
বিশ্বকাপে শেষ হতে বাকি আর ১৫ দিন। পর্তুগাল ফাইনালে যেতে পারবে কি না, সেটা নির্ভর করছে তাদের পথচলার ওপর। তবে এই টুর্নামেন্টই যে শেষ বিশ্বকাপ, সেটা জানিয়ে দিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাই ডালাসে স্পেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে সংবাদ সম্মেলনে তাঁর বিদায়, ভবিষ্যৎ ও অবসর নিয়ে প্রশ্নের শেষ ছিল না।
৪১ বছর বয়সেও সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলে যাওয়া রোনালদো ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো আক্ষেপ করছেন না। ফুটবলের জন্য যা কিছু করার ছিল, সবই করেছেন বলে বিশ্বাস তাঁর। তাই বিশ্বকাপের ফল যাই হোক, তৃপ্তি নিয়েই বিদায় নেবেন বলে জানিয়েছেন পর্তুগাল অধিনায়ক।
রোনালদো বলেন, ‘আগামীকাল যা-ই ঘটুক না কেন, ক্রিস্টিয়ানো এখান থেকে হাজার ভাগ পরিষ্কার বিবেক নিয়েই বিদায় নেবে। ১০০ শতাংশ নয়, ১০০০ শতাংশ পরিষ্কার। আমি ফুটবল এবং আমার জীবনের জন্য যা কিছু দেওয়ার, সবই দিয়েছি। আবেগ, ইচ্ছা—সব দিয়েছি। কোনো অভাব বা প্রয়োজনের তাগিদে আমি খেলিনি। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, জীবনে আমি খুব ভালো অবস্থানে আছি। আমি খেলেছি শুধু ফুটবল খেলার প্রতি ভালোবাসা থেকে।’
অবসর নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন রোনালদো। বয়স কিংবা বাইরের সমালোচনার কারণে নয়, নিজের সিদ্ধান্তেই ক্যারিয়ারের ইতি টানবেন বলে জানিয়েছেন তিনি,‘কয়েক বছর আগে যেমনটা বলেছিলাম, আমি যখন চাইব তখনই থামব, আপনারা যখন চাইবেন তখন নয়। আমি মনে করি, একই প্রশ্ন বারবার করা সময়ের অপচয়। আমি নিজের দিকে মনোযোগ টানতে চাই না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আগামীকাল আমরা ভালো খেলি এবং পরের রাউন্ডে যাওয়ার বিশ্বাস রাখি।’
বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও নিজের অর্জন খাটো হয়ে যাবে না বলে মনে করেন রোনালদো। তাঁর কথায়, ‘বিশ্বকাপ জিতলে আমি আরও বড় ক্রিস্টিয়ানো হয়ে যাব না, আবার না জিতলেও ছোট হয়ে যাব না। জীবনে আমার কোনো কিছুর অভাব নেই। ঈশ্বর আমার প্রতি অত্যন্ত সদয় হয়েছেন এবং আমি যা কখনো জেতার আশা করিনি, তার চেয়েও বেশি দিয়েছেন। এখন প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করাই মূল বিষয়।’

পাল্টা আক্রমণেই বেশি ভয়ঙ্কর ছিল ব্রাজিল। ৩১ মিনিটে মার্তিনেল্লির নিচু ক্রস পা বাড়িয়ে ঠেকিয়ে দেন নিল্যান্ড। ৪১ মিনিটে আবারও আলো ছড়ান নরওয়ের গোলরক্ষক। বক্সের মধ্যে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ভিনিসিয়ুসের নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন তিনি। কয়েক মিনিট পর হালান্ড–ওডেগার্ডের আরেকটি আক্রমণ থ
১ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরুতে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পেয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
১ ঘণ্টা আগে
রেফারি যখন শেষ বাঁশি বাজালেন, কিলিয়ান এমবাপ্পে তখন প্যারাগুয়ের গোলকিপার ওরলান্ডো গিলের সামনে দাঁড়িয়ে উদ্যাপন শুরু করেছেন। গিলকে যেন দেখিয়ে একটু বেশি উচ্ছ্বাস করলেন এমবাপ্পে। গিল তখন ফরাসি অধিনায়কের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সৌজন্য দেখিয়ে, এমবাপ্পে সেদিকে ভ্রুক্ষেপই করলেন না।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কিছু ম্যাচ থাকে, যেগুলোর ফাইনালের আগেই ফাইনালের আবহ তৈরি হয়ে যায়। ডালাসে সোমবার (আজ) রাত ১টায় স্পেন ও পর্তুগালের শেষ আটে ওঠার লড়াইও তেমনই। একদিকে চার ম্যাচে একটিও গোