
গুরুতর চোটের কারণে একসময় ফুটবলকেই বিদায় জানাতে চেয়েছিলেন লিসান্দ্রো মার্তিনেস। তবে জীবনের এক বিশেষ মুহূর্ত বদলে দেয় তাঁর সব ভাবনা। কন্যাসন্তান জন্মের পর নতুন করে লড়াইয়ের শক্তি খুঁজে পান আর্জেন্টিনার এই ডিফেন্ডার।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে সেরা ৩২-এর ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আর্জেন্টিনাকে রাউন্ড অব সিক্সটিনে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন মার্তিনেস। অথচ মাত্র এক বছর আগেও হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ছিঁড়ে যাওয়ায় তাঁর ফুটবল ক্যারিয়ারই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সময়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে অকপটে নিজের মানসিক সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন মার্তিনেস। তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই খুব খারাপ অবস্থায় ছিলাম। এমনকি অবসর নেওয়ার কথাও ভেবেছিলাম।’
কন্যাসন্তানের জন্ম যেন মার্তিনেসের অন্ধকার সময়ে আলোর দিশা হয়ে আসে। এই প্রসঙ্গে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকা বলেন, ‘তারপর আমার মেয়ের জন্ম হলো, আর সবকিছুই ভারসাম্যে ফিরে এল।’
স্ত্রীর সন্তান জন্ম দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়া কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা মার্তিনেসের মানসিকতাই বদলে দেয়, ‘আমি আমার স্ত্রীকে সন্তান জন্ম দিতে দেখেছি এবং এর জন্য তিনি কতটা পরিশ্রম করেছেন, তা দেখেছি। তখনই আমি নিজেকে বলেছিলাম, ‘আমি কীভাবে লড়াই চালিয়ে না যেতে পারি?’
চোট কাটিয়ে যে দারুণভাবেই ফিরেছেন, চলমান বিশ্বকাপের সেটার প্রমাণ দিচ্ছেন মার্তিনেস। রক্ষণভাগে নিজের স্বাভাবিক দৃঢ়তা ও নেতৃত্ব দিয়ে আবারও আর্জেন্টিনা দলের অবিচ্ছেদ্য সদস্য হয়ে উঠেছেন তিনি। কেপ ভার্দের বিপক্ষে সেরা ৩২-এর ম্যাচে যোগ করা সময়ে তাঁর গোলেই দ্বিতীয়বারের মতো এগিয়ে যায় আলবিসেলেস্তেরা। এরপর অতিরিক্ত সময়ের আত্মঘাতী গোলে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত হয়।

পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত জাপানের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে রাউন্ড অব সিক্সটিন নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। সেই ম্যাচের পর প্রশংসার পাশাপাশি প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনাও হয়েছে বেশ। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সেসব নিয়ে পরিষ্কার উত্তর দিলেন ডন কার্লো।
৩৪ মিনিট আগে
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচ ঘিরে ভক্তদের উত্তেজনার শেষ নেই। সেই ম্যাচের আগেই ধাক্কা খেল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। চোটের কারণে আরলিং হালান্ডের দলের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারবেন না ব্রাজিলের তারকা মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা। প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
১ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর লড়াই মানেই ভুলের সুযোগ কম। আর প্রতিপক্ষ যদি হয় জার্মানিকে হারিয়ে আসা আত্মবিশ্বাসী দল, তাহলে ফেবারিটের তকমাও খুব বেশি নিশ্চয়তা দিতে পারে না। ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে আজ রাত ৩টায় এমনই এক লড়াইয়ে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স ও প্যারাগুয়ে।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের দরজায় দাঁড়িয়ে দুটি ভিন্ন গল্প। একদিকে প্রথমবার নকআউট পর্বে উঠে ইতিহাস লিখতে থাকা কানাডা, অন্যদিকে বিশ্বকাপের বড় মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্যের আগেই প্রমাণ দেওয়া। শনিবারের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে তাই মুখোমুখি হচ্ছে দুই দলের দুই ভিন্ন যাত্রাপথ।
৪ ঘণ্টা আগে