নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

উত্তরাঞ্চলের নাহিদ রানা একাই তোপ দাগাতে পারলেন। কিন্তু পূর্বাঞ্চলের ব্যাটিং লাইনআপের সামনে বাকি বোলাররা ছিলেন অসহায়। বিপরীতে পূর্বাঞ্চলের মিডল অর্ডার ব্যাটার শাহাদাত হোসেন দিপু খেলেছেন ১১৩ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। পাশাপাশি পারভেজ হোসেন ইমন পেয়েছেন ৫০ পেরোনো ইনিংস। যার সৌজন্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের ফাইনালে (বিসিএল) উত্তরাঞ্চলকে ২৭৬ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিয়েছে পূর্বাঞ্চল।
বিসিএলের লিস্ট ‘এ’ সংস্করণের প্রথম পর্বের সব ম্যাচই হয়েছে কক্সবাজারে। তবে আজ পূর্বাঞ্চল-উত্তরাঞ্চলের ফাইনাল হচ্ছে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। টস জিতে উত্তরাঞ্চলের অধিনায়ক আকবর আলী আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান পূর্বাঞ্চলকে। দিপুর চতুর্থ লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরির কল্যাণে ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭৫ রান তোলে পূর্বাঞ্চল।
সময়টা এমনিতেই বেশ দারুণ যাচ্ছে পূর্বাঞ্চলের। এই মৌসুমেই প্রথমবারের মতো বিসিএল প্রথম শ্রেণির সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। আজ তাদের সামনে আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ—লিস্ট ‘এ’ সংস্করণেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার।
তবে শিরোপার লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে পূর্বাঞ্চল। প্রথম ওভারেই উত্তরাঞ্চলের পেসার শহিদুল ইসলামের শিকার হয়েছেন ওপেনার সৈকত আলী (৪)। ৭ম ওভারে তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা মাহমুদুল হাসান জয়কে (১৬) ফেরান নাহিদ। দলের ৫৮ রানে ফেরেন মুমিনুল হক (৮)। দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি উইকেট হারিয়ে কঠিন বিপর্যয়ে পড়ে পূর্বাঞ্চল।
তবে তখনো একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখেশুনে খেলছিলেন আরেক ওপেনার ইমন। চতুর্থ উইকেটে দিপুকে সঙ্গে নিয়ে ১২২ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন তিনি। ফলে দলও প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ভালো স্কোরের দিকে এগোয়। কিন্তু ৩৭ তম ওভারের প্রথম বলে ইমনকে ফিরিয়ে উত্তরাঞ্চলকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন নাহিদই। ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৯ বলে ৭৩ রান করেছেন ইমন।
তবে দারুণ ব্যাটিংয়ে ১১৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দিপু। শেষ পর্যন্ত দলকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দিতে খেলেছেন ১২২ বলে ১১৩ রানের ইনিংস। মেরেছেন ৯টি চার ও ২টি ছয়। এ ছাড়া ৩৬ বলে ৩৬ এসেছে পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরের ব্যাট থেকে। উত্তরাঞ্চলের হয়ে নাহিদ ১০ ওভারে ৫০ রান দিয়ে শিকার করেছেন ৫ উইকেট। ‘লিস্ট এ’ ক্রিকেটে এটাই তাঁর সেরা বোলিং ফিগার।

