মিরপুর টেস্টে সেঞ্চুরি করা নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়ের পর যখন উইকেটে এলেন লিটন দাস, তখন প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ১০৬। এরপর দলের অবস্থা হলো আরও খারাপ হলো। স্কোরবোর্ডে আর ১০ রান যোগ হতেই ফিরে গেলেন দু্ই অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ১১৬ রানেই ৬ উইকেট গায়েব! দলের রান ২০০ হবে কি?
তখন এমন একটা আশঙ্কাই ভর করেছিল দশর্কদের মনে। শুধু দর্শক কেন, উইকেটে থাকা লিটনও ছিলেন সংশয়ে। দিনের খেলা শেষে অকপটেই স্বীকার করে নিলেন, ‘দলকে কীভাবে ২০০ রান পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যায়, আমার লক্ষ্য ছিল সেটাই।’
সেই লক্ষ্যপূরণ করেই তবে মাঠ ছেড়েছেন লিটন দাস। বিরুদ্ধ স্রোতে দাঁড়িয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন। তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি। ৭৬.২ ওভারে পাকিস্তানি বোলারদের নবম শিকার হয়ে যখন ফিরলেন তিনি, তখন তাঁর নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে ১২৬ রান। দলের রান—৯ উইকেটে ২৭৮।
এই সেঞ্চুরি ইনিংসটি খেলতে ১৫৯ বল খেলেছেন তিনি। ১৬ চার হাঁকিয়েছেন, ২টি ছক্কা। এই সেঞ্চুরি ইনিংস খেলাটা তাঁর জন্য একটা চ্যালেঞ্জেও ছিল। কারণ ইনিংসের বেশির ভাগ সময়ই লিটনকে বল করতে হয়েছে টেলএন্ডারদের নিয়ে। সপ্তম উইকেটে তাইজুলকে নিয়ে ৬০ রানের জুটি গড়েছেন, যার ৪৩ রানই এসেছে তাঁর ব্যাট থেকে। এরপর তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলামের সঙ্গে অষ্টম ও নবম উইকেট জুটিতে তুলেছেন ৩৮ ও ৬৪ রান। এই দুই জুটিতে তাঁর অবদান ৩০ ও ৫১ রান। টেল এন্ডারদের সঙ্গে খেলতে হিয়ে তাঁকে স্ট্রাইক ধরে রেখে খেলতে হয়েছে। স্কোরবোর্ড চালু রাখার জন্য খেলতে হয়েছে আক্রমণাত্মক।
শুরুতে সেঞ্চুরির লক্ষ্য ছিল না লিটনের, লক্ষ্য ছিল দলকে সম্মানজনক একটা সংগ্রহ এনে দেওয়া। আর সেটা করতে গিয়ে তাইজুল, শরীফুল, তাসকিনরা যেভাবে তাকে সঙ্গ দিয়েছে, তাতেই এসেছে সেঞ্চুরি। লিটন বললেন, ‘আমাদের টেল খুব বেশি শক্তিশালী না যে আমি প্রতি ওভারে ৪-৫ বল খেলার সুযোগ করে দেব। তবে তাইজুল ভাই, তাসকিন আর শরিফুল যেভাবে বল খেলেছে, সেটাই আমার জন্য জীবন সহজ করে দিয়েছে। রান তো আমাকেই করতে হবে, কিন্তু ওরা উইকেটে থাকায় বড় ইনিংস গড়া সহজ হয়েছে।’
৯৮ রানে পা রাখার পর পরের ওভারে শুরুর বলে ডাবল নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাতে শরীফুলকে টানা পাঁচটি বল ফেস করতে হয়েছে। রিভিউ নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। সব মিলিয়ে শরীফুল আউট হয়ে যান কি না, তা নিয়ে টেনশনে ছিলেন লিটন। তাঁর সরল স্বীকারোক্তি, ‘আমি অনেক টেনশনে ছিলাম।’

সিলেটে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের নিয়ন্ত্রণ এখন বাংলাদেশের হাতে। অথচ গতকাল প্রথম দিনে প্রথম দুই সেশনে পাকিস্তান যেভাবে খেলছিল, সেটা বজায় থাকলে হতে পারত অন্য কিছু। তবে দল ভালো অবস্থায় থাকায় লিটন দাসকে কৃতিত্ব দিয়েছেন নাহিদ রানা।
১ ঘণ্টা আগে
ব্যাটারদের কাছে রীতিমতো আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন নাহিদ রানা। ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতির পাশাপাশি লেংথের পরিবর্তন করে একের পর এক উইকেট তুলে নিচ্ছেন রানা। যার মধ্যে পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজমকে তিনবার আউট করেছেন রানা। তবে বাংলাদেশের আলোচিত গতিতারকাকে ভয় পান না বাবর।
২ ঘণ্টা আগে
তারকাখ্যাতির বিড়ম্বনা কেমন হয়, সেটা টের পাচ্ছেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তো বটেই, আইপিএলেও একের পর এক রেকর্ড গড়ে যাচ্ছেন তিনি। বাজে অবস্থা থেকে কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেই দৃষ্টান্তও স্থাপন করছেন তিনি। তবে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টুর্নামেন্ট নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন কোহলি।
৩ ঘণ্টা আগে
ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বোলিং ও বাউন্সারে ব্যাটারদের হরহামেশাই কুপোকাত করেন নাহিদ রানা। আগুনে বোলিংয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে হই চই ফেলে দিয়েছেন রানা। বিশ্বের অধিকাংশ ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তবে কখনো কোনো বোলার বাউন্সার মারলে পাল্টা জবাব দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশের গতিতারকা।
৪ ঘণ্টা আগে