
‘জাতীয় দলে খেলার জন্য আমি প্রস্তুত। বাকিটা কোচিং স্টাফের ব্যাপার।’
চলতি মাসে জুভেন্তুদের বিপক্ষে জোড়া গোল করে এভাবেই জাতীয় দলে ফেরার জন্য বার্তা দিয়েছিলেন নেইমার। সেপ্টেম্বরে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দুটি ম্যাচের জন্য দলে দেখা যাবে তাঁকে; এমন প্রত্যাশায় বুদ হয়ে থাকেন ব্রাজিল ভক্তরা। কিন্তু দিন শেষে তাদের হতাশই হতে হয়।
নেইমারকে ছাড়াই ২৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। বিশ্রাম দিতে রিয়াল মাদ্রিদে খেলা কোনো ফুটবলারকে ডাকেননি তিনি। তবে কেউ কেউ রদ্রিগোকে দেখতে চেয়েছিলেন দলে। নতুন মৌসুমে রিয়ালে এখন পর্যন্ত খুব বেশি সময় খেলার সুযোগ পাননি রদ্রিগো।
দুজনকে দলে না ডাকার ব্যাখ্যায় আনচেলত্তি বলেন, ‘আমি তাদের সঙ্গে কথা বলিনি। তারা ভালোভাবেই জানে জাতীয় দল মানে কী। অবশ্যই তাদের আরও ম্যাচ খেলতে হবে এবং শারীরিকভাবে ভালো অবস্থায় থাকতে হবে। এর ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য তাদের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন নেই। যদি তারা ব্যাখ্যা চায়, আমাকে কল দিতে পারে। রদ্রিগোর কাছে আমার নম্বর আছে। নেইমারের কাছে আছে কি না, জানি না। তবে আমার মনে হয় আছে।’
সান্তোসের হয়ে অনুশীলনের সময়ে ঊরুতে চোট পান নেইমার। শারীরিক ফিটনেসের দিক থেকে তাঁকে স্বরূপে ফিরতে আরও সময় দিতে চান আনচেলত্তি, ‘সবাই জানে নেইমার কেমন। তাকে মূল্যায়নের কোনো প্রয়োজন নেই। বিশ্বকাপে জাতীয় দলকে ভালো খেলতে সহায়তা করতে শারীরিকভাবে তার আরও ভালো অবস্থায় থাকা প্রয়োজন।’
ব্রাজিলের হয়ে নেইমার শেষবার খেলেছেন ২০২৩ সালের অক্টোবরে। এরপর জাতীয় দলে ডাক পান একবারই, গত মার্চে। কিন্তু চোটের কারণে সেবার খেলতে পারেননি তিনি।
২০২৬ বিশ্বকাপের জায়গা ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করে রেখেছে ব্রাজিল। আনচেলত্তি তাই পরখ করে দেখতে চান দলের পাইপলাইন। বাছাইয়ের শেষ দুটি ম্যাচে ৫ সেপ্টম্বর ঘরের মাঠে চিলি ও ১০ সেপ্টেম্বর বলিভিয়ার মুখোমুখি হবে সেলেসাওরা।
ব্রাজিল দল
গোলরক্ষক: আলিসন, বেন্তো, উগো সোসা।
ডিফেন্ডার: আলেক্সে সান্দ্রো, কাইয়ো এনরিকে, দগলাস সান্তোস, ফাব্রিসিও ব্রুনো, গাব্রিয়েল মাগালায়েস, মার্কিনিয়োস, ভান্দেরসন, ওয়েসলি।
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে সান্তোস, ব্রুনো গিমারেস, কাসেমিরো, জোয়েলিন্তন, লুকাস পাকেতা।
ফরোয়ার্ড: এস্তোভাও উইলিয়ান, গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, জোয়াও পেদ্রো, কাইয়ো জর্জে, লুইস এনরিকে, মাথেউস কুনিয়া, রাফিনিয়া, রিচার্লিসন।

সবুজ গালিচায় তিনি যখন বল নিয়ে ছোটেন, প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারদের বুকে তখন অবধারিতভাবেই কাঁপন ধরে। শরীরী শক্তি, অতিমানবীয় গতি আর গোলপোস্টের সামনে বরফশীতল মানসিকতা—সব মিলিয়ে আর্লিং হালান্ড যেন আধুনিক ফুটবলের এক নিখুঁত বিজ্ঞাপন।
১৬ মিনিট আগে
নেইমার কাঁদছেন, অঝোরে কাঁদছেন। তাঁর সঙ্গে রিও ডি জেনিরো, সা পাওলোসহ পুরো ব্রাজিলই কি নয়? কাঁদছে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ব্রাজিল সমর্থকেরা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে এভাবে বিদায়। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিল সর্বশেষ কবে বিদায় নিয়েছে? ১৯৯০ বিশ্বকাপ, সেই ৩৬ বছর আগে।
১৬ মিনিট আগে
রিও ডি জেনিরোর বিশাল মিলনায়তনে প্রায় ৭০০ সাংবাদিকের উপস্থিতিতে কার্লো আনচেলত্তি যেদিন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করলেন, নেইমার সেটা বাসায় বসে দেখছিলেন পরিবার- বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। আনচেলত্তি যখনই ঘোষণা করলেন নেইমারের নাম—চারদিকে কী উল্লাস, চিৎকার! নেইমারের চোখে তখন পানি; সেটা ছিল আনন্দাশ্রু।
১৮ মিনিট আগে
আটলান্টার দিনটা কি আবার লিওনেল মেসির হবে? নাকি সেই আলো কেড়ে নেবেন মোহামেদ সালাহ? ৯০ মিনিটে (যদি অতিরিক্ত সময় না লাগে) একজনের বিশ্বকাপ-স্বপ্ন আরও বড় হবে, অন্যজনের যাত্রা থেমে যাবে সেখানেই। বিশ্বকাপের নকআউটে সৌন্দর্যের চেয়ে বেঁচে থাকাটাই বড়। কে কত ভালো খেলল, সেটি ইতিহাস খুব বেশি মনে রাখে না;
২২ মিনিট আগে