নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিশ্বকাপের পরই টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাঁর আকস্মিক অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণার পরই টি-টোয়েন্টির পর ভারতকে কে নেতৃত্ব দেবেন, সেটি নিয়েই এখন যত শোরগোল ভারতীয় ক্রিকেটে। অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে সবার আগেই ছিলেন রোহিত শর্মা। রোহিতকে আবার নাকি চান না কোহলি! তাঁর পছন্দ লোকেশ রাহুল আর ঋষভ পন্ত। সুনীল গাভাস্কার ভোট দিয়েছেন শুধু রাহুলের বাক্সেই!
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) হয়তো অধিনায়কত্ব প্রসঙ্গে এত প্রশ্নের মুখে পড়তে হতো না, যদি তাদের একটা শক্তিশালী লিডারশিপ গ্রুপ থাকত। যেভাবে মহেন্দ্র সিং ধোনি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর অনায়াসে তারা কোহলিকে বেছে নিতে পেরেছিল। লম্বা সময় ধোনির ‘ডেপুটি’ হিসেবে যে গড়ে তোলা হয়েছিল কোহলিকে।
ভারতের শক্তিশালী ক্রিকেট-কাঠামো থাকার পরও অধিনায়ক কোহলির উত্তরসূরি বাছতে একটু বেগ পেতে হচ্ছে তাদের। অধিনায়কের সন্ধানে বিসিবিকেও বেশ সংকটে পড়তে হয়েছিল ২০১৯ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফরের আগমুহূর্তে মাশরাফি বিন মুর্তজা চোটে পড়লে। শক্ত লিডারশিপ গ্রুপ না থাকায় সফরের আগের দিন দলের অধিনায়ক নির্বাচনে গলদঘর্ম অবস্থা ক্রিকেট বোর্ডের! অনিচ্ছা সত্ত্বেও আপৎকালীন দায়িত্বটা তামিম ইকবাল নিয়ে কোনোভাবে উদ্ধার করেছিলেন বিসিবিকে। একই বছরের অক্টোবরে ক্রিকেট বোর্ড আরও বড় সংকটে পড়েছিল যখন নিয়মিত টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন। ভারত সফরের আগমুহূর্তে বিসিবি সমস্যাটার সমাধান করেছিল টেস্ট দলের ভার মুমিনুল হকের কাঁধে তুলে দিয়ে। আর টি-টোয়েন্টিতে সেটি পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। পরে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিমকে করায় বাংলাদেশ দল পরিণত হয় তিন অধিনায়কে।
তিন অধিনায়কের ভিড়ে বিসিবি ‘ডেপুটি’ বা সহ-অধিনায়কের চিন্তা আপাতত আর করছে না। অথচ অধিনায়কের সঙ্গে ডেপুটি রেখে নতুন অধিনায়ক গড়ে তোলার চর্চাটা একটা সময় বাংলাদেশ ভালোভাবেই করেছে। আশরাফুলের সঙ্গে মাশরাফিকে, মাশরাফির সঙ্গে সাকিবকে কিংবা সাকিবের সঙ্গে তামিমকে সহ-অধিনায়ক করাই হয়েছিল ভবিষ্যতে দৃষ্টি রেখে।
গত দুই-তিন বছরে বিসিবি অবশ্য সহ-অধিনায়কের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না! অধিনায়কের আকস্মিক চোট কিংবা কোভিডের এই সময়ে কিছু হলে বা অন্য কোনো সমস্যায় পড়লে নিয়মিত অধিনায়কের ভার তুলে দিতে বেশ বিপাকেই পড়তে হয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। গত এপ্রিলের কথাই ধরুন, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ চোটে পড়লে আকস্মিক অধিনায়কত্ব পান আনকোরা লিটন দাস। ওই ম্যাচে বাংলাদেশকে আরও বিপর্যস্ত দেখা গেছে।
এ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ যাচ্ছে সহ-অধিনায়ক ছাড়াই। গতকাল বোর্ড সভা শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বললেন, আপাতত কাউকে সহ-অধিনায়ক করার কোনো পরিকল্পনা নেই তাঁদের, ‘মাহমুদউল্লাহ আছে। এই দলে সাকিব আছে, মুশফিক আছে। ওদের তো আর সহ-অধিনায়ক করতে পারি না।’
কদিন আগে সহ-অধিনায়ক প্রসঙ্গে সাকিবও একই কথা বলছিলেন, ‘প্রথা অনুযায়ী সহ-অধিনায়ক থাকলে ভালো হতো। তবে সহ-অধিনায়ক নেই বলে যে খুব একটা সমস্যা, আমার কাছে তা মনে হয় না।’
সাকিবের সঙ্গে একমতই পোষণ করেছেন মাহমুদউল্লাহও। বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, ‘যেহেতু দলে সাকিব-মুশি-মোস্তাফিজ আছে। আরও বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে। আমরা যেহেতু সবাই একে অপরকে সহায়তা করি, একজন আরেকজনকে সমর্থন করি। আশা করি, এটা তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না।’
দলে এখন মাহমুদউল্লাহ-সাকিব-তামিমদের মতো সিনিয়র ক্রিকেটার আছেন বলে হয়তো প্রভাব পড়বে না। কিন্তু তাঁরা দৃশ্য থেকে আড়াল হলে যাঁদের কাঁধে চাপবে নেতৃত্বভার, তাঁরা কি তৈরি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন?

