
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একসময় ২–০ গোলে এগিয়ে ছিল মিসর। কিন্তু ১৩ মিনিটে টানা তিন গোল হজম করে ৩–২ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিতে হয় আফ্রিকার দলটিকে। নাটকীয় এই হারের পর ক্ষোভ ঝাড়লেন মিসরের ফরোয়ার্ড মোস্তফা জিকো। রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি পুরো টুর্নামেন্ট নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে জয় পায় আর্জেন্টিনা। গোলের আগে মোহামেদ সালাহ আর্জেন্টিনার বক্সে পড়ে যান। যদিও রেফারি ও ভিএআরের নজর এড়িয়ে যায় তা। ফলে ম্যাচ শেষে জিকো বলেন, ‘রেফারি (ন্যায্য নন) একটি পুরো দেশের পরিশ্রম নষ্ট করে দিচ্ছেন। তিনি আমাদের লক্ষ্য করছেন, কারণ আমরা যাতে আর্জেন্টিনাকে হারাতে না পারি! একটি সাজানো টুর্নামেন্ট... আল্লাহ আমার জন্য যথেষ্ট, আর তিনিই সর্বোত্তম পরিকল্পনাকারী।’
ম্যাচে জিকো ছিলেন মিসরের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। ৫৮ মিনিটে তাঁর একটি গোল ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) পর্যালোচনার পর বাতিল হয়। তবে ৬৭ মিনিটে আবারও গোল করে মিসরকে ২–০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। সেই ব্যবধান ধরে রাখলেই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠত মিসর।
কিন্তু শেষ দিকে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৭৯তম মিনিটে ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ব্যবধান কমান। ৮৩ মিনিটে লিওনেল মেসি সমতা ফেরান। এরপর যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেসের গোলে ৩–২ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।
এই নাটকীয় পরাজয়ের পরই রেফারিং নিয়ে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন জিকো। তাঁর অভিযোগ, ম্যাচের রেফারিং মিসরের বিপক্ষে গেছে এবং তাতে একটি পুরো দেশের পরিশ্রম নষ্ট হয়েছে। যদিও কোন সিদ্ধান্তের কথা তিনি বলেছেন, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু উল্লেখ করেননি।

শরীফুলের বোলিং তোপে পড়ে বাংলাদেশকে ৬৪ রানে অলআউট করেও স্বস্তিতে নেই অস্ট্রেলিয়া। ১৪৮ রানে অষ্টম উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকেরা। চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩ উইকেট হারিয়ে ৫০ রান করেছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে লিড নেয় তারা।
২২ মিনিট আগে
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অ্যারেনায় প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৬৪ রানে। সফরকারীদের এই ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সগ্রহটা কোনো ব্যাটারের নয়, বোলারের। সেটাও ১১ নম্বরে নামা শরীফুল ইসলামের। মিচেল স্টার্কের বলে অ্যালেক্স ক্যারির হাত ক্যাচ দিয়ে শেষ ব্যাটার হিসেবে যখন ফিরছিলেন, তখন এই পেসারের নামের পাশে ১৪
১ ঘণ্টা আগে
অস্ট্রেলিয়ার পেস তাণ্ডবে প্রথম ইনিংসে অসহায় ছিল বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম সাত স্বীকৃত ব্যাটারের চারজনই ফিরেছেন রানের খাতা খোলার আগেই। ব্যর্থতাভরা ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৪ রান এনে দেন ১১ নম্বরে নামা শরীফুল। এবার তাঁর বোলিংয়েও স্বস্তি পাচ্ছে বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
দুঃস্বপ্নের এক সেশন শেষে টেস্টে সর্বনিম্ন রানে অলআউট হওয়ার রেকর্ড এড়ানোই ছিল বাংলাদেশের আসল চ্যালেঞ্জ। সে চ্যালেঞ্জে অবশ্য উতরে গেল সফরকারীরা। কিন্তু শুরুর বাজে ব্যাটিংয়ে হতাশা কাটিয়ে স্কোরবোর্ডে সম্মানজনক পুঁজি দাঁড় করাতে পারল না বাংলাদেশ।
৪ ঘণ্টা আগে