নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ধর্মশালায় আফগানিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ দল। বোলিং, ব্যাটিং ও ফিল্ডিংয়ে নিজেদের নিংড়ে দিয়েছেন সাকিব আল হাসানরা। শেষ পর্যন্ত যত সহজে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ, শুরুটা কিন্তু তেমন ছিল না। পাওয়ার প্লেতে নতুন বলে উইকেট নিতে পারেননি পেস বোলাররা।
৪৭ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন দুই আফগান ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ৯ম ওভারে ইব্রাহিমকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন সাকিব। এরপরও ১০০ রানের আগে দুটির বেশি উইকেট নিতে পারেননি বাংলাদেশের বোলাররা। ম্যাচ শেষে সাকিবও জানিয়েছেন, যেভাবে শুরু করতে চেয়েছিলেন তাঁরা, সেভাবে হয়নি।
সাকিব বলেছেন, ‘আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম, সেভাবে শুরুটা করতে পারিনি। সবাই বিশ্বাস করত একটা উইকেট পেলে, আমরা আরও (দ্রুত) উইকেটে পেতে পারি। এটা সহজ ছিল না। কিন্তু আমরা যেভাবে বোলিং করেছি, তাতে আমি খুব খুশি।’
আফগানিস্তান ম্যাচের আগে গুয়াহাটি ও ধর্মশালায় বেশ সিরিয়াস অনুশীলন করেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তাই এই ম্যাচে কোনো অজুহাত নয়, জয়ই চেয়েছিলেন সাকিব, ‘আমরা গত কদিন কঠোর অনুশীলন করছি। আমরা কোনো অজুহাত দিতে চাইনি, মাঠটি আদর্শ নয় (এসব) বলে। আমরা ড্রেসিংরুমে এটি নিয়ে কথা বলেছিলাম, (পরিস্থিতি যেমনই হোক, আমাদের মানিয়ে নিতে হবে এবং ভালো খেলতে হবে)।’
বোলিংয়ে ৮ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। ২৫ রানের বিপরীতে মিরাজও নিয়েছেন ৩ উইকেট। ব্যাটিংয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিরাজ তুলে নিয়েছেন ফিফটি। ব্যক্তিগত ও সতীর্থদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন, ‘আমি বোলিংয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি। আমাদের পাঁচজন বোলারই জ্বলে উঠেছে। তারা অবদান রেখেছে, স্পিনাররা অনেক বড় ভূমিকা পালন করেছে। তবে এটি একটি লম্বা সময়ের টুর্নামেন্ট, আমি নিশ্চিত ফাস্ট বোলাররা আরও অবদান রাখবে। মিরাজ, শান্ত...এরা আমাদের ফর্মে থাকা খেলোয়াড়; তারা সব সময় আত্মবিশ্বাসী এবং দলের জন্য ভালো করতে চায়।’

ধর্মশালায় আফগানিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে বাংলাদেশ দল। বোলিং, ব্যাটিং ও ফিল্ডিংয়ে নিজেদের নিংড়ে দিয়েছেন সাকিব আল হাসানরা। শেষ পর্যন্ত যত সহজে ম্যাচ জিতেছে বাংলাদেশ, শুরুটা কিন্তু তেমন ছিল না। পাওয়ার প্লেতে নতুন বলে উইকেট নিতে পারেননি পেস বোলাররা।
৪৭ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন দুই আফগান ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ৯ম ওভারে ইব্রাহিমকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন সাকিব। এরপরও ১০০ রানের আগে দুটির বেশি উইকেট নিতে পারেননি বাংলাদেশের বোলাররা। ম্যাচ শেষে সাকিবও জানিয়েছেন, যেভাবে শুরু করতে চেয়েছিলেন তাঁরা, সেভাবে হয়নি।
সাকিব বলেছেন, ‘আমরা যেভাবে চেয়েছিলাম, সেভাবে শুরুটা করতে পারিনি। সবাই বিশ্বাস করত একটা উইকেট পেলে, আমরা আরও (দ্রুত) উইকেটে পেতে পারি। এটা সহজ ছিল না। কিন্তু আমরা যেভাবে বোলিং করেছি, তাতে আমি খুব খুশি।’
আফগানিস্তান ম্যাচের আগে গুয়াহাটি ও ধর্মশালায় বেশ সিরিয়াস অনুশীলন করেছে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তাই এই ম্যাচে কোনো অজুহাত নয়, জয়ই চেয়েছিলেন সাকিব, ‘আমরা গত কদিন কঠোর অনুশীলন করছি। আমরা কোনো অজুহাত দিতে চাইনি, মাঠটি আদর্শ নয় (এসব) বলে। আমরা ড্রেসিংরুমে এটি নিয়ে কথা বলেছিলাম, (পরিস্থিতি যেমনই হোক, আমাদের মানিয়ে নিতে হবে এবং ভালো খেলতে হবে)।’
বোলিংয়ে ৮ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন সাকিব। ২৫ রানের বিপরীতে মিরাজও নিয়েছেন ৩ উইকেট। ব্যাটিংয়ে নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিরাজ তুলে নিয়েছেন ফিফটি। ব্যক্তিগত ও সতীর্থদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন, ‘আমি বোলিংয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি। আমাদের পাঁচজন বোলারই জ্বলে উঠেছে। তারা অবদান রেখেছে, স্পিনাররা অনেক বড় ভূমিকা পালন করেছে। তবে এটি একটি লম্বা সময়ের টুর্নামেন্ট, আমি নিশ্চিত ফাস্ট বোলাররা আরও অবদান রাখবে। মিরাজ, শান্ত...এরা আমাদের ফর্মে থাকা খেলোয়াড়; তারা সব সময় আত্মবিশ্বাসী এবং দলের জন্য ভালো করতে চায়।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১৬ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
৩ ঘণ্টা আগে