নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

শুরুতে আক্রমণাত্মক থাকলেও মাঝে কিছুটা রয়েসয়ে খেলে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশও স্বপ্ন দেখে তাঁদের অল্প রানে বাঁধার। কিন্তু দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন দাসুন শানাকা। তাঁর বিধ্বংসী ইনিংসে বাংলাদেশের কাছে ১৬৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে লঙ্কানরা।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেন অধিনায়ক লিটন দাস। এই ধরনের উইকেটে পরে ব্যাট করে জয়ের হার ৭০ শতাংশ। তাই লিটনও কোনো ভুল করেননি। একাদশে আনা হয়েছে দুই পরিবর্তনও। নুরুল হাসান সোহান ও রিশাদ হোসেনের জায়গায় সুযোগ পান শেখ মেহেদী ও শরিফুল ইসলাম। মেহেদী সুযোগটা কাজে লাগালেও শরিফুল তা পারেননি।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটা হয় দারুণ। কোনো উইকেট না হারিয়েই ৫০-এর দিকে ছুটছিল তারা। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে পাতুম নিসাঙ্কাকে ফিরিয়ে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাসকিন আহমেদ। ১৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২২ রানে ফেরেন নিসাঙ্কা।
পাওয়ার প্লের পর বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই কুশল মেন্ডিসকে (৩৪) শিকার করেন শেখ মেহেদী। ঠিক পরের ওভারেই কামিল মিশারাকে বোল্ড করেন তিনি। শুরুর সমস্যাগুলো কোনোভাবেই কাটিয়ে উঠতে পারেননি মিশারা। স্লাইডার ডেলিভারিতে মিডলস্টাম্প হারিয়ে ফেলেন এই বাঁহাতি।
দারুণ শুরুর পরও ৬৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় লঙ্কানরা। মাঝের ওভারে রানের গতি বাড়াতে তাই প্রমোশন দেওয়া হয় দাসুন শানাকাকে। ফিনিশার হিসেবে তাঁর পরিচিতি থাকলেও আজ খানিকটা সময় নেন হাত খুলে খেলার। শরিফুল ইসলামকে স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে তাণ্ডব শুরু করেন তিনি।
নাসুমের করা ১৫ তম ওভার থেকে আসে ১৭ রান। লেগসাইড দিয়ে দুই ছক্কা এবং শর্ট ফাইন লেগের ওপর একটি চার হাঁকান শানাকা। কুশল পেরেরা মোস্তাফিজের শিকার হওয়ার পর ছন্দ খোঁজার চেষ্টা করেন অধিনায়ক চারিত আসালাঙ্কাও।
ডেথ ওভারে অবশ্য দুর্দান্ত করেছেন মোস্তাফিজুর। তিনি না থাকলে হয়তো ১৮০ ছুঁতে পারত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ। ১৮ তম ওভারে শরিফুল ১৮ ও শেষ ওভারে তাসকিন খরচ করেন ১০ রান। অথচ ডেথ ওভারে দুবার বোলিংয়ে এসে ১১ রানের বেশি দেননি মোস্তাফিজ। ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। সাকিব আল হাসানকে ছুঁয়ে যৌথভাবে বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি (১৪৯) এখন বাঁহাতি এই পেসার।
মোস্তাফিজ ও মেহেদীর কৃপণতার দিনে বাকিরা ছিলেন বিবর্ণ। এর পেছনে মূল কারণ অবশ্য শানাকা। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটি করা এই ব্যাটার একবার জীবন পেয়ে ৩৭ বলে ৩ চার ও ৬ ছক্কায় খেলেন অপরাজিত ৬ ৪ রানের ইনিংস। ১৭ তম ওভারে তাঁর ক্যাচ ফেলে দেন শামীম পাটোয়ারী। এছাড়া তাওহীদ হৃদয় দুবার ক্যাচ মিস করেন আসালাঙ্কার। বাংলাদেশের ফিল্ডিং তাই ছিল না বলার মতো। তবুও দিনশেষে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রানের বেশি করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। দুবাইয়ের উইকেটে এই রান তাড়া করা কঠিন কিছু নয়। কিন্তু বাংলাদেশের জন্য তা সহজ হবে তো?

