
দেশের জাতীয় উৎসবকে স্মরণীয় করে রাখার এমন উপলক্ষ বারবার আসে না। বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে দারুণভাবে। বাংলাদেশের ৫২তম বিজয় দিবসের দিন দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে গড়েছে ইতিহাস। ইস্ট লন্ডনের বাফালো পার্কে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১১৯ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির বাংলাদেশ।
২৫০ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২.১ ওভারে স্বাগতিকদের স্কোর হয়ে যায় ২ উইকেটে ৯ রান। দুই ওপেনার লরা ভলভার্ট করেন ৫ রান ও তাজমিন ব্রিটস করেন ৪ রান। অধিনায়ক ভলভার্টের উইকেট নিয়েছেন সুলতানা খাতুন এবং ব্রিটসকে ফেরান নাহিদা আক্তার।
চাপে পড়া দক্ষিণ আফ্রিকা এরপর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে তৃতীয় উইকেট জুটিতে। তৃতীয় উইকেটে সুন লুস ও অ্যানেকে বস্ক গড়েন ৬১ বলে ৪১ রানের জুটি। স্বাগতিকদের ইনিংসের এটাই সর্বোচ্চ জুটি। ৩৫ বলে ১৬ রান করা বস্ককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন নাহিদা আক্তার। বস্কের পর লুসের উইকেটও নিয়েছেন নাহিদা৷ ৩৮ বলে ৩১ রান করা করেছেন লুস।
বস্ক, লুসের উইকেট পড়ার পরই খেই হারাতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। এক পর্যায়ে ২ উইকেটে ৫০ থেকে মুহূর্তেই তাদের স্কোর হয়ে যায় ৮ উইকেটে ৯৫ রান। বাংলাদেশের জয় যেখানে ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র, তখন অপেক্ষা বাড়িয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়েরা৷ নবম উইকেটে এলিজ মারি মার্ক্স ও মাসাবাতা ক্লাস গড়েন ৫৩ বলে ৩৬ রানের জুটি। যা শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। ক্লাসের উইকেট তুলে জুটি ভাঙেন সুলতানা। আর মার্ক্সকে স্টাম্পিং করে স্বাগতিকদের ইনিংসের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন নাহিদা৷ ৩৬.৩ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার নারী ক্রিকেট দল৷ ১১৯ রানের বিশাল জয়ে নিগার সুলতানা জ্যোতির বাংলাদেশ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের এটি সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়। তাতে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল নিজেদেরই ১২ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ২০১১ সালে সাভারে আয়ারল্যান্ডকে ৮২ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
ম্যাচসেরা হয়েছেন মুর্শিদা খাতুন। ১০০ বলে ১০ চারে ৯১ রান করে অপরাজিত থাকেন মুর্শিদা৷ টস হেরে প্রথমে ব্যাট করা বাংলাদেশ করে ৩ উইকেটে ২৫০ রান। যা বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ স্কোর।

দেশের জাতীয় উৎসবকে স্মরণীয় করে রাখার এমন উপলক্ষ বারবার আসে না। বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল সেই সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে দারুণভাবে। বাংলাদেশের ৫২তম বিজয় দিবসের দিন দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠে গড়েছে ইতিহাস। ইস্ট লন্ডনের বাফালো পার্কে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১১৯ রানে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির বাংলাদেশ।
২৫০ রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২.১ ওভারে স্বাগতিকদের স্কোর হয়ে যায় ২ উইকেটে ৯ রান। দুই ওপেনার লরা ভলভার্ট করেন ৫ রান ও তাজমিন ব্রিটস করেন ৪ রান। অধিনায়ক ভলভার্টের উইকেট নিয়েছেন সুলতানা খাতুন এবং ব্রিটসকে ফেরান নাহিদা আক্তার।
চাপে পড়া দক্ষিণ আফ্রিকা এরপর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে তৃতীয় উইকেট জুটিতে। তৃতীয় উইকেটে সুন লুস ও অ্যানেকে বস্ক গড়েন ৬১ বলে ৪১ রানের জুটি। স্বাগতিকদের ইনিংসের এটাই সর্বোচ্চ জুটি। ৩৫ বলে ১৬ রান করা বস্ককে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন নাহিদা আক্তার। বস্কের পর লুসের উইকেটও নিয়েছেন নাহিদা৷ ৩৮ বলে ৩১ রান করা করেছেন লুস।
বস্ক, লুসের উইকেট পড়ার পরই খেই হারাতে থাকে দক্ষিণ আফ্রিকা। এক পর্যায়ে ২ উইকেটে ৫০ থেকে মুহূর্তেই তাদের স্কোর হয়ে যায় ৮ উইকেটে ৯৫ রান। বাংলাদেশের জয় যেখানে ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র, তখন অপেক্ষা বাড়িয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মেয়েরা৷ নবম উইকেটে এলিজ মারি মার্ক্স ও মাসাবাতা ক্লাস গড়েন ৫৩ বলে ৩৬ রানের জুটি। যা শুধু দক্ষিণ আফ্রিকার পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। ক্লাসের উইকেট তুলে জুটি ভাঙেন সুলতানা। আর মার্ক্সকে স্টাম্পিং করে স্বাগতিকদের ইনিংসের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন নাহিদা৷ ৩৬.৩ ওভারে ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার নারী ক্রিকেট দল৷ ১১৯ রানের বিশাল জয়ে নিগার সুলতানা জ্যোতির বাংলাদেশ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এগিয়ে গেল ১-০ ব্যবধানে। নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের এটি সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়। তাতে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল নিজেদেরই ১২ বছরের পুরনো রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ২০১১ সালে সাভারে আয়ারল্যান্ডকে ৮২ রানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
ম্যাচসেরা হয়েছেন মুর্শিদা খাতুন। ১০০ বলে ১০ চারে ৯১ রান করে অপরাজিত থাকেন মুর্শিদা৷ টস হেরে প্রথমে ব্যাট করা বাংলাদেশ করে ৩ উইকেটে ২৫০ রান। যা বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ স্কোর।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
৩৭ মিনিট আগে
ফুটসালে অভিজ্ঞতার ঝুলি খুব একটা ভারী নয় কারোরই। তাই লড়াই জমে উঠল বেশ। কখনো বাংলাদেশ এগিয়ে, আবার কখনো এগিয়ে ভারত। পড়তে পড়তে রোমাঞ্চ ছড়ানো ম্যাচে দিনশেষে অবশ্য জিতল না কেউই।
১ ঘণ্টা আগে
প্রথমবার এসেই যেন বাংলাদেশের প্রেমে পড়ে গেছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা। ফিফার দূত হিসেবে বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে যখন সিলভা ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে পা রেখেছেন, পাশে ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও। অনুষ্ঠান যেভাবে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র ৩ সপ্তাহ বাকি থাকলেও এখনো বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত নন তানজিদ হাসান তামিম। এই বাঁ হাতি ব্যাটারের বিশ্বাস, বিষয়টি ভালোভাবেই দেখছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আইসিসি।
২ ঘণ্টা আগে