
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের কাছে হারে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার পথ কঠিন হয়ে গেল বাংলাদেশের। দুবাইয়ের মন্থর উইকেটে শক্তিশালী ভারতীয় ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে ২৬০–২৭০ রান প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ স্কোর হতে পারত—এ কথা হারের পর ভালোভাবেই উপলব্ধি করছে শান্তর দল।
পাওয়ার প্লেতে পাঁচ উইকেট হারানোর ধাক্কা সামলে বাংলাদেশ লড়াইয়ে ফিরতে পারেনি, ম্যাচ শেষে তা স্বীকার করেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি বলেন, ‘হৃদয় ও জাকের দারুণ ব্যাটিং করেছে, তবে আমরা ফিল্ডিংয়ে কিছু ভুল করেছি। ক্যাচ হাতছাড়া ও রানআউট মিস না হলে ফলাফল ভিন্ন হতে পারত। ভারতের স্পিনারদের বিপক্ষে হৃদয় ও জাকেরের ব্যাটিং সত্যিই প্রশংসনীয়। আশা করি, তারা এভাবেই পারফর্ম করতে থাকবে।’
ভারতের ইনিংসে ১৪৪টি ডট বল করেছেন বাংলাদেশের বোলাররা, যার মধ্যে মিরাজ-রিশাদেরই ৫৯টি। পুরো ইনিংসের ৪৯ শতাংশ বলেই রান নিতে পারেননি রোহিত-গিলরা। ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ যখন ব্যাট করছিল, তখন ভারতীয় বোলিং ইনিংসে ডট বলের সংখ্যা ছিল ১৫৯টি, তবে তাদের তিন স্পিনার—কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল ও রবীন্দ্র জাদেজা মিলে ৮৭টি ডট বল করেছেন, যা তাদের মোট ডটবলের ৫৪ শতাংশ। অনেকেই মনে করছেন, স্পিন-বান্ধব কন্ডিশনে তিনজন পেসার না খেলিয়ে একজন বাড়তি স্পিনারের দরকার ছিল বাংলাদেশের। এ নিয়ে অবশ্য ভিন্ন মত পোষণ করেন শান্ত, ‘একাদশে অতিরিক্ত স্পিনার দরকার ছিল কি না... আমি তা মনে করি না। নতুন বলে উইকেট পেলে ম্যাচের পরিস্থিতি অন্যরকম হতে পারত।’
বাংলাদেশের সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ নিউজিল্যান্ড। ২৪ ফেব্রুয়ারি রাওয়ালপিন্ডিতে তাদের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। শান্ত মনে করেন, পাকিস্তানের কন্ডিশনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করবে, ‘আমরা সম্প্রতি পাকিস্তানে খেলেছি, তাই রাওয়ালপিন্ডির কন্ডিশনে ছেলেরা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবে।’

গতি, সুইং, বাউন্স—প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যা যা দরকার, ডারউইনে আজ বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ছিল সবকিছুই। হাসান মাহমুদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরী, তাসকিন আহমেদদের আগুনে বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়া গুটিয়ে গেছে ২০০-এর আগেই। বিধ্বংসী বোলিংয়ে দুই বছর আগের স্মৃতি ফেরাল বাংলাদেশ।
১৮ মিনিট আগে
অস্ট্রেলিয়ায় এমন একটা দিন বাংলাদেশ কাটাবে, তা কজনে কল্পনা করতে পেরেছিলেন? কদিন আগে এই বাংলাদেশ ইনিংসে হেরেছে জিম্বাবুয়ের কাছে। তার ওপর ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে বাংলাদেশের যে দল টেস্ট খেলেছে, সেই দলের কোনো ক্রিকেটারেরই ২০০৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। আজ ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্র
২ ঘণ্টা আগে
ঘরের মাঠের চেয়ে বিদেশের মাঠেই বেশি সাবলীল হাসান মাহমুদ। পেস, সুইংয়ে ব্যাটারদের কাবু করেন নিয়মিতই। অস্ট্রেলিয়ায় এবার প্রথমবার টেস্ট খেলতে নেমেই আগুন ঝড়াচ্ছেন হাসান। ছুঁয়ে ফেলেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজার রেকর্ড। হাসানের সামনে এখন কেবল শাহাদাত হোসেন রাজীব ও তাসকিন আহমেদ।
২ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়াকে রীতিমতো নাচিয়ে ছেড়েছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরীদের আগুনে বোলিংয়ে স্কোরবোর্ডে ২০০ রানও জমা করতে পারেনি অজিরা। ধারাভাষ্যকার ক্যারি ও’ কিফ বাংলাদেশের এমন পারফরম্যান্সে মুগ্ধ।
৩ ঘণ্টা আগে