আক্ষেপ নিয়েই ভারতীয় দলের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করছেন রাহুল দ্রাবিড়। বিশ্বকাপ জিততে না পারার আক্ষেপ। খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হতে না পারার আক্ষেপ ঘোচানোর দুর্দান্ত সুযোগ পেয়েছিলেন কোচ হয়ে।
কিন্তু দুবারই শূন্য হাতে ফিরতে হলো রাহুলকে। সামনে অবশ্য সুযোগ থাকছে তাঁর। কিন্তু সেই সুযোগ নিচ্ছেন না তিনি। ভারতের ডাগআউটে আর থাকতে চান না বলে নতুন করে চুক্তি করেননি ভারতের সাবেক ব্যাটার।
এতে বিশ্বকাপের ফাইনালই ভারতের কোচ হয়ে শেষ ম্যাচ হতে যাচ্ছে রাহুলের। ভারতীয় কোচ নিজে এখন পর্যন্ত কিছু না জানালেও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিদের সঙ্গে তাঁর পথচলা থামতে যাচ্ছে।
বিসিসিআইয়ের এক সূত্র টাইমস অব ইন্ডিয়াকে জানিয়েছে, ‘বিসিসিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রাবিড় জানিয়েছেন, আর পূর্ণ মেয়াদে কোচ হতে আগ্রহী হন তিনি। খেলোয়াড় হিসেবে ২০ বছর দলের সঙ্গে ভ্রমণ করেছে। গত দুই বছরও কোচ হিসেবে একই কাজ করেছেন। নতুন করে আর এমনটি চান না তিনি। জাতীয় ক্রিকেট একাডেমির প্রধান হিসেবে থাকতে পছন্দ করছেন তিনি, যদি আবারও সেই পদে ফেরেন তাহলে নিজ শহর বেঙ্গালুরুতে থাকতে পারবেন।’
২০২১ সালের নভেম্বরে দুই বছরের চুক্তিতে ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছিলেন দ্রাবিড়। তাঁর অধীনে অনেক দ্বিপক্ষীয় সিরিজ জিতলেও সর্বশেষ এশিয়া কাপ ছাড়া বড় কোনো টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি ভারত। উল্টো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পর ঘরের মাঠে বিশ্বকাপেও হতাশ হয়েছেন।
রাহুলের পথচলা থামলে শুরু হতে পারে তাঁর বন্ধু ভিভিএস লক্ষ্মণের। যিনি আজ থেকে শুরু হওয়া ভারত-অস্ট্রেলিয়ার পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। জাতীয় দলের স্থায়ী কোচ হতেও তিনি রাজি আছেন বলে জানিয়েছে ওই সূত্র।

ম্যাচটা যত শেষের দিকে গড়িয়েছে, অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনাই তত জোরালো হয়েছে। কিন্তু স্পেন যেন শেষ মুহূর্তের জন্যই জমিয়ে রেখেছিল সবচেয়ে বড় আঘাতটা। যোগ করা সময়ে মিকেল মেরিনোর গোল পর্তুগালের সব প্রতিরোধ ভেঙে দিয়েছে। ডালাসে ১–০ গোলের জয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে স্পেন, আর থেমে গেছে রোনালদোদের বিশ
২৯ মিনিট আগে
সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
২ ঘণ্টা আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
২ ঘণ্টা আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
২ ঘণ্টা আগে