
নিউজিল্যান্ডকে তাদের মাটিতে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসের সেরা এক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বাস ছুঁয়ে গেছে সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটারদের। চোটের কারণে নিউজিল্যান্ড সফরে যাওয়া হয়নি তামিম ইকবালের। না হলে এই জয়ের দিন মাঠে থাকার কথা তাঁরও।
মাঠে থাকতে না পারলেও দেশ থেকেই যতটা সম্ভব উচ্ছ্বাসে শামিল হচ্ছেন তামিম। এই আনন্দের সঙ্গে বাংলাদেশ ওপেনার স্মরণ করেছেন মাঠকর্মীদেরও। গত রাতে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের মাঠকর্মীদের নিয়ে নৈশভোজের আয়োজন করেন তামিম। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ভক্ত-সমর্থকদের সে বিষয়ে অবহিত করেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক।
এই মাঠকর্মীদের বলা হয়ে থাকে ‘আনসাং হিরো’। তামিম পোস্টে লিখেছেন, ‘আমাদের দল যেমন সেখানে (নিউজিল্যান্ডে) উদযাপন করেছে, দেশেও সবাই নিজেদের মতো করে উদযাপন করছি। আমি উদযাপনের জন্য বেছে নিয়েছি এমন মানুষদের, যারা বাংলাদেশ ক্রিকেটের আনসাং হিরো। এই ছবিতে যাদের দেখছেন, তাঁরা সবাই মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের মাঠকর্মী। আজকে উদযাপনে আমার সঙ্গী ছিলেন তাঁদের ৪০ জন। আমরা একসঙ্গে ডিনার (নৈশভোজ) করেছি, মজা করেছি, আনন্দময় সময় কাটিয়েছি।’
পোস্টে তামিম আরও লেখেন, ‘অনেকে ভাবতে পারেন, আমরা ম্যাচ জিতলাম নিউজিল্যান্ডে, এখানে মিরপুরের মাঠকর্মীদের ভূমিকা কী? আমরা যারা ক্রিকেটার, কতটা কষ্ট এই মানুষগুলো করেন সেটা জানি। রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে বছরজুড়ে তারা আমাদের প্রস্তুতির জন্য কাজ করেন। যখন নেটে ঘাম ঝরাই, আড়ালে থেকে আরও বেশি ঘাম ঝরিয়ে যান এই মানুষগুলো। পরিবার ছেড়ে তাঁরা দিনের পর দিন মাঠে পড়ে থাকেন। পরিশ্রম করেন যেন আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি না থাকে। আমাদের যেকোনো সাফল্যের ভাগীদার তাঁরাও।’

নিউজিল্যান্ডকে তাদের মাটিতে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসের সেরা এক জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বাস ছুঁয়ে গেছে সাবেক-বর্তমান ক্রিকেটারদের। চোটের কারণে নিউজিল্যান্ড সফরে যাওয়া হয়নি তামিম ইকবালের। না হলে এই জয়ের দিন মাঠে থাকার কথা তাঁরও।
মাঠে থাকতে না পারলেও দেশ থেকেই যতটা সম্ভব উচ্ছ্বাসে শামিল হচ্ছেন তামিম। এই আনন্দের সঙ্গে বাংলাদেশ ওপেনার স্মরণ করেছেন মাঠকর্মীদেরও। গত রাতে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের মাঠকর্মীদের নিয়ে নৈশভোজের আয়োজন করেন তামিম। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ভক্ত-সমর্থকদের সে বিষয়ে অবহিত করেন বাংলাদেশ ওয়ানডে অধিনায়ক।
এই মাঠকর্মীদের বলা হয়ে থাকে ‘আনসাং হিরো’। তামিম পোস্টে লিখেছেন, ‘আমাদের দল যেমন সেখানে (নিউজিল্যান্ডে) উদযাপন করেছে, দেশেও সবাই নিজেদের মতো করে উদযাপন করছি। আমি উদযাপনের জন্য বেছে নিয়েছি এমন মানুষদের, যারা বাংলাদেশ ক্রিকেটের আনসাং হিরো। এই ছবিতে যাদের দেখছেন, তাঁরা সবাই মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের মাঠকর্মী। আজকে উদযাপনে আমার সঙ্গী ছিলেন তাঁদের ৪০ জন। আমরা একসঙ্গে ডিনার (নৈশভোজ) করেছি, মজা করেছি, আনন্দময় সময় কাটিয়েছি।’
পোস্টে তামিম আরও লেখেন, ‘অনেকে ভাবতে পারেন, আমরা ম্যাচ জিতলাম নিউজিল্যান্ডে, এখানে মিরপুরের মাঠকর্মীদের ভূমিকা কী? আমরা যারা ক্রিকেটার, কতটা কষ্ট এই মানুষগুলো করেন সেটা জানি। রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে বছরজুড়ে তারা আমাদের প্রস্তুতির জন্য কাজ করেন। যখন নেটে ঘাম ঝরাই, আড়ালে থেকে আরও বেশি ঘাম ঝরিয়ে যান এই মানুষগুলো। পরিবার ছেড়ে তাঁরা দিনের পর দিন মাঠে পড়ে থাকেন। পরিশ্রম করেন যেন আমাদের প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি না থাকে। আমাদের যেকোনো সাফল্যের ভাগীদার তাঁরাও।’

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কোনো ক্ষতি হবে না, ক্রিকেটারদের কাছ থেকে কি আমরা টাকা ফেরত চাচ্ছি—বিসিবির অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম আজ বিকেলে সাংবাদিকদের এমন কথা বলেছিলেন। তাঁর এই বক্তব্যের পর দুঃখপ্রকাশ করেছে বিসিবি। এমনকি সেই পরিচালকের বিরুদ্ধে ব্য
১০ মিনিট আগে
নায়ক হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল রিশাদ হোসেনের সামনে। শেষ বলে ছক্কা মারলেই হোবার্ট হারিকেনস পেত রোমাঞ্চকর এক জয়। কিন্তু বোলিংয়ে মুগ্ধতা ছড়ানো রিশাদ ব্যাটিংয়ে সেটা করে দেখাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ব্রিসবেন হিটের কাছে ৩ রানে হেরে গেছে হোবার্ট হারিকেনস।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে যাবে কি না, সেই অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলামের মতে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমরা বিশ্বকাপ না খেলতে পারলে বোর্ডের কোনো ক্ষতি হবে না।
২ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় যত ঘনিয়ে আসছে, বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তত বাড়ছে। ভারত থেকে লিটন দাস-তানজিদ হাসান তামিমদের ভেন্যু সরাতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছে দফায় দফায় চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এমনকি গতকাল বিসিবি-আইসিসি ভিডিও কনফারেন্সও করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে