইলফলকে পা রাখেন এই ড্যাশিং ওপেনার।
আরেক ওপেনার লিটন দাস ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ না হলে হয়তো সেঞ্চুরির দেখাও পেয়ে যেতেন। ৩৪তম ওভারে সিকান্দার রাজার প্রথম বলে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। রানটা সম্পূর্ণ করেই শুয়ে পড়েন লিটন। কিছুক্ষণ শুশ্রূষার পর স্ট্রেচারে করে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। লিটনের ৮৯ বলে ৮১ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৯ চার ও ১ ছয়ে।
দুই ওপেনারের পর বাংলাদেশের হাল ধরেন এনামুল হক বিজয় ও মুশফিকুর রহিম। পাল্টা আক্রমণে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান তাঁরা। দুজনের ৭৬ বলে ৯৬ রানের জুটি ভাঙে বিজয়ের বিদায়ে। স্বরূপে ফেরা এই ডানহাতি ব্যাটার নুয়াচিকে ছক্কা মারতে গিয়ে তালুবন্দী হন মুসকান্দার। শুরুতে দেখেশুনে ব্যাট চালালেও সময়ের সঙ্গে রানের গতি বাড়ান বিজয়। ৬২ বলে ৬ চার ৩ ৭৩ রানে থামেন তিনি।
এরপর বাংলাদেশকে তিনশ’র ঘরে নিয়ে যান মুশফিক। ৪৯ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষদিকে ১২ বলে ৩ চারে ২০ রানের ক্যামিও উপহার দেন মাহমুদউল্লাহ।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৩০৪ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার হারারেতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ৩০৩ রান করে তামিম ইকবালের দল। বাংলাদেশের হয়ে ফিফটির দেখা পেয়েছেন চার ব্যাটার।
ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে ওপেনিং জুটিতেই দলীয় তিন অঙ্কের ঘরে পা রাখে বাংলাদেশ। এই জুটি ভাঙে তামিমের বিদায়ে। ৮৮ বলে ৯ চারে ৬২ রানে বিদায় নেন তিনি। তার আগে অনন্য এক রেকর্ড গড়েন তামিম। প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডেতে ৮ হাজার রানের মাইলফলকে পা রাখেন এই ড্যাশিং ওপেনার।
আরেক ওপেনার লিটন দাস ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ না হলে হয়তো সেঞ্চুরির দেখাও পেয়ে যেতেন। ৩৪তম ওভারে সিকান্দার রাজার প্রথম বলে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে ব্যথা অনুভব করেন তিনি। রানটা সম্পূর্ণ করেই শুয়ে পড়েন লিটন। কিছুক্ষণ শুশ্রূষার পর স্ট্রেচারে করে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। লিটনের ৮৯ বলে ৮১ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৯ চার ও ১ ছয়ে।
দুই ওপেনারের পর বাংলাদেশের হাল ধরেন এনামুল হক বিজয় ও মুশফিকুর রহিম। পাল্টা আক্রমণে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান তাঁরা। দুজনের ৭৬ বলে ৯৬ রানের জুটি ভাঙে বিজয়ের বিদায়ে। স্বরূপে ফেরা এই ডানহাতি ব্যাটার নুয়াচিকে ছক্কা মারতে গিয়ে তালুবন্দী হন মুসকান্দার। শুরুতে দেখেশুনে ব্যাট চালালেও সময়ের সঙ্গে রানের গতি বাড়ান বিজয়। ৬২ বলে ৬ চার ৩ ৭৩ রানে থামেন তিনি।
এরপর বাংলাদেশকে তিনশ’র ঘরে নিয়ে যান মুশফিক। ৪৯ বলে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। শেষদিকে ১২ বলে ৩ চারে ২০ রানের ক্যামিও উপহার দেন মাহমুদউল্লাহ।

মোহাম্মদ মিঠুন, মেহেদী হাসান মিরাজদের সাময়িক খেলা বয়কটের কারণে ২০২৬ বিপিএলের সূচিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। লিগ পর্বের ম্যাচই নয়, পরিবর্তন করতে হয়েছে প্লে-অফের সূচিও। তবে ফাইনাল হবে নির্ধারিত দিনেই।
২৬ মিনিট আগে
দীপক চাহারের বল এক্সট্রা কাভারের ওপর দিয়ে মারলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বল সীমানার দড়ি ছোঁয়ার আগেই মেহেদী হাসান মিরাজ শূন্যে উড়লেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের ডাগআউটে তখন উল্লাস। ২০২২ সালে মিরপুরে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের ১ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয়ের কথা যে বলা হয়েছে, সেটা হয়তো অনেকেই বুঝতে পেরেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এম নাজমুল ইসলামের বিতর্কিত মন্তব্যের পর ঝড় উঠেছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। পরশু নাজমুলের সংবাদমাধ্যমকে বলা কথা ছড়িয়ে পড়লে ক্রিকেটারদের কল্যাণে কাজ করা সংগঠন কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন তাঁর (নাজমুল) পদত্যাগের দাবিতে ক্রিকেট খেলা বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছিলেন। সেদিন যা
২ ঘণ্টা আগে
বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠুর ওপর দিয়ে কী ঝড় বয়ে যাচ্ছে, সেটা তিনিই ভালো জানেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের বক্তব্যের পর পরশু রাতে ক্রিকেটারদের সংগঠনে কাজ করা কোয়াব সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন যখন ক্রিকেট বন্ধের হুমকি দিয়েছিলেন
২ ঘণ্টা আগে