
একই প্রতিপক্ষ, একই হ্যারিস স্টুয়ার্ট, প্রায় একই কষ্ট। গত মার্চে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলের হারে বাংলাদেশের দুঃখের নাম ছিল হ্যারিস স্টুয়ার্ট। আজও সেই স্টুয়ার্টই লিখলেন বাংলাদেশের হতাশার গল্প। ফিফা আসিয়ান কাপের ডিভিশন-১-এর ‘এ’ গ্রুপে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে গেল বাংলাদেশ। পুরোনো হারের প্রতিশোধ তো নেওয়াই হলো না, উল্টো এই হারে টুর্নামেন্টের শিরোপা লড়াই থেকেও ছিটকে গেল তারা।
জাকার্তার জেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরুতে অবশ্য বাংলাদেশের খেলায় ছিল অন্যরকম প্রত্যয়। মালয়েশিয়ার কাছে প্রথম ম্যাচে ৩-০ গোলের হারের ধাক্কা কাটিয়ে উঠবে বলেই মনে হচ্ছিল। প্রথম ২৫ মিনিটে লড়াইয়ে ছিল তারা, মাঝমাঠে সিঙ্গাপুরকে খুব একটা জায়গাও দেয়নি। কিন্তু সেই লড়াইয়ের সঙ্গে আক্রমণের ধার মেলেনি। বাংলাদেশের পা চলছিল, বলও এগোচ্ছিল, শুধু গোলমুখে গিয়ে সবকিছু থমকে যাচ্ছিল।
৭ মিনিটে প্রতিপক্ষের জার্সি টেনে হলুদ কার্ড দেখেন শমিত সোম। ১৭ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে আসা ক্রসে ইলহান ফান্দির শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ। তখনো মনে হচ্ছিল, ম্যাচটা বাংলাদেশের পরিকল্পনামতোই এগোচ্ছে।
তারপর এল কুলিং ব্রেক। বিরতির সেই সামান্য সময় যেন বদলে দিল ম্যাচের গতি। মাঠে ফিরে সিঙ্গাপুর আক্রমণের গতি বাড়াল, বাংলাদেশকে ব্যস্ত রাখল নিজেদের বক্সের আশপাশে।
৩২ মিনিটে হ্যারিস স্টুয়ার্টকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন জিদান ইউসুফ। ফ্রি-কিক থেকে জ্যাকব উইলিয়ামের হেড ঠেকিয়ে দিলেন শ্রাবণ। ফিরতি শটও বক্সের ভেতর থেকে প্রতিহত করে বিপদমুক্ত করেন তারিক কাজী। বাংলাদেশ তখন একের পর এক ধাক্কা সামলে বেঁচে ফিরছে। কিন্তু প্রতিরোধের সেই দেয়াল আর বেশি সময় টিকল না।
৩৫ মিনিট। বাঁ প্রান্ত দিয়ে নুর আদম আব্দুল্লাহর ক্রস। বক্সের ভেতর অপেক্ষায় স্টুয়ার্ট। দারুণ হেডে বল পাঠিয়ে দিলেন জালে। শ্রাবণ এবার ঠেকাতে পারলেন না। বাংলাদেশের মাথায় তখন যেন আবার ফিরে এল গত মার্চের সেই রাত। প্রতিপক্ষ একই, গোলদাতাও একই।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর তাড়নায় বাংলাদেশ সামনে যেতে চেয়েছে। কিন্তু সিঙ্গাপুরের রক্ষণভাগ তাদের সেই পথটা সহজ হতে দেয়নি। ৪৭ মিনিটে শাহ শাহিরানের দূরপাল্লার শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন শ্রাবণ। ৫৮ মিনিটে শেখ মোরসালিনের জায়গায় মিনহাজুল করিম স্বাধীনকে নামান কোচ টমাস ডুলি।
৬৪ মিনিটে অবশেষে একটা সুযোগ তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের সামনে। ডান প্রান্ত দিয়ে সাদ উদ্দিনের ক্রসে লাফিয়ে হেড করেছিলেন শমিত সোম। কিন্তু বল চলে যায় বারের ওপর দিয়ে। গোল যেন তখনো বাংলাদেশের নাগালের বাইরে।
৭০ মিনিটে আবার জোড়া বদল। শমিত সোমের জায়গায় সোহেল রানা জুনিয়র, শুকি ইতোফুসার জায়গায় ফাহামিদুল ইসলাম। শেষ দিকে আক্রমণে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ৭৯ মিনিটে ফাহামিদুলের ক্রস থেকে রাকিব হোসেনের হেড সিঙ্গাপুরের হ্যারিস স্টুয়ার্টের গায়ে লেগে যায়, বাংলাদেশ পায় কর্নার। কিন্তু সেই কর্নার থেকেও গোলের দরজা খোলেনি।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে থেমে গেল বাংলাদেশের প্রতিশোধের গল্পও। গত মার্চের সেই হারের ক্ষত শুকায়নি, বরং একই স্টুয়ার্টের গোলে আরও গভীর হলো। টানা দুই ম্যাচে হেরে ফিফা আসিয়ান কাপে এখন বাংলাদেশের সামনে আর শিরোপার স্বপ্ন নেই।

থাইল্যান্ডের বন্যায় বিমান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় আটকে থাকার পর সোমবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ঢাকায় পৌঁছেছে দুই দল। তবে বিমানবন্দর থেকে বের হলেও শেষ হয়নি দুর্ভোগ—সঙ্গে আনতে পারেনি নিজেদের লাগেজ।
৩৩ মিনিট আগে
এশিয়ান গেমস শুরুর আগেই শেষ নাজমুল হোসেন শান্তর। সেটার চেয়েও বড় কথা তাঁর অসুস্থতার ধরন। রক্ত পরীক্ষায় শরীরে সংক্রামক জীবাণু পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম। তড়িঘড়ি করেই তাঁকে জাপান থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
৩৬ মিনিট আগে
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারের পর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে ১-০ গোলে হার। ফিফা আসিয়ান কাপে দুই ম্যাচেই বাংলাদেশের প্রাপ্তি শূন্য। তবে দুই ম্যাচের পার্থক্যটা চোখে পড়েছে বাংলাদেশ কোচ টমাস ডুলির। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে দলের পারফরম্যান্সে হতাশ হলেও সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলোয়াড়দের লড়াইয়ে খুশি তিনি। কিন্তু সেই খ
১ ঘণ্টা আগে
টানা দুই ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভারতের বিপক্ষে নেমেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সামনে সেই আত্মবিশ্বাস কাজে লাগাতে পারেনি জিমি-আমিরুলরা। পুরো ম্যাচেই ভারতের দাপটের সামনে পড়ে বড় ব্যবধানে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে।
১ ঘণ্টা আগে