
রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে গতবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গুজরাট টাইটানস। স্টেডিয়ামে এই ফাইনাল ম্যাচের দর্শকদের উপস্থিতি জায়গা করে নিয়েছে গিনেস বুক ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে।
গত ২৯ মে রাজস্থানের এবং গুজরাটের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচ হয় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এই ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত হন ১ লাখ ১ হাজার ৫৬৬ জন দর্শক। এটি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড।
টুইটারে এক পোস্টে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে, বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই)। বিসিসিআই টুইটে লিখেছে, ‘ভারত গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করেছে, সবার জন্য তা গর্বের মুহূর্ত। এটি আমাদের সব সমর্থকদের অতুলনীয় আবেগ এবং অটুট সমর্থনের জন্য হয়েছে। আইপিএলকে অভিনন্দন।’
বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি জয় শাহ টুইটে লিখেছেন, ‘২০২২ সালের ২৯ মে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ১ লাখ ১ হাজার ৫৬৬ জন সমর্থক আইপিএলের ফাইনালের দেখেছে, যা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা পাওয়ায় অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। এটা সম্ভব করার জন্য আমাদের সমর্থকদের অনেক ধন্যবাদ!’
১৯৮২ সালে নির্মিত হয় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। তখন স্টেডিয়ামের দর্শক আসন ছিল ৪৯ হাজার। বছর দুয়েক আগে নতুন করে আবার ঢেলে সাজানো হয়। স্টেডিয়ামের দর্শক আসন এখন ১ লাখ ১০ হাজার। দর্শক আসনের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন স্টেডিয়ামকেও পেছনে ফেলেছে গুজরাটের স্টেডিয়ামটি।

রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে গতবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে গুজরাট টাইটানস। স্টেডিয়ামে এই ফাইনাল ম্যাচের দর্শকদের উপস্থিতি জায়গা করে নিয়েছে গিনেস বুক ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে।
গত ২৯ মে রাজস্থানের এবং গুজরাটের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচ হয় আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। এই ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত হন ১ লাখ ১ হাজার ৫৬৬ জন দর্শক। এটি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড।
টুইটারে এক পোস্টে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নেওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে, বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই)। বিসিসিআই টুইটে লিখেছে, ‘ভারত গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করেছে, সবার জন্য তা গর্বের মুহূর্ত। এটি আমাদের সব সমর্থকদের অতুলনীয় আবেগ এবং অটুট সমর্থনের জন্য হয়েছে। আইপিএলকে অভিনন্দন।’
বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি জয় শাহ টুইটে লিখেছেন, ‘২০২২ সালের ২৯ মে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ১ লাখ ১ হাজার ৫৬৬ জন সমর্থক আইপিএলের ফাইনালের দেখেছে, যা টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা পাওয়ায় অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। এটা সম্ভব করার জন্য আমাদের সমর্থকদের অনেক ধন্যবাদ!’
১৯৮২ সালে নির্মিত হয় নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম। তখন স্টেডিয়ামের দর্শক আসন ছিল ৪৯ হাজার। বছর দুয়েক আগে নতুন করে আবার ঢেলে সাজানো হয়। স্টেডিয়ামের দর্শক আসন এখন ১ লাখ ১০ হাজার। দর্শক আসনের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন স্টেডিয়ামকেও পেছনে ফেলেছে গুজরাটের স্টেডিয়ামটি।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের চলমান জটিলতা আপাতত দূর হয়েছে। রাতে বিসিবি-ক্রিকেটারদের সভায় বিপিএল শুক্রবার থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভা শেষে বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু সংবাদমাধ্যমকে বলেন...
২ ঘণ্টা আগে
খেলা বর্জনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ক্রিকেটাররা। ফিরতে চান খেলায়। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা জানিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (বিসিবি)।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশের ক্রিকেটে গুমোট একটা পরিবেশ চলছে বেশ কয়েকদিন ধরে। প্রথমে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার ইস্যুর পর এবার মুখোমুখি অবস্থানে বিসিবি ও ক্রিকেটাররা। বিবাদের আঁচ পড়ছে একের পর এক। এমন অবস্থায় ঐক্যের ডাক দিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।
৬ ঘণ্টা আগে
আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি এখনো। তবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) স্থগিত করার দিক যাচ্ছে বিসিবি। বিসিবির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ বিভাগ থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরও খেলোয়াড়েরা যেহেতু খেলা বয়কটের ঘোষণা থেকে সরে আসেননি, বিপিএল বন্ধ করে দেওয়ার দিকেই যাচ্ছে বিসিবি।
৬ ঘণ্টা আগে