বিশ্বকাপের পরই টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাঁর আকস্মিক অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণার পরই টি-টোয়েন্টির পর ভারতকে কে নেতৃত্ব দেবেন, সেটি নিয়েই এখন যত শোরগোল ভারতীয় ক্রিকেটে। অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে সবার আগেই ছিলেন রোহিত শর্মা। রোহিতকে আবার নাকি চান না কোহলি! তাঁর পছন্দ লোকেশ রাহুল আর ঋষভ পন্ত। সুনীল গাভাস্কার ভোট দিয়েছেন শুধু রাহুলের বাক্সেই!
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) হয়তো অধিনায়কত্ব প্রসঙ্গে এত প্রশ্নের মুখে পড়তে হতো না, যদি তাদের একটা শক্তিশালী লিডারশিপ গ্রুপ থাকত। যেভাবে মহেন্দ্র সিং ধোনি অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ার পর অনায়াসে তারা কোহলিকে বেছে নিতে পেরেছিল। লম্বা সময় ধোনির ‘ডেপুটি’ হিসেবে যে গড়ে তোলা হয়েছিল কোহলিকে।
ভারতের শক্তিশালী ক্রিকেট-কাঠামো থাকার পরও অধিনায়ক কোহলির উত্তরসূরি বাছতে একটু বেগ পেতে হচ্ছে তাদের। অধিনায়কের সন্ধানে বিসিবিকেও বেশ সংকটে পড়তে হয়েছিল ২০১৯ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কা সফরের আগমুহূর্তে মাশরাফি বিন মুর্তজা চোটে পড়লে। শক্ত লিডারশিপ গ্রুপ না থাকায় সফরের আগের দিন দলের অধিনায়ক নির্বাচনে গলদঘর্ম অবস্থা ক্রিকেট বোর্ডের! অনিচ্ছা সত্ত্বেও আপৎকালীন দায়িত্বটা তামিম ইকবাল নিয়ে কোনোভাবে উদ্ধার করেছিলেন বিসিবিকে। একই বছরের অক্টোবরে ক্রিকেট বোর্ড আরও বড় সংকটে পড়েছিল যখন নিয়মিত টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন। ভারত সফরের আগমুহূর্তে বিসিবি সমস্যাটার সমাধান করেছিল টেস্ট দলের ভার মুমিনুল হকের কাঁধে তুলে দিয়ে। আর টি-টোয়েন্টিতে সেটি পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। পরে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিমকে করায় বাংলাদেশ দল পরিণত হয় তিন অধিনায়কে।
তিন অধিনায়কের ভিড়ে বিসিবি ‘ডেপুটি’ বা সহ-অধিনায়কের চিন্তা আপাতত আর করছে না। অথচ অধিনায়কের সঙ্গে ডেপুটি রেখে নতুন অধিনায়ক গড়ে তোলার চর্চাটা একটা সময় বাংলাদেশ ভালোভাবেই করেছে। আশরাফুলের সঙ্গে মাশরাফিকে, মাশরাফির সঙ্গে সাকিবকে কিংবা সাকিবের সঙ্গে তামিমকে সহ-অধিনায়ক করাই হয়েছিল ভবিষ্যতে দৃষ্টি রেখে।
গত দুই-তিন বছরে বিসিবি অবশ্য সহ-অধিনায়কের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে না! অধিনায়কের আকস্মিক চোট কিংবা কোভিডের এই সময়ে কিছু হলে বা অন্য কোনো সমস্যায় পড়লে নিয়মিত অধিনায়কের ভার তুলে দিতে বেশ বিপাকেই পড়তে হয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। গত এপ্রিলের কথাই ধরুন, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে নিয়মিত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ চোটে পড়লে আকস্মিক অধিনায়কত্ব পান আনকোরা লিটন দাস। ওই ম্যাচে বাংলাদেশকে আরও বিপর্যস্ত দেখা গেছে।
