
সাকিব আল হাসানকে বাংলাদেশের জার্সিতে আবার কবে দেখা যাবে—গত ২৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভায় দুই পরিচালক আমজাদ হোসেন, আসিফ আকবরের কথার পর এই আলোচনা জোরালো হয়ে উঠেছে। যদি সাকিব দেশে ফিরেন, তাহলে তাঁর প্রতি নমনীয় আচরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক গোলরক্ষক আমিনুল হক।
ক্রিকেটার সাকিবের চেয়ে রাজনীতিবিদ সাকিব পরিচয়টা বড় হয়ে ওঠার কারণেই তাঁর দেশের হয়ে পুনরায় খেলা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডারের নামে অনেক মামলা রয়েছে। সাকিবকে দেশে ফেরানো প্রসঙ্গে আজ বিএনপির ঢাকা-১৬ আসনের মনোনীত প্রার্থী আমিনুল হকের কণ্ঠে সেই একই কথার প্রতিধ্বনি। আমিনুল বলেন, ‘সাকিবের যে সিদ্ধান্ত, সেটা রাষ্ট্র নেবে। কারণ, আইনের যে বিষয়গুলো রয়েছে, সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমি একজন খেলোয়াড় হিসেবে সব সময় সাকিবের পক্ষে থেকেছি। আমিও চাই সাকিবের মতো একজন বিশ্ববিখ্যাত খেলোয়াড় যেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।’
নিজে একজন খেলোয়াড় হওয়ায় আমিনুল হয়তো বুঝতে পারছেন, দেশের জার্সিতে খেলতে না পারায় সাকিবের কতটা খারাপ লাগছে। বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক গোলরক্ষক বলেন, ‘সাকিবের যে ভুলগুলো হয়েছে বিগত সময়ে সেগুলো রাষ্ট্র বিচার-বিশ্লেষণ করে তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই দেশে এনে সে যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের হয়ে খেলার ইচ্ছা পোষণ করে এবং বাংলাদেশ সরকার হিসেবে আল্লাহ যদি আমাদের কবুল করেন, আমরা অবশ্যই সাকিবের বিষয়ে নমনীয় আচরণ করব ইনশা আল্লাহ।’
বর্তমান বিসিবির বৈধতা নিয়ে আমিনুল প্রশ্ন তুলেছেন আবারও। বিএনপির ঢাকা-১৬ আসনের মনোনীত প্রার্থী আজ বিসিবিকে নিয়ে বলেন, ‘দেখুন আমি যেটা বলি, আমাদের বর্তমান ক্রিকেট বোর্ড একটি প্রশ্নবিদ্ধ ক্রিকেট বোর্ড। সঠিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে কিন্তু এই ক্রিকেট বোর্ড নির্বাচিত হয়নি। যেখানে প্রশ্নবিদ্ধ থাকে, সেখানে তাদের অনভিজ্ঞতা অবশ্যই থাকবে। কারণ, যাঁরা ক্রিকেট বোর্ডে দায়িত্ব পালন করছেন, দুই একজন ছাড়া তাদের বিগত সময়ে ক্রিকেট বোর্ড পরিচালনা করার মতো অভিজ্ঞতা ছিল না। যার কারণে এই সমস্যাগুলো তৈরি হচ্ছে এবং আল্লাহ যদি আমাদের কবুল করেন, আশা করি আমরা এই ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে ভবিষ্যতে বসে পূর্ণ সমাধান করব ইনশা আল্লাহ।’
২০২৪ সালের ৩ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের এক দিন আগে মাশরাফি বিন মর্তুজার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেখা করতে গিয়েছিলেন তামিম। অতিথি খাতায় তাঁর নাম থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হয় ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার উদ্ধার করা একটি খাতা থেকে। মাঝেমধ্যেই সেই খাতা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আসিফ আকবর সেই ঘটনাকে ইঙ্গিত করে ২৪ জানুয়ারি বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভা শেষে বলেছিলেন, ‘দুইটা-তিনটা উদাহরণ আছে বাংলাদেশে। এক মাশরাফি বিন মর্তুজা। সে বাংলাদেশে অবস্থান করছে এবং ৩ আগস্টের পর আরেকজন ক্রিকেটার সেও বাংলাদেশে অবস্থান করছে। তো আমার মনে হয়, সেই দুজনও যদি থাকতে পারে, তাহলে সাকিব আল হাসানও থাকতে পারে।’ এদিকে গত কয়েক দিন ধরে সামাজিক মাধ্যমে সাকিবের মাগুরার বাড়ি নতুন করে সেজে ওঠার ছবি দেখা যাচ্ছে।
বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় সাকিবকে নিয়ে কথা ওঠার পরের দিনই (২৫ জানুয়ারি) সংবাদমাধ্যমে আমিনুল জানিয়েছিলেন, এই সিদ্ধান্ত (সাকিবকে দেশে ফেরানো) বিসিবি নিতে পারে না। বাংলাদেশের সাবেক গোলরক্ষক বলেন, ‘এখন ক্রিকেট বোর্ড স্টান্টবাজি করে, আপনাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রশ্ন করার আগেই সাকিবকে দেশে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে (বলে ফেলেছে)। এই সিদ্ধান্ত ক্রিকেট বোর্ড নিতে পারে না। সাকিবের ইস্যুতে রাষ্ট্রীয় আইনের ব্যাপার। সেই আইন অমান্য করে ক্রিকেট বোর্ডের কোনো এখতিয়ার নেই সাকিবকে ফিরিয়ে আনার। সাকিব ফিরে আসুক আমরা অবশ্যই চাই, তবে রাষ্ট্রীয় আইনের মধ্য দিয়ে সাকিবকে ফিরিয়ে আনতে হবে।’ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ভারতের বিপক্ষে কানপুর টেস্টের পর সাকিব আর বাংলাদেশের হয়ে খেলতে পারেননি।

প্রথমার্ধের জোড়া গোল বাতিলের ধাক্কা, এরপর গোল হজম করে পিছিয়ে পড়া—সব মিলিয়ে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে চরম ব্যাকফুটে ছিল জার্মানি। তবে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা আইভরি কোস্টের মুখ থেকে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা। বদলি নামা ডেনিজ উন্দাভের জোড়া গোলে ২–১ ব্যবধানের জয়ে ইউলিয়ান নাগেলসমানের দল নিশ্চিত করেছে নকআউট পর্বে
২ ঘণ্টা আগে
ব্রাজিলের ৯ নম্বর জার্সিটার ওজনই আলাদা। রোনালদো নাজারিও এই জার্সি পরেই বিশ্ব মাতিয়েছেন, ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেনও। তবে রোনালদো-পরবর্তী যুগে কেউই সেভাবে সেই জার্সির ভার সেভাবে বহন করতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ শুরুর আগে স্পেনকে অনেকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে দেখেছেন। ইউরো ২০২৪ জয়ের পর লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলটিকে ঘিরে প্রত্যাশাও ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই নবাগত কেপ ভার্দের সঙ্গে স্পেন গোলশূন্য ড্র করায় সেই প্রত্যাশায় একটা ধাক্কা খেয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
এরপর সুইডেন ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও ডাচদের রক্ষণভাগ ভাঙা সম্ভব হয়নি। অবশ্য খেলার শেষ দিকে নেদারল্যান্ডসের আক্রমণভাগের ধার আরও বেড়ে যায়। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে সুইডেনের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন সেই সামারভিল। মেমফিস ডিপাইয়ের সঙ্গে চমৎকার পাস খেলে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। এরপর সুইডিশ গোলরক্ষককে ক
৫ ঘণ্টা আগে