নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

থিতু হওয়ার পর ইনিংস বড় করতে না পারা টেস্ট ক্রিকেটে একপ্রকার ‘ক্রাইমের’ পর্যায়েই পড়ে। ঢাকার টেস্টের প্রথম দিন এই অপরাধে অপরাধী আউট হওয়া বাংলাদেশের পাঁচ ব্যাটারই। দ্বিতীয় সেশনেও ব্যাটারদের ইনিংস বড় করতে না পারার হতাশা নিয়ে চা-বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। ৫ উইকেটে ১৮৪ রান নিয়ে দ্বিতীয় সেশনের ব্যাটিংয়ে নামবে তারা।
শুরুটা সাকিব আল হাসানকে দিয়ে। ২ উইকেটে ৮২ রান নিয়ে দ্বিতীয় সেশনের খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। মধ্যাহ্নভোজের পর উমেশ যাদবের প্রথম বলেই হেলদোল এক শট খেলতে গিয়ে চেতেশ্বর পূজারার হাতে ক্যাচ দেন সাকিব। ৩৯ বল খেলা সাকিব উইকেটে তখন থিতু, আউট হন ১৬ রানে।
এরপর মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস একই পথে হেঁটেছেন। সাকিবের বিদায়ের পর মুমিনুল হককে নিয়ে দলকে দারুণ এগিয়ে নিচ্ছিলেন মুশফিক। রবিচন্দ্রণ অশ্বিনের এক ওভারে টানা ৩টি চারও মেরেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। দুজনের ৪৮ রানের জুটিতে ব্যাকফুটেই ছিল ভারত। মুশফিকের ৪৬ বলে ২৬ রানের ইনিংসটা যখন পুষ্পিত হওয়ার অপেক্ষায়, তখনই জয়দেব উনাদকাটের বল খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। ৫ চারের ইনিংসটি শেষ হয় তাতে।
দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশের শেষ হতাশার নাম লিটন দাস। উইকেটে এসেই চালিয়ে খেলছিলেন। মুমিনুলের সঙ্গে জুটিতে বেশ তরতরিয়েই রান বাড়ছিল। ৪৭ বল স্থায়ী জুটিতে রান যখন ৪২, অশ্বিনের স্টাম্পে থাকা বলে ফ্লিক করে শর্ট মিডউইকেটে লোকেশ রাহুলের হাতে ধরা পড়েন লিটন। ১ ছক্কা ও ২ চারে ২৬ বলে ২৫ রানের ইনিংসের অপমৃত্যু ঘটে তাতে।
মাঝে ফিফটি তুলে নিয়েছেন মুমিনুল। লম্বা সময় ধরে রানের দেখা পাচ্ছিলেন না। চট্টগ্রাম টেস্টে তাই একাদশে সুযোগও মেলেনি। সেই মুমিনুলের ব্যাটেই এখন আশা দেখছে বাংলাদেশ। ৬৫ রান নিয়ে চা-বিরতিতে গেছেন। তাঁর সঙ্গে শেষ সেশনের ব্যাটিং শুরু করবেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

থিতু হওয়ার পর ইনিংস বড় করতে না পারা টেস্ট ক্রিকেটে একপ্রকার ‘ক্রাইমের’ পর্যায়েই পড়ে। ঢাকার টেস্টের প্রথম দিন এই অপরাধে অপরাধী আউট হওয়া বাংলাদেশের পাঁচ ব্যাটারই। দ্বিতীয় সেশনেও ব্যাটারদের ইনিংস বড় করতে না পারার হতাশা নিয়ে চা-বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। ৫ উইকেটে ১৮৪ রান নিয়ে দ্বিতীয় সেশনের ব্যাটিংয়ে নামবে তারা।
শুরুটা সাকিব আল হাসানকে দিয়ে। ২ উইকেটে ৮২ রান নিয়ে দ্বিতীয় সেশনের খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। মধ্যাহ্নভোজের পর উমেশ যাদবের প্রথম বলেই হেলদোল এক শট খেলতে গিয়ে চেতেশ্বর পূজারার হাতে ক্যাচ দেন সাকিব। ৩৯ বল খেলা সাকিব উইকেটে তখন থিতু, আউট হন ১৬ রানে।
এরপর মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস একই পথে হেঁটেছেন। সাকিবের বিদায়ের পর মুমিনুল হককে নিয়ে দলকে দারুণ এগিয়ে নিচ্ছিলেন মুশফিক। রবিচন্দ্রণ অশ্বিনের এক ওভারে টানা ৩টি চারও মেরেছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। দুজনের ৪৮ রানের জুটিতে ব্যাকফুটেই ছিল ভারত। মুশফিকের ৪৬ বলে ২৬ রানের ইনিংসটা যখন পুষ্পিত হওয়ার অপেক্ষায়, তখনই জয়দেব উনাদকাটের বল খোঁচা দিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। ৫ চারের ইনিংসটি শেষ হয় তাতে।
দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশের শেষ হতাশার নাম লিটন দাস। উইকেটে এসেই চালিয়ে খেলছিলেন। মুমিনুলের সঙ্গে জুটিতে বেশ তরতরিয়েই রান বাড়ছিল। ৪৭ বল স্থায়ী জুটিতে রান যখন ৪২, অশ্বিনের স্টাম্পে থাকা বলে ফ্লিক করে শর্ট মিডউইকেটে লোকেশ রাহুলের হাতে ধরা পড়েন লিটন। ১ ছক্কা ও ২ চারে ২৬ বলে ২৫ রানের ইনিংসের অপমৃত্যু ঘটে তাতে।
মাঝে ফিফটি তুলে নিয়েছেন মুমিনুল। লম্বা সময় ধরে রানের দেখা পাচ্ছিলেন না। চট্টগ্রাম টেস্টে তাই একাদশে সুযোগও মেলেনি। সেই মুমিনুলের ব্যাটেই এখন আশা দেখছে বাংলাদেশ। ৬৫ রান নিয়ে চা-বিরতিতে গেছেন। তাঁর সঙ্গে শেষ সেশনের ব্যাটিং শুরু করবেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
২১ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
৩ ঘণ্টা আগে