
হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানে হেরে সফর শুরু করেছে বাংলাদেশ। আফ্রিকার দলটির বিপক্ষে ২৫ বছর পর টেস্টে ইনিংসে হারল বাংলাদেশ। লাল বলের সংস্করণ থেকে এবার আরেক সংস্করণে খেলতে নামার আগে ঘুরেফিরে আসছে সেই ভরাডুবির প্রসঙ্গ। যদিও মেহেদী হাসান মিরাজ এটা নিয়ে চিন্তিত নন।
যে হারারেতে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের টেস্টে ভরাডুবি হয়েছে, সেই ভেন্যুতেই আগামীকাল শুরু হচ্ছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ খেলবে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে। তিনি অবশ্য হারারে টেস্টে খেলেননি। আর এই মিরাজের নেতৃত্বে বাংলাদেশ গত বছরের অক্টোবর থেকে শুরু করে টানা চার ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া—এই চার দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ জিতেছে ঘরের মাঠে।
মিরাজের সামনে টানা পাঁচ ওয়ানডে সিরিজ জয়ের হাতছানি। জিম্বাবুয়ে সিরিজ দিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন পর অ্যাওয়েতে ওয়ানডে সিরিজ খেলছে। এর আগে সবশেষ দেশের বাইরে বাংলাদেশ ওয়ানডে খেলেছিল গত বছরের অক্টোবরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত সেই সিরিজের ৯ মাস পর বিদেশের মাঠে সাদা বলের এই সংস্করণে খেলতে নামার আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে এসেছে হারারে টেস্টে ভরাডুবির প্রসঙ্গ। উত্তরে মিরাজ বলেন, ‘টেস্ট ম্যাচ আমরা ভালো খেলিনি। তবে সেটা অতীত। এমনটা মাঝে মাঝে হতেই পারে। তবু নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি।’
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে এখন প্রত্যেকটি ওয়ানডে সিরিজই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের প্রথম ৯ দল সরাসরি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করবে। যেখানে বিশ্বকাপের এক আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা ১০২ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে চারে অবস্থান করছে। ৯ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ৮৭। ১০ নম্বরে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের রেটিং পয়েন্ট ৭৩। জিম্বাবুয়ে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে ১২ নম্বরে।
এবারের ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়ে স্বাগতিক হলেও বাংলাদেশ খেলতে নামবে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে। যে অস্ট্রেলিয়াকে ২১ বছর ধরে ওয়ানডেতে বাংলাদেশ হারাতে পারত না, তাদের বিপক্ষে মিরাজ-শান্তরা সিরিজ জিতেছেন ২-১ ব্যবধানে। সদ্য শেষ হওয়া অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দল থেকে কেবল শেখ মেহেদী হাসানকে ছাড়াই জিম্বাবুয়ে সিরিজে খেলবে বাংলাদেশ। পেস আক্রমণে আছেন শরীফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা। যাঁদের মধ্যে রানা পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজসেরা হয়েছেন। শরীফুল ৪৮ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেই।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ যেহেতু দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে, নামিবিয়া মিলিয়ে হবে, সেক্ষেত্রে বর্তমান সিরিজটা কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ হিসেবে দেখছেন মিরাজ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের আগে অধিনায়ক বলেন, ‘আমার মনে হয় এটা সবার জন্যই একটা দারুণ সুযোগ। কারণ, ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ এখানেই অনুষ্ঠিত হবে। তাই এটা প্রত্যেক ব্যাটার এবং প্রত্যেক বোলারের জন্যই দারুণ সুযোগ। আমরা এই সুবিধাটাও নিচ্ছি। কারণ, আমাদের জিম্বাবুয়েতে তিনটি ওডিআই ম্যাচ আছে। এই কন্ডিশনের সাথে যত দ্রুত সম্ভব, মানিয়ে নিতে হবে। আমাদের মোমেন্টামও অনেক ভালো।’
লিটন গত ১৪ জুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে ব্যাটিং করলেও উইকেটরক্ষকের কাজ করেননি। উইকেটরক্ষকের গ্লাভস পরেছিলেন নুরুল হাসান সোহান। আগামীকাল প্রথম ওয়ানডেতেও লিটনের একাদশে থাকার সম্ভাবনা কম। হয়তো ৯ ও ১১ জুন দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডের একাদশে থাকতে পারেন তিনি। শেষ দুই ওয়ানডে হবে হারারেতেই।
সবশেষ ওয়ানডে সিরিজ বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে খেলেছে ২০২২ সালে। চার বছর আগে অনুষ্ঠিত সেই সিরিজটি হয়েছে জিম্বাবুয়ের মাঠেই। স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে সিরিজটি জেতে ২-১ ব্যবধানে।

তবে আগের ম্যাচের তুলনায় একাদশে এনেছেন একটি পরিবর্তন। জাপান ম্যাচের জয়ের নায়ক গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লিকে রাখা হয়েছে শুরুর একাদশে । যদিও তা অনুমিত ছিল। কারণ চোটে পড়েছেন লুকাস পাকেতা।
৯ মিনিট আগে
২৫ বছর বয়সী বালোগান চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন। ইতিমধ্যে তিন গোল করেছেন তিনি। গ্রুপ পর্বে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণের সবচেয়ে বড় ভরসা ছিলেন এই স্ট্রাইকার। তাই বেলজিয়ামের বিপক্ষে নকআউট ম্যাচের আগে তাঁকে ফিরে পাওয়া মাঠের হিসাবেও বড় স্বস্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য। তবে মাঠের লড়াইয়ের আগেই ফিফার এই ব্যতি
১ ঘণ্টা আগে
কেপ ভার্দের রাজধানী প্রাইয়া এখন উৎসবের নগরী। উৎসবটা বিশ্বকাপ জয়ের জন্য নয়; বরং আফ্রিকার দলটি বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে এসে রূপকথার মতো যে পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছে, তাতে মুগ্ধ ফুটবলপ্রেমীরা। বিশেষ করে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে হেরেও তাদের লড়াকু মানসিকতা দেখে অনেক কিংবদন্তি ফুটবলারদেরও রীতিমতো অবাক করে দি
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। কেউ বলছেন, এতে ফুটবলের স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হচ্ছে; আবার কেউ মনে করছেন, এটি খেলোয়াড়দের সুরক্ষার জন্য জরুরি। তবে টুর্নামেন্ট যত এগোচ্ছে, একটি বিষয় ততই স্পষ্ট হচ্ছে—এই তিন মিনিটের বিরতি এখন আর শুধু পানি পান করার সময় নয়, বরং কোচদের জন্য ম্যাচের ভেতরে
৩ ঘণ্টা আগে