শুরুতে আক্রমণাত্মক থাকলেও মাঝে কিছুটা রয়েসয়ে খেলে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশও স্বপ্ন দেখে তাঁদের অল্প রানে বাঁধার। কিন্তু দেয়াল হয়ে দাঁড়ালেন দাসুন শানাকা। তাঁর বিধ্বংসী ইনিংসে বাংলাদেশের কাছে ১৬৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে লঙ্কানরা।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেন অধিনায়ক লিটন দাস। এই ধরনের উইকেটে পরে ব্যাট করে জয়ের হার ৭০ শতাংশ। তাই লিটনও কোনো ভুল করেননি। একাদশে আনা হয়েছে দুই পরিবর্তনও। নুরুল হাসান সোহান ও রিশাদ হোসেনের জায়গায় সুযোগ পান শেখ মেহেদী ও শরিফুল ইসলাম। মেহেদী সুযোগটা কাজে লাগালেও শরিফুল তা পারেননি।
আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটা হয় দারুণ। কোনো উইকেট না হারিয়েই ৫০-এর দিকে ছুটছিল তারা। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে পাতুম নিসাঙ্কাকে ফিরিয়ে ব্রেক-থ্রু এনে দেন তাসকিন আহমেদ। ১৫ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় ২২ রানে ফেরেন নিসাঙ্কা।
পাওয়ার প্লের পর বিপজ্জনক হয়ে ওঠার আগেই কুশল মেন্ডিসকে (৩৪) শিকার করেন শেখ মেহেদী। ঠিক পরের ওভারেই কামিল মিশারাকে বোল্ড করেন তিনি। শুরুর সমস্যাগুলো কোনোভাবেই কাটিয়ে উঠতে পারেননি মিশারা। স্লাইডার ডেলিভারিতে মিডলস্টাম্প হারিয়ে ফেলেন এই বাঁহাতি।
দারুণ শুরুর পরও ৬৫ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় লঙ্কানরা। মাঝের ওভারে রানের গতি বাড়াতে তাই প্রমোশন দেওয়া হয় দাসুন শানাকাকে। ফিনিশার হিসেবে তাঁর পরিচিতি থাকলেও আজ খানিকটা সময় নেন হাত খুলে খেলার। শরিফুল ইসলামকে স্কয়ার লেগের ওপর দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে তাণ্ডব শুরু করেন তিনি।
নাসুমের করা ১৫ তম ওভার থেকে আসে ১৭ রান। লেগসাইড দিয়ে দুই ছক্কা এবং শর্ট ফাইন লেগের ওপর একটি চার হাঁকান শানাকা। কুশল পেরেরা মোস্তাফিজের শিকার হওয়ার পর ছন্দ খোঁজার চেষ্টা করেন অধিনায়ক চারিত আসালাঙ্কাও।
ডেথ ওভারে অবশ্য দুর্দান্ত করেছেন মোস্তাফিজুর। তিনি না থাকলে হয়তো ১৮০ ছুঁতে পারত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ। ১৮ তম ওভারে শরিফুল ১৮ ও শেষ ওভারে তাসকিন খরচ করেন ১০ রান। অথচ ডেথ ওভারে দুবার বোলিংয়ে এসে ১১ রানের বেশি দেননি মোস্তাফিজ। ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট শিকার করেন তিনি। সাকিব আল হাসানকে ছুঁয়ে যৌথভাবে বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি (১৪৯) এখন বাঁহাতি এই পেসার।
মোস্তাফিজ ও মেহেদীর কৃপণতার দিনে বাকিরা ছিলেন বিবর্ণ। এর পেছনে মূল কারণ অবশ্য শানাকা। ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ ফিফটি করা এই ব্যাটার একবার জীবন পেয়ে ৩৭ বলে ৩ চার ও ৬ ছক্কায় খেলেন অপরাজিত ৬ ৪ রানের ইনিংস। ১৭ তম ওভারে তাঁর ক্যাচ ফেলে দেন শামীম পাটোয়ারী। এছাড়া তাওহীদ হৃদয় দুবার ক্যাচ মিস করেন আসালাঙ্কার। বাংলাদেশের ফিল্ডিং তাই ছিল না বলার মতো। তবুও দিনশেষে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রানের বেশি করতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। দুবাইয়ের উইকেটে এই রান তাড়া করা কঠিন কিছু নয়। কিন্তু বাংলাদেশের জন্য তা সহজ হবে তো?

শীর্ষেই ছিল রংপুর রাইডার্স। কিন্তু চট্টগ্রাম রয়্যালসের দাপটে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের পর্বের লিগ টেবিলের দুইয়ে নেমে যেতে হয়েছে তাদের। হারানো সিংহাসন ফিরে পাওয়ার মিশনে আজ দুপুরে মাঠে নামবে নুরুল হাসান সোহানের দল। তাদের প্রতিপক্ষ রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। বিপিএলে দিনের অপর ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিট
২৭ মিনিট আগে
বর্ণাঢ্য ক্লাব ক্যারিয়ার মোহাম্মদ সালাহর। চেলসি, লিভারপুলের মতো ইউরোপসেরা ক্লাবের হয়ে সম্ভাব্য সব ধরনের শিরোপা জিতেছেন এই ফরোয়ার্ড। কিন্তু কখনো মিসরের হয়ে শিরোপা উঁচিয়ে ধরা হয়নি তাঁর। সেই অপেক্ষার পালা শেষ করতে আরেকটি সুযোগ পেয়েছেন তিনি। আফ্রিকান কাপ অব নেশনসের সেমিফাইনালে উঠেছে সালাহর মিসর।
৪৪ মিনিট আগে
স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে এল ক্লাসিকো দেখতে চাওয়ার আশা পূরণ হয়েছে বার্সেলোনার কোচ হান্সি ফ্লিকের। এখন নির্ভার হয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ ঘিরে পরিকল্পনা আঁটছেন তিনি। তবে ফ্লিকের মতো নির্ভার থাকার সুযোগ নেই জাবি রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জাবি আলোনসোর। মাথার ওপর চাপ এবং ভবিষ্যতের শঙ্কা নিয়ে ফাইনালের মঞ্চ
২ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তার কারণে ভারতে বিশ্বকাপে খেলতে না চাওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এ মুহূর্তে বেশ চাপে আছে। সবচেয়ে বেশি চাপে আছেন সম্ভবত বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিসিআই) কি স্বস্তিতে আছে? উত্তরটা যে হ্যাঁ-সূচক নয়, সেটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরই বলে দিচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে