ক্রীড়া ডেস্ক

রাজনৈতিক বৈরিতায় এখন দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভারত-পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই। আইসিসি ইভেন্ট, এশিয়া কাপে দুই দল মুখোমুখি হলে ভক্ত-সমর্থকেরা যা একটু উপভোগ করার সুযোগ পান। তবে এবার এশিয়া কাপে দুই দলের ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই শুরু হয়ে যায় ‘যুদ্ধ।’
ভারত-পাকিস্তানের রাজনীতির উত্তাপ এত দিন ক্রিকেট থেকে দূরে ছিল ঠিকই। কিন্তু এ বছরের এপ্রিলে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের গুলিতে পর্যটক নিহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হতে থাকে। সামরিক সংঘাত শেষে যুদ্ধবিরতির পরও দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক চিরতরে বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। এমনকি জুলাইয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) ভারত-পাকিস্তানকে নিয়ে এশিয়া কাপের সূচি ঘোষণার পরও ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা আপত্তি প্রকাশ করেছেন। শ্রীশান্ত তো এশিয়া কাপ থেকেই পাকিস্তানকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছেন। ভারতের কিংবদন্তি মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের মতে দ্বিপক্ষীয় সিরিজই যেহেতু হয় না, মেজর ইভেন্টে খেলার মানে কী!
আবুধাবিতে আগামীকাল হংকং-আফগানিস্তান ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে ২০২৫ এশিয়া কাপ। যে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট নিয়ে এত আলোচনা, এশিয়া কাপ শুরুর আগমুহূর্তে সেটা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া। তাঁর মতে এশিয়া কাপে এমনটা ভারত করলে এসিসি-আইসিসির কাছ থেকে ভারত কড়া শাস্তি পেত। এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিসিসিআই সচিব বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই কথা বলেছে। এমনকি ক্রিকেটার ও বোর্ডের স্বার্থের কথাও চিন্তা করেছে। এটা একটা বহুজাতিক টুর্নামেন্ট। কোনো দল যদি না খেলে, তাহলে সেই দলকে বিভিন্ন রকম শাস্তি দেওয়া হতো। তাতে অনেক ক্রিকেটার ও তাদের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়ত।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা নিয়ে এ বছরের ২১ আগস্ট ভারতের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নতুন নীতি প্রকাশ করেছে। সেই নীতি অনুযায়ী, পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ভারত তো আয়োজন করবেই না ভারত। এমনকি প্রতিবেশী দেশেও ভারত সফর করবে না। তবে ভারতীয় অ্যাথলেট কিংবা খেলোয়াড়েরা বহুজাতীয় টুর্নামেন্ট কিংবা ইভেন্টে পাকিস্তান থাকলেও অংশ নেবেন। সাইকিয়া বলেন, ‘ক্রিকেট অথবা অন্য যেকোনো খেলায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্রীড়া বিভাগ বিভিন্ন ধরনের নীতিমালা তৈরি করে থাকে। আমি নিশ্চিত যে কেন্দ্রীয় সরকার খুবই সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা জাতীয় পর্যায়ে সব ধরনের ক্রীড়া ফেডারেশনের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা দেবে। বহুজাতিক টুর্নামেন্টে আমরা সেটা চিন্তা করে পদক্ষেপ নিতে পারব।’
রাজনৈতিক কারণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের ঘটনা অবশ্য বেশি পুরোনো নয়। সেই ম্যাচ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের না হলেও এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এ বছরের জুলাইয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে (ডব্লুসিএল) পাকিস্তানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ, সেমিফাইনাল—এই দুই ম্যাচ বয়কট করেছিল ভারত। ওয়াকওভার পেয়ে ফাইনালে উঠলেও ডব্লুসিএলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি পাকিস্তান।
এবারের এশিয়া কাপে সালমান আলী আঘার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ খেলবে দুবাইয়ে। ১২ সেপ্টেম্বর ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু পাকিস্তানের এশিয়া কাপ মিশন। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে দুবাইয়ে পাকিস্তান খেলবে এক দিন বিরতি দিয়ে (১৪ সেপ্টেম্বর)। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ১৭ সেপ্টেম্বর সালমানের পাকিস্তান খেলবে আরব আমিরাতের বিপক্ষে।

