নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

২১ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন নাঈম শেখ। শ্রীলঙ্কা সফরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে থাকলেও সুযোগ পেয়েছেন কেবল একটি ম্যাচে। পাল্লেকেলেতে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামার সুযোগ পান তিনি। সেটিও উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জাকের আলী অনিকের হঠাৎ অসুস্থতার কারণে। পরিকল্পনায় তাঁর থাকার কথা ছিল পাঁচ নম্বরে, কিন্তু মাঠে নামতে হয় চার নম্বরে। ২৯ বলে করেন ৩২ রান। যদিও সে ম্যাচটি হারতে হয় ৭ উইকেটে।
ম্যাচেটিতে একাদশে থাকবেন, সেটিও জানতেন না নাঈম। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ দলের অনুশীলন না থাকলেও ব্যাটিং স্কিল নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করেন তিনি। তারপর সংবাদমাধ্যমকে নিজের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে বলেন, ‘সত্যি বলতে, জাকের চোটে পড়ায় আমাকে চার নম্বরে খেলতে হয়েছে। আসলে আমার কথা ছিল পাঁচে খেলার। স্যারের সঙ্গে আলোচনা করেই চার নম্বরে খেলেছি। ওর চোট না থাকলে হয়তো খেলতামই না। আমি আগে থেকে জানতাম না এমন সুযোগ আসবে। মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না। ওপেনিংয়েই সব সময় নিজেকে প্রস্তুত রাখি। আজও অনুশীলনে ওপেনিং নিয়েই কাজ করলাম। ওই (চার নম্বরে খেলা) অবস্থায় মানসিক প্রস্তুতি না থাকলে খেলার মধ্যে তার প্রভাব পড়ে। ভবিষ্যতে এমন সুযোগ এলে এবার সেটা মাথায় থাকবে।’
ওপেনার হিসেবেই আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশি সময় ব্যাটিং করেন নাঈম। তবে ঘরোয়া লিগে মাঝেমধ্যে নিচের দিকে ব্যাট করার অভিজ্ঞতা আছে তার। তবুও আন্তর্জাতিক ম্যাচে হঠাৎ চার নম্বরে নেমে খেলাটা ভিন্ন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এ প্রসঙ্গে নাঈম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যত ম্যাচ খেলেছি, ওপেনার হিসেবেই খেলেছি। তাই সে মানসিকতা থেকেই অনুশীলন করি। তবে মাঝের ওভারে খেলার অভিজ্ঞতা একেবারে নেই তা নয়। কিন্তু হুট করে চার নম্বরে নামলে মিডল অর্ডারদের যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, তা আমার ঠিক জানা থাকে না। বাইরে থেকে সহজ মনে হলেও ভিতরে খেললে বোঝা যায়। নতুন একটা অভিজ্ঞতা হলো। পুরোপুরি ভিন্ন জিনিস। তাই সব জায়গার প্রস্তুতিই রাখার চেষ্টা করি। তবে আজকের অনুশীলনটা ছিল আমার একান্ত নিজের প্রস্তুতির জন্য।’
সামনে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। শ্রীলঙ্কা সফর থেকে জয় নিয়ে ফেরায় দল আত্মবিশ্বাসে ভরপুর বলেও মনে করেন নাঈম। তিনি বলেন, ‘যেহেতু একটা উইনিং মোমেন্টাম নিয়ে ফিরেছি, সেটা ধরে রাখার চেষ্টা করব। ঘরের মাঠে খেলা মানেই বাড়তি সুবিধা থাকে। মিরপুরে কী হয়, সবাই জানি। যদিও এখনও উইকেট দেখিনি। তবে দলের অবস্থা ভালো। আমি নিজের মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছি। ব্যক্তিগতভাবে এবং দলগতভাবে সবাই ভালো ছন্দে আছে। অতীতে কী হয়েছে, সেটা নিয়ে পড়ে থাকা যাবে না। এখন সময় নতুন করে ভালো কিছু করার।’