এ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ যাচ্ছে সহ-অধিনায়ক ছাড়াই। গতকাল বোর্ড সভা শেষে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বললেন, আপাতত কাউকে সহ-অধিনায়ক করার কোনো পরিকল্পনা নেই তাঁদের, ‘মাহমুদউল্লাহ আছে। এই দলে সাকিব আছে, মুশফিক আছে। ওদের তো আর সহ-অধিনায়ক করতে পারি না।’
কদিন আগে সহ-অধিনায়ক প্রসঙ্গে সাকিবও একই কথা বলছিলেন, ‘প্রথা অনুযায়ী সহ-অধিনায়ক থাকলে ভালো হতো। তবে সহ-অধিনায়ক নেই বলে যে খুব একটা সমস্যা, আমার কাছে তা মনে হয় না।’
সাকিবের সঙ্গে একমতই পোষণ করেছেন মাহমুদউল্লাহও। বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, ‘যেহেতু দলে সাকিব-মুশি-মোস্তাফিজ আছে। আরও বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ খেলোয়াড় আছে। আমরা যেহেতু সবাই একে অপরকে সহায়তা করি, একজন আরেকজনকে সমর্থন করি। আশা করি, এটা তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না।’
দলে এখন মাহমুদউল্লাহ-সাকিব-তামিমদের মতো সিনিয়র ক্রিকেটার আছেন বলে হয়তো প্রভাব পড়বে না। কিন্তু তাঁরা দৃশ্য থেকে আড়াল হলে যাঁদের কাঁধে চাপবে নেতৃত্বভার, তাঁরা কি তৈরি হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন?

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যতই এগিয়ে আসছে, ততই খারাপ হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি ও বিসিসিআই) সম্পর্ক। গতকাল রাতে ক্রিকবাজ জানিয়েছিল, চলমান দোলাচলে লিটন দাসদের ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করার প্রস্তাব দেবে আইসিসি। তবে বিষয়টি নিয়ে কোনো তথ্য নেই বিসিসিআইয়ের কাছে।
১ ঘণ্টা আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা নিয়ে এবার নিল নতুন মোড়। এখন পর্যন্ত বিসিবি ও আইসিসির পক্ষ থেকে আসেনি কোনো অগ্রগতি। সম্প্রতি ভারতীয় কিছু সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো চেন্নাই ও কেরালায় সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। তবে বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন নতুন খবর। বাংলাদে
২ ঘণ্টা আগে
টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের সেরা ব্যাটারদের একজন মনে করা হয় স্টিভ স্মিথকে। এই সংস্করণে প্রায় ১১০০০ রানের মালিক তিনি। যেভাবে এগোচ্ছেন তাতে ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার পর কিংবদন্তির তকমা পাবেন সেটা বলাই যায়। রিশাদ হোসেনের চোখেও তাই স্মিথ একজন কিংবদন্তি।
২ ঘণ্টা আগে
টুর্নামেন্টের প্রথম অংশটা কী দারুণ ছিল রংপুর রাইডার্সের। প্রথম ৫ ম্যাচের মধ্যে চারটিতে জিতেছে রংপুর। যার মধ্যে ছিল হ্যাটট্রিক জয়ের কীর্তিও। নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বাধীন রংপুর এবার চোখে সর্ষেফুল দেখছে। সিলেট স্টেডিয়ামে আজ রংপুর রাইডার্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে স্বাগতিক সিলেট টাইটান্স।
২ ঘণ্টা আগে