টেস্ট ক্রিকেটে সীমিত ওভারের ব্যাটিং করা ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল যেন এক অভ্যাস বানিয়ে ফেলেছে। করাচিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় টেস্ট তিনদিনে প্রায় শেষ করেই ফেলেছিল ইংল্যান্ড। তবে শেষ পর্যন্ত আর তা সম্ভব হয়নি। পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করতে দরকার ৫৫ রান।
বিনা উইকেটে ২১ রানে আজ তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে পাকিস্তান। উদ্বোধনী জুটিতে আব্দুল্লাহ শফিক-শান মাসুদ যোগ করেছেন ৫৩ রান। ১৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জ্যাক লিচকে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মাসুদ। পাকিস্তানের এই বাঁহাতি ওপেনার করেন ২৪ রান। ওই ওভারের শেষ বলে আজহার আলিকে বোল্ড করেন লিচ। সাদা পোশাকে শেষ ইনিংসে শূন্য রান করে আউট হন পাকিস্তানের এই ব্যাটার। ২৬ রান করা আব্দুল্লাহ শফিককেও দ্রুত ড্রেসিংরুমে ফেরান লিচ।
৫৩ থেকে ৫৪-১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে পাকিস্তান। এরপর চতুর্থ উইকেট জুটিতে দলের হাল ধরেন বাবর আজম ও সৌদ শাকিল। চতুর্থ উইকেট জুটিতে বাবর-শাকিল যোগ করেন ১১০ রান। এই দুই পাকিস্তানি ব্যাটার ফিফটি করেছেন। ৫৪ রান করা বাবরকে ফিরিয়ে ১১০ রানের জুটি ভাঙেন রেহান আহমেদ। মূলত রেহানই পাকিস্তানের ইনিংসের ভাঙন ধরানো শুরু করেন রেহান। মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাকিল-এই দুই ব্যাটারকে দ্রুত ড্রেসিংরুমে ফিরিয়েছেন ইংলিশ এই লেগস্পিনার। যেখানে শাকিল করেন ৫৩ রান। ১৭৭ রানে ৬ উইকেট পড়া পাকিস্তান অলআউট হয় ২১৬ রানে। ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৬৭ রানের।
১৬৭ রানের লক্ষ্যে ইংল্যান্ড ব্যাটিং করে ‘টি-টোয়েন্টি স্টাইলে।’ দুই ইংলিশ ওপেনার বেন ডাকেট ও জ্যাক ক্রলি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন। উদ্বোধনী জুটিতে ৬৯ বলে ৮৭ রান যোগ করেন এই দুই ইংলিশ ওপেনার। ৪১ রান করা ক্রলিকে ফিরিয়ে উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন আবরার আহমেদ। তিন নম্বরে ব্যাটিং করতে আসেন রেহান। ৮ বলে ১০ রান করে তিনি হাঁটা দেন ড্রেসিংরুমের দিকে। রেহানের উইকেটও নেন আবরার।২ উইকেটে ১১২ রানে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে ইংল্যান্ড। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত আছেন ডাকেট।

বিশ্বকাপ আর ব্রাজিলের সম্পর্কটা যেন এক চিরন্তন রোমাঞ্চের গল্প। ১৯৩০ সালে টুর্নামেন্টের সূচনা থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিটি আসরে অংশ নেওয়া একমাত্র দল তারা। পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের নামের ভারটাই আলাদা। কিন্তু ২০০২ সালের পর থেকে সোনালি ট্রফিটা সেলেসাওদের জন্য কেবলই এক মরীচিকা হয়ে আছে। দীর্ঘ ২৪ বছরের সে
২৬ মিনিট আগে
নিউইয়র্কের ফ্লাশিং মিডোস। নামটা শুনলেই সবার আগে আসবে ইউএস ওপেন। ইউএস ওপেনের ভেন্যুই তো এটি। সেই টেনিস ভেন্যুতে কিনা প্রথমবারের মতো পা রাখা জোকোভিচ-আলকারাজদের কোনো দ্বৈরথ দেখতে নয়; বিখ্যাত টেনিস কোর্টে প্রথমবারের মতো আসা ফুটবল উপলক্ষে।
১ ঘণ্টা আগে
চাপের মুখে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কিছুটা দার্শনিক ঢঙে ভয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘ভয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এটি জীবন বাঁচায়। আপনার মনে যদি ভয় না থাকে, তবে সিংহকেও বিড়ালের মতো মনে হতে পারে। ম্যাচ নিয়ে কিছুটা উদ্বেগ থাকা ভালো, এতে দল নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে পারে।’
৫ ঘণ্টা আগে
কোচের এই সাহসী সিদ্ধান্ত ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেয় মাত্র ১২১ সেকেন্ডের মধ্যে। ৭৮ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ইসমায়েল কোনের চমৎকার এক পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বসনিয়ান ডিফেন্ডারকে বোকা বানান লারিন। এরপর ডান পায়ের নিখুঁত ভলিতে বল জড়িয়ে দেন বসনিয়ার জালে।
৫ ঘণ্টা আগে