
ব্যর্থতার চোরাবালিতে আটকে গেছে ইতালির ফুটবল। টানা তিনবার ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেনি চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এবার ফুটবল পুনর্গঠনে ইতালির ফুটবল ফেডারেশন (এফআইজিসি) কিংবদন্তি ফুটবলারদের নিয়োগ দিয়েছে। যাঁদের মধ্যে আছেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলারও।
ব্রাজিলের সাবেক ফুটবলার ও ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী লিওনার্দো আরাউহোকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে এফআইজিসি। পাওলো মালদিনি হয়েছেন টেকনিক্যাল ডিরেক্টর। টানা তিন বিশ্বকাপ মিস করা ইতালিকে ২০৩০ বিশ্বকাপে খেলাতে মালদিনি-লিওনার্দোকে চার বছর মেয়াদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ও উপদেষ্টা নিয়োগ দেওয়ার পর প্রধান কোচ নিয়োগ দেওয়ার লক্ষ্যে এগোচ্ছে এফআইজিসি। এক বিবৃতিতে গতকাল ফেডারেশনের সভাপতি জিওভান্নি মালাগো বলেন, ‘মালদিনি ও লিওনার্দোর নিয়োগ ছিল আমাদের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এর পরবর্তী লক্ষ্য হলো ইতালির জাতীয় দলের জন্য নতুন প্রধান কোচ নিয়োগ করা। তাঁরা (মালদিনি-লিওনার্দো) একই মুদ্রার দুই পিঠ। আগামী চার বছরের জন্য তাঁরা দায়িত্বে থাকছেন। তাঁরা আমাদের ২০৩০ পরবর্তী বিশ্বকাপ পর্যন্ত নিয়ে যাবেন। যার মধ্যে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপও রয়েছে।’
মালদিনি ও লিওনার্দোর অন্যতম প্রধান কাজ হবে জেন্নারো গাত্তুসোর উত্তরসূরি খুঁজে বের করা। ইতালি টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর গাত্তুসো পদ ছেড়ে দেন। নতুন কোচ হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন ইতালির দুই সাবেক কোচ রবার্তো মানচিনি ও আন্তোনিও কন্তে।
মানচিনি ২০২১ সালে ইতালিকে উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতিয়েছিলেন। তবে ২০২২ বিশ্বকাপে ইতালিকে তুলতে ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি দায়িত্ব ছেড়ে সৌদি আরবের কোচ হয়েছিলেন। এরপর ২০২৪ সালে সৌদি আরবের দায়িত্ব ছেড়ে কাতারের ক্লাব আল সাদের কোচ হয়েছিলেন। আল সাদের কোচের পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন। এদিকে কন্তে ইতালির ২০১৬ ইউরোজয়ী দলের কোচ ছিলেন। কদিন আগে তিনি নাপোলির কোচের পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন।
মালদিনি এবং লিওনার্দো ৩২ বছর আগের বিশ্বকাপে ছিলেন একে অপরের প্রতিপক্ষ। যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপে ইতালিকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ব্রাজিল। এবারও মার্কিন মুলুকে হচ্ছে বিশ্বকাপ। তবে নেই ইতালি। ব্রাজিল খেললেও নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছে। ২০০২ সালে পঞ্চম বিশ্বকাপ জয়ের পর সেলেসাওদের হেক্সা মিশনের অপেক্ষা বেড়েই চলেছে। ইতালি সবশেষ ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ জিতেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি এরপর ২০১০ ও ২০১৪ সালে বাদ পড়েছে গ্রুপ পর্বেই।

কথায় আছে, চ্যাম্পিয়নরা পথ খুঁজে নেয়। আর্জেন্টিনা যেন আবারও সেটিই প্রমাণ করল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে জয়ের দরজা খুলেও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অতিরিক্ত সময়েও একের পর এক আক্রমণ ব্যর্থ হচ্ছিল। সুইজারল্যান্ড ১০ জন নিয়েও বুক চিতিয়ে লড়ছিল। ঠিক তখনই আবির্ভাব হুলিয়ান আলভারেসের। ১১২ মিনিটে তাঁর অসাধারণ এক বা
২১ মিনিট আগে
লিওনেল মেসিকে আপনি হাসতে দেখেছেন। আবার কাঁদতেও দেখেছেন। কিন্তু রেফারির দিকে আঙুল উঁচিয়ে মেসির কথা বলার দৃশ্য অপরিচিতই বটে। কানসাসে আজ সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে দেখা গেছে ক্রুদ্ধ অবস্থায়।
৪১ মিনিট আগে
কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার জন্য মাঠের লড়াইটা কঠিনই চলছে। সেই লড়াইয়ের মাঝেই আরেকটি অস্বস্তিকর মুহূর্তের মুখোমুখি হন লিওনেল মেসি। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর ডান চোখের পাশে কেটে রক্ত পড়তে দেখা যায়, যদিও ঘটনাটি রেফারি জোয়াও পেদ্রো সিলভা পিনেইরোর নজর এড়িয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
মাত্র ১০ মিনিটেই এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এরপর আরও ৮০ মিনিটের বেশি সময় ছিল সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার। কিন্তু সেই সময়টুকু যত গড়িয়েছে, ম্যাচ ততই আর্জেন্টিনার হাতছাড়া হয়েছে। সুইজারল্যান্ড ধৈর্য হারায়নি, বরং চাপ বাড়িয়েছে।শেষ পর্যন্ত ৬৭ মিনিটে দান এনদোয়ের গোলে সমতাও ফিরিয়েছে। ৭২ মিনি
১ ঘণ্টা আগে