
শুরুর দিকে শীর্ষে থাকলেও এখন রাজস্থান রয়্যালসের সেরা চারে থাকাটায় শঙ্কার মুখে। আজ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে এমন বিধ্বস্ত না হলে হয়তো সেরা চারে থাকা আশাটা আরেকটু করতেই পারত তারা।
কিন্তু জয়পুরে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়েছে রাজস্থান। ১১২ রানে হেরে গড়েছে লজ্জার রেকর্ড। বেঙ্গালুরুর দেওয়া ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৫৯ রানে গুটিয়ে গেছেন জস বাটলার-সঞ্জু স্যামসনরা। ওয়েইন পারনেল-মিচেল ব্রেসওয়েলদের সামনে রাজস্থান টিকতে পেরেছে মাত্র ১০.৩ ওভার।
যা একটু লড়েছেন শিমরন হেটমায়ার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটার ১৯ বলে ৪ ছয়ে ৩৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসটি না খেললে হয়তো আরও বড় ব্যবধানে হারত রাজস্থান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ রান করেন জো রুট। এ দুজন ছাড়া আর দেখা পায়নি দুই অঙ্কের দেখা।
এটি রাজস্থানের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০০৯ সালে কেপটাউনে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষেই ৫৮ রানে বিধ্বস্ত হয়েছিল তারা। আইপিএল ইতিহাসেও এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। ২০১৭ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে মাত্র ৪৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বেঙ্গালুরু।
রাজস্থান এমন বিধ্বস্ত হবে হয়তো সেটি বেঙ্গালুরুও চিন্তা করেনি। ওপেনার বিরাট কোহলি ইনিংস বড় করতে না পারলেও আরেক ওপেনার-অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল মিলে বেঙ্গালুরুর ইনিংসটা লম্বা করে নেন। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনে গড়েন ৬৯ রানের জুটি। ডু প্লেসি ৫৫ ও ম্যাক্সওয়েল ফেরেন ৫৪ রানে। বেঙ্গালুরুর হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন পারনেল।
এই জয়ে ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চারে ওঠে এসেছে বেঙ্গালুরু। এক ম্যাচ বেশি খেলে সমান পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে নেমে গেছে রাজস্থান। নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় ওপরে উঠে এসেছেন কোহলিরা।

শুরুর দিকে শীর্ষে থাকলেও এখন রাজস্থান রয়্যালসের সেরা চারে থাকাটায় শঙ্কার মুখে। আজ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে এমন বিধ্বস্ত না হলে হয়তো সেরা চারে থাকা আশাটা আরেকটু করতেই পারত তারা।
কিন্তু জয়পুরে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়েছে রাজস্থান। ১১২ রানে হেরে গড়েছে লজ্জার রেকর্ড। বেঙ্গালুরুর দেওয়া ১৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৫৯ রানে গুটিয়ে গেছেন জস বাটলার-সঞ্জু স্যামসনরা। ওয়েইন পারনেল-মিচেল ব্রেসওয়েলদের সামনে রাজস্থান টিকতে পেরেছে মাত্র ১০.৩ ওভার।
যা একটু লড়েছেন শিমরন হেটমায়ার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটার ১৯ বলে ৪ ছয়ে ৩৫ রানের ঝোড়ো ইনিংসটি না খেললে হয়তো আরও বড় ব্যবধানে হারত রাজস্থান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১০ রান করেন জো রুট। এ দুজন ছাড়া আর দেখা পায়নি দুই অঙ্কের দেখা।
এটি রাজস্থানের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। এর আগে ২০০৯ সালে কেপটাউনে বেঙ্গালুরুর বিপক্ষেই ৫৮ রানে বিধ্বস্ত হয়েছিল তারা। আইপিএল ইতিহাসেও এটি দ্বিতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। ২০১৭ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে মাত্র ৪৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বেঙ্গালুরু।
রাজস্থান এমন বিধ্বস্ত হবে হয়তো সেটি বেঙ্গালুরুও চিন্তা করেনি। ওপেনার বিরাট কোহলি ইনিংস বড় করতে না পারলেও আরেক ওপেনার-অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল মিলে বেঙ্গালুরুর ইনিংসটা লম্বা করে নেন। দ্বিতীয় উইকেটে দুজনে গড়েন ৬৯ রানের জুটি। ডু প্লেসি ৫৫ ও ম্যাক্সওয়েল ফেরেন ৫৪ রানে। বেঙ্গালুরুর হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন পারনেল।
এই জয়ে ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে চারে ওঠে এসেছে বেঙ্গালুরু। এক ম্যাচ বেশি খেলে সমান পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে নেমে গেছে রাজস্থান। নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় ওপরে উঠে এসেছেন কোহলিরা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
২ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২ ঘণ্টা আগে