
এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২০০ পেরোনো স্কোর হয়েছে পাঁচটি। যার একটিতেও নাম নেই ভারত কিংবা পাকিস্তানের। আজও এই দুই দলের সাক্ষাতে সময়ের অন্যতম সেরা ব্যাটিং লাইনআপ নিয়েও ভারত ২০০ ছুঁতে পারেনি। ৭ উইকেটে তুলেছে ১৭৫ রান।
এই স্কোরের আগে ‘মাত্র’ শব্দটা বসানোর কোনো সুযোগ নেই। বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর ১৫৯। এ হিসেবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দলের বিপক্ষে ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করা পাকিস্তানের জন্য ‘দুর্গম গিরি, কান্তার–মরু, দুস্তর পারাবার পাড়ি দেওয়ার মতোই। ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বাজে রেকর্ডের মূলে এটাও একটা কারণ। কলম্বোর প্রেমাদাসায়ও আজ লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ে তারা; ১১৪ রানে অলআউট হয়ে ৬১ রানে হেরেছে পাকিস্তান।
লক্ষ্য তাড়ায় এসে রানের খাতা না খুলেই সাহিবজাদা ফারহানকে হারায় পাকিস্তান। এরপর আরও তিন উইকেট হারিয়ে প্রথম পাঁচ ওভার শেষে পাকিস্তানের স্কোর—৩৪/৪! চার ব্যাটারের কেউ-ই ব্যক্তিগত রানকে দুই অঙ্কে নিতে পারেননি। শুন্য রানে আউট হওয়া সাহিবজাদার পর সায়েম আইয়ুব, সালমান আগা, বাবর আজম ফিরেছেন ৬, ৪ ও ৫ রান করে। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার আগে ৪ উইকেট খুইয়ে বসার পর পঞ্চম উইকেটে দুই খান শাদাব ও উসমান ৩৫ বলে ৩৯ রানে জুটি গড়ে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই উসমানকে ফিরেয়ে এই জুটি ভাঙেন অক্ষর প্যাটেল। ৩৪ বলে ৪৪ রান করেন উসমান। তাঁর আউটের পর মোহাম্মদ নেওয়াজ (৪) ও শাদাব খানও (১৪) আউট হয়ে গেলে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাকিস্তান। এই ম্যাচ জিতে গ্রুপ ‘এ’ গ্রুপ থেকে সবার আগে সুপার এইটে নিশ্চিত করল ভারত।
কলম্বোর প্রেমাদাসায় টস জিতে আগে ফিল্ডিং বেছে নিয়েছিল পাকিস্তান। শিশিরের কথা মাথায় রেখে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছিলেন। সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমান করে প্রথম ওভারেই অভিষেক শর্মাকে (০) ফিরিয়ে দিয়েছিলেন সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়ে শুরুতেই স্ট্রাইকে আসা বোলার সালমান। এরপর উইকেটে ইশান কিশাণ ও তিলক ভার্মার ৪৬ বলে ৮৭ রানের জুটি। দুর্দান্ত খেলেছেন তাঁরা। স্বভাবসূলভ আগ্রাসী ব্যাটিং করেছেন কিশাণ। ৪০ বলে করেছেন ৭৭ রান। ১০টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৯২.৫০। ইনিংসের নবম ওভারে সায়েম আইয়ুবকে এগিয়ে এসে মারতে
গিয়ে বলের লাইন মিস করে বোল্ড হয়ে যান ইশান। হাফ ছেড়ে বাঁচে পাকিস্তান।
কিশাণের বিদায়ের পর ভারতের রানের চাকা কিছুটা স্তিমিত হয়ে যায়। চাপ বাড়তে থাকে ভারতীয় ব্যাটারতের ওপর। সেটির সুযোগ নিয়ে ১৫তম ওভারে পরপর দুই বলে তিলক ভার্মা (২৫) ও হার্দিক পান্ডিয়াকে (০) ফিরিয়ে দেন আইয়ুব। হ্যাটট্রিকও পেয়ে যেতে পারতেন। পরের বলে পরাস্ত হয়েছিলেন ব্যাটার শিবম দুবে। আবেদনও করেছিলেন পাকিস্তানি ফিল্ডাররা। কিন্তু সাড়া দেননি আম্পায়ার। ভারতের স্কোর পৌণে দু শ নিতে শিবমেরও অবদান; রানআউট হওয়ার আগে ১৭ বলে করেছেন ২৭। তাঁর আগে ২৯ বলে ৩২ রান করে পাকিস্তানের স্পিন সেনসেশন উসমান তারিকের শিকার হন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব।
বল হাতে সবচেয়ে সফল সায়েম আইয়ুব; ২৫ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ভারতের পুরো ২০ ওভারের ১৮ ওভারই বোলিং করেছেন পাকিস্তানি স্পিনাররা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটাই এক ইনিংসে স্পিনারদের বেশি ওভার বোলিং করার রেকর্ড।

বড় কোনো অঘটন না ঘটলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেবে আফগানিস্তান। নিউজিল্যান্ডের পর দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে যায় তারা। বিশেষ করে প্রোটিয়াদের কাছে হারটাই বেশি পোড়াচ্ছে দলটিকে। সেই ম্যাচে হেরে খাবারের ওপর রাগ ঝেড়েছে আফগানরা–এমনটাই জানালেন দলটির অধিনায়ক রশিদ খান।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে খেলছে না বাংলাদেশ। ফলে ক্রিকেটারদের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে তিন দল নিয়ে ‘অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপ’-এর আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মার্চে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হলেই দ্বিতীয় সপ্তাহে ঢাকায় খেলতে আসবে পাকিস্তান। সেই সিরিজের আগে এবার বিসিবি আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে আলোচনায় ছিল পাকিস্তানের স্পিনাররা। উসমান তারিক, মোহাম্মদ নাওয়াজ, সাইম আইয়ুবদের নিয়ে ভারতীয়দের সতর্ক করেছিল দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা। মাঠের খেলায় হলোও ঠিক তাই। ভারতের ইনিংসে ছড়ি ঘুরিয়েছে পাকিস্তানের স্পিনাররা। এরপরও শেষ পর্যন্ত রেকর্ড সংগ্রহ পেল ভারত।
৩ ঘণ্টা আগে
ম্যাচ বর্জন ইস্যু ও বৃষ্টির শঙ্কার পর অবশেষে মাঠে গড়িয়েছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। কলম্বোর প্রেমাদাসা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগা। টসকে পাশ কাটিয়ে আরও একবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নো হ্যান্ডশেক ইস্যু।
৫ ঘণ্টা আগে