রাজনৈতিক বৈরিতায় এখন দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ভারত-পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই। আইসিসি ইভেন্ট, এশিয়া কাপে দুই দল মুখোমুখি হলে ভক্ত-সমর্থকেরা যা একটু উপভোগ করার সুযোগ পান। তবে এবার এশিয়া কাপে দুই দলের ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই শুরু হয়ে যায় ‘যুদ্ধ।’
ভারত-পাকিস্তানের রাজনীতির উত্তাপ এত দিন ক্রিকেট থেকে দূরে ছিল ঠিকই। কিন্তু এ বছরের এপ্রিলে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের গুলিতে পর্যটক নিহতের ঘটনায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হতে থাকে। সামরিক সংঘাত শেষে যুদ্ধবিরতির পরও দুই দেশের মধ্যে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক চিরতরে বন্ধের দাবি জানানো হয়েছে। এমনকি জুলাইয়ে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) ভারত-পাকিস্তানকে নিয়ে এশিয়া কাপের সূচি ঘোষণার পরও ভারতের সাবেক ক্রিকেটাররা আপত্তি প্রকাশ করেছেন। শ্রীশান্ত তো এশিয়া কাপ থেকেই পাকিস্তানকে বহিষ্কারের দাবি তুলেছেন। ভারতের কিংবদন্তি মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনের মতে দ্বিপক্ষীয় সিরিজই যেহেতু হয় না, মেজর ইভেন্টে খেলার মানে কী!
আবুধাবিতে আগামীকাল হংকং-আফগানিস্তান ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে ২০২৫ এশিয়া কাপ। যে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট নিয়ে এত আলোচনা, এশিয়া কাপ শুরুর আগমুহূর্তে সেটা নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া। তাঁর মতে এশিয়া কাপে এমনটা ভারত করলে এসিসি-আইসিসির কাছ থেকে ভারত কড়া শাস্তি পেত। এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিসিসিআই সচিব বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই কথা বলেছে। এমনকি ক্রিকেটার ও বোর্ডের স্বার্থের কথাও চিন্তা করেছে। এটা একটা বহুজাতিক টুর্নামেন্ট। কোনো দল যদি না খেলে, তাহলে সেই দলকে বিভিন্ন রকম শাস্তি দেওয়া হতো। তাতে অনেক ক্রিকেটার ও তাদের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে পড়ত।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা নিয়ে এ বছরের ২১ আগস্ট ভারতের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নতুন নীতি প্রকাশ করেছে। সেই নীতি অনুযায়ী, পাকিস্তানের বিপক্ষে কোনো দ্বিপক্ষীয় সিরিজ ভারত তো আয়োজন করবেই না ভারত। এমনকি প্রতিবেশী দেশেও ভারত সফর করবে না। তবে ভারতীয় অ্যাথলেট কিংবা খেলোয়াড়েরা বহুজাতীয় টুর্নামেন্ট কিংবা ইভেন্টে পাকিস্তান থাকলেও অংশ নেবেন। সাইকিয়া বলেন, ‘ক্রিকেট অথবা অন্য যেকোনো খেলায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্রীড়া বিভাগ বিভিন্ন ধরনের নীতিমালা তৈরি করে থাকে। আমি নিশ্চিত যে কেন্দ্রীয় সরকার খুবই সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা জাতীয় পর্যায়ে সব ধরনের ক্রীড়া ফেডারেশনের অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা দেবে। বহুজাতিক টুর্নামেন্টে আমরা সেটা চিন্তা করে পদক্ষেপ নিতে পারব।’
রাজনৈতিক কারণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের ঘটনা অবশ্য বেশি পুরোনো নয়। সেই ম্যাচ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের না হলেও এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এ বছরের জুলাইয়ে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে (ডব্লুসিএল) পাকিস্তানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ, সেমিফাইনাল—এই দুই ম্যাচ বয়কট করেছিল ভারত। ওয়াকওভার পেয়ে ফাইনালে উঠলেও ডব্লুসিএলে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি পাকিস্তান।
এবারের এশিয়া কাপে সালমান আলী আঘার নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ খেলবে দুবাইয়ে। ১২ সেপ্টেম্বর ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু পাকিস্তানের এশিয়া কাপ মিশন। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে দুবাইয়ে পাকিস্তান খেলবে এক দিন বিরতি দিয়ে (১৪ সেপ্টেম্বর)। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ ১৭ সেপ্টেম্বর সালমানের পাকিস্তান খেলবে আরব আমিরাতের বিপক্ষে।

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
১ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
১ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৩ ঘণ্টা আগে