২১ মাস পর জাতীয় দলে ফিরেছেন নাঈম শেখ। শ্রীলঙ্কা সফরে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে থাকলেও সুযোগ পেয়েছেন কেবল একটি ম্যাচে। পাল্লেকেলেতে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাঠে নামার সুযোগ পান তিনি। সেটিও উইকেটরক্ষক-ব্যাটার জাকের আলী অনিকের হঠাৎ অসুস্থতার কারণে। পরিকল্পনায় তাঁর থাকার কথা ছিল পাঁচ নম্বরে, কিন্তু মাঠে নামতে হয় চার নম্বরে। ২৯ বলে করেন ৩২ রান। যদিও সে ম্যাচটি হারতে হয় ৭ উইকেটে।
ম্যাচেটিতে একাদশে থাকবেন, সেটিও জানতেন না নাঈম। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ দলের অনুশীলন না থাকলেও ব্যাটিং স্কিল নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন করেন তিনি। তারপর সংবাদমাধ্যমকে নিজের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে বলেন, ‘সত্যি বলতে, জাকের চোটে পড়ায় আমাকে চার নম্বরে খেলতে হয়েছে। আসলে আমার কথা ছিল পাঁচে খেলার। স্যারের সঙ্গে আলোচনা করেই চার নম্বরে খেলেছি। ওর চোট না থাকলে হয়তো খেলতামই না। আমি আগে থেকে জানতাম না এমন সুযোগ আসবে। মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলাম না। ওপেনিংয়েই সব সময় নিজেকে প্রস্তুত রাখি। আজও অনুশীলনে ওপেনিং নিয়েই কাজ করলাম। ওই (চার নম্বরে খেলা) অবস্থায় মানসিক প্রস্তুতি না থাকলে খেলার মধ্যে তার প্রভাব পড়ে। ভবিষ্যতে এমন সুযোগ এলে এবার সেটা মাথায় থাকবে।’
ওপেনার হিসেবেই আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ক্রিকেটে বেশি সময় ব্যাটিং করেন নাঈম। তবে ঘরোয়া লিগে মাঝেমধ্যে নিচের দিকে ব্যাট করার অভিজ্ঞতা আছে তার। তবুও আন্তর্জাতিক ম্যাচে হঠাৎ চার নম্বরে নেমে খেলাটা ভিন্ন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এ প্রসঙ্গে নাঈম বলেন, ‘এখন পর্যন্ত যত ম্যাচ খেলেছি, ওপেনার হিসেবেই খেলেছি। তাই সে মানসিকতা থেকেই অনুশীলন করি। তবে মাঝের ওভারে খেলার অভিজ্ঞতা একেবারে নেই তা নয়। কিন্তু হুট করে চার নম্বরে নামলে মিডল অর্ডারদের যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়, তা আমার ঠিক জানা থাকে না। বাইরে থেকে সহজ মনে হলেও ভিতরে খেললে বোঝা যায়। নতুন একটা অভিজ্ঞতা হলো। পুরোপুরি ভিন্ন জিনিস। তাই সব জায়গার প্রস্তুতিই রাখার চেষ্টা করি। তবে আজকের অনুশীলনটা ছিল আমার একান্ত নিজের প্রস্তুতির জন্য।’
সামনে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। শ্রীলঙ্কা সফর থেকে জয় নিয়ে ফেরায় দল আত্মবিশ্বাসে ভরপুর বলেও মনে করেন নাঈম। তিনি বলেন, ‘যেহেতু একটা উইনিং মোমেন্টাম নিয়ে ফিরেছি, সেটা ধরে রাখার চেষ্টা করব। ঘরের মাঠে খেলা মানেই বাড়তি সুবিধা থাকে। মিরপুরে কী হয়, সবাই জানি। যদিও এখনও উইকেট দেখিনি। তবে দলের অবস্থা ভালো। আমি নিজের মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছি। ব্যক্তিগতভাবে এবং দলগতভাবে সবাই ভালো ছন্দে আছে। অতীতে কী হয়েছে, সেটা নিয়ে পড়ে থাকা যাবে না। এখন সময় নতুন করে ভালো কিছু করার।’

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৬ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৬ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৭ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৮ ঘণ্টা আগে