উইকেট সংখ্যা নয়, শুধু গতির কারণে শোয়েব আখতারকে ক্রিকেটবিশ্ব মনে রাখবে আরও অনেক দিন। ক্রিকেট ইতিহাসের সর্বোচ্চ (ঘণ্টায় ১৬৩.৩ কিলোমিটার গতিবেগ) গতির বলটিও করেছিলেন এই সাবেক ফাস্ট বোলার। প্রায় বাউন্ডারি লাইনের কাছ থেকে ছুটে এসে ২২ গজে গতির ঝড় তোলা রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস এখন থেকে আর স্বাভাবিকভাবে দৌড়াতেও পারবেন না।
ক্রিকেট মাঠে একজন ফাস্ট বোলারের ওপর দিয়ে সবচেয়ে বেশি ধকল যায়। আরও নির্দিষ্ট করে বললে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় দুই হাঁটুর। ক্যারিয়ার শেষেও যেটি ভোগায়। কিন্তু শোয়েবকে বোধ হয় একটু বেশিই মূল্য চোকাতে হচ্ছে। পাকিস্তানের সাবেক এই কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার জানিয়েছেন, শিগগিরই অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে গিয়ে তাঁর হাঁটু প্রতিস্থাপন করতে হবে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী এরপর আর ছুটতে পারবেন না তিনি।
গতরাতে ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ছবি পোস্ট করে শোয়েব লিখেছেন, ‘আমার দৌড়ানোর দিন শেষ। শীঘ্রই হাঁটু প্রতিস্থাপন করাতে মেলবোর্ন যাচ্ছি আমি।’ দ্রুতগতিতে বোলিং করতে ক্যারিয়ারজুড়ে বেশকবার হোঁচট খেয়েছেন। তবু একটা সময় পর্যন্ত গতির সঙ্গে আপোষ করেননি এই সাবেক ফাস্ট বোলার। হাঁটুর চোটে দিনের পর দিনের মাঠের বাইরেও থাকতে হয়েছে তাঁকে। ক্যারিয়ারে শেষ দিকে এসে অবশ্য গতি কিছুটা কমিয়েছিলেন। তবে ততদিনে যা হবার হয়ে গেছে।
দুই বছর আগেও হাঁটুতে অস্ত্রোপচারের জন্য মেলবোর্নে গিয়েছিলেন শোয়েব। এবার তো হাঁটু প্রতিস্থাপনই করাতে হচ্ছে।

নকআউট পর্ব শুরুর আগেই ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে এক কীর্তির অংশ হয়ে গেলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছেন চার গোল নিয়ে। এর মাধ্যমে তিনি ছুঁয়েছেন রোনালদো, নেইমার ও জর্জিনহোর গড়া একটি বিরল রেকর্ড।
৪৪ মিনিট আগে
নকআউট পর্বের প্রতিপক্ষ নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন ভিনিসিয়ুস, ‘প্রতিপক্ষ বেছে নেওয়ার সুযোগ আমাদের নেই। যে দলই সামনে আসুক না কেন, আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’
১ ঘণ্টা আগে
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এই জয়ে 'সি' গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করল ব্রাজিল। ৩ ম্যাচে দুই জয় ও এক ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম পর্ব শেষ করল তারা। এই গ্রুপ থেকে দ্বিতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে উঠেছে মরক্কো। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় নকআউট পর্বে সুবিধাজনক অবস্থানে থেকেই মাঠে নামবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১ ঘণ্টা আগে
এরপর ৮৯ মিনিটে রাহিমির অ্যাসিস্ট থেকে আরেক বদলি ফুটবলার ইয়াসিন ফাঁকা জালে বল ঠেলে দিলে মরক্কোর জয় নিশ্চিত হয়। শেষ দিকে সুফিয়ান আমরাবাত চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ায় ১০ জনের দলে পরিণত হলেও হাইতির আক্রমণভাগকে সফলভাবে রুখে দেয় মরক্কোর রক্ষণ। এই রোমাঞ্চকর জয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে শেষ বত্রিশের টিকিট
২ ঘণ্টা আগে