উত্তরাঞ্চলের নাহিদ রানা একাই তোপ দাগাতে পারলেন। কিন্তু পূর্বাঞ্চলের ব্যাটিং লাইনআপের সামনে বাকি বোলাররা ছিলেন অসহায়। বিপরীতে পূর্বাঞ্চলের মিডল অর্ডার ব্যাটার শাহাদাত হোসেন দিপু খেলেছেন ১১৩ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। পাশাপাশি পারভেজ হোসেন ইমন পেয়েছেন ৫০ পেরোনো ইনিংস। যার সৌজন্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের ফাইনালে (বিসিএল) উত্তরাঞ্চলকে ২৭৬ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিয়েছে পূর্বাঞ্চল।
বিসিএলের লিস্ট ‘এ’ সংস্করণের প্রথম পর্বের সব ম্যাচই হয়েছে কক্সবাজারে। তবে আজ পূর্বাঞ্চল-উত্তরাঞ্চলের ফাইনাল হচ্ছে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। টস জিতে উত্তরাঞ্চলের অধিনায়ক আকবর আলী আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান পূর্বাঞ্চলকে। দিপুর চতুর্থ লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরির কল্যাণে ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৭৫ রান তোলে পূর্বাঞ্চল।
সময়টা এমনিতেই বেশ দারুণ যাচ্ছে পূর্বাঞ্চলের। এই মৌসুমেই প্রথমবারের মতো বিসিএল প্রথম শ্রেণির সংস্করণে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। আজ তাদের সামনে আরেকটি সুবর্ণ সুযোগ—লিস্ট ‘এ’ সংস্করণেও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার।
তবে শিরোপার লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে পূর্বাঞ্চল। প্রথম ওভারেই উত্তরাঞ্চলের পেসার শহিদুল ইসলামের শিকার হয়েছেন ওপেনার সৈকত আলী (৪)। ৭ম ওভারে তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা মাহমুদুল হাসান জয়কে (১৬) ফেরান নাহিদ। দলের ৫৮ রানে ফেরেন মুমিনুল হক (৮)। দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ তিনটি উইকেট হারিয়ে কঠিন বিপর্যয়ে পড়ে পূর্বাঞ্চল।
তবে তখনো একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখেশুনে খেলছিলেন আরেক ওপেনার ইমন। চতুর্থ উইকেটে দিপুকে সঙ্গে নিয়ে ১২২ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন তিনি। ফলে দলও প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে ভালো স্কোরের দিকে এগোয়। কিন্তু ৩৭ তম ওভারের প্রথম বলে ইমনকে ফিরিয়ে উত্তরাঞ্চলকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন নাহিদই। ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৮৯ বলে ৭৩ রান করেছেন ইমন।
তবে দারুণ ব্যাটিংয়ে ১১৭ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দিপু। শেষ পর্যন্ত দলকে চ্যালেঞ্জিং স্কোর এনে দিতে খেলেছেন ১২২ বলে ১১৩ রানের ইনিংস। মেরেছেন ৯টি চার ও ২টি ছয়। এ ছাড়া ৩৬ বলে ৩৬ এসেছে পূর্বাঞ্চলের অধিনায়ক ইরফান শুক্কুরের ব্যাট থেকে। উত্তরাঞ্চলের হয়ে নাহিদ ১০ ওভারে ৫০ রান দিয়ে শিকার করেছেন ৫ উইকেট। ‘লিস্ট এ’ ক্রিকেটে এটাই তাঁর সেরা বোলিং ফিগার।

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মূল ফটক দিয়ে ঢুকলেই চোখে পড়বে ঝালমুড়ি-ভেলপুরির অস্থায়ী দোকান। সেসব খাবার আবার সানন্দে খাচ্ছে নারী ফুটবলাররা। হোক সেটা ম্যাচের আগে কিংবা পরে।
১৮ মিনিট আগে
চতুর্থবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি আসছে বাংলাদেশে। আজ সকালে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ট্রফি। এর আগে ২০০২, ২০১৪ ও ২০২২ বিশ্বকাপ সামনে রেখেও ট্রফি এসেছিল ঢাকায়। এবারের সফরে ফিফার প্রতিনিধি হিসেবে সঙ্গে আছেন ব্রাজিলের ২০০২ বিশ্বকাপজয়ী ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার গিলবার্তো সিলভা।
৪৩ মিনিট আগে
রিয়াল মাদ্রিদে কেন টিকতে পারলেন না জাভি আলোনসো। রিয়ালের ‘ঘরের ছেলে’ জাবি আলোনসো কোচ হিসেবে যদি টিকতে না পারেন, তাহলে বাইরে থেকে আসা কোচ কীভাবে কাজ করবেন বার্নাব্যুতে!
১ ঘণ্টা আগে
২০২৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সেই সুযোগটা পেলেন কোথায়! বৃষ্টির বাগড়ায় টুর্নামেন্টের আগে নিজেদের ঠিকমতো ঝালিয়ে নিতে পারলেন না তামিম-জাওয়াদ আবরাররা।
১৩ ঘণ্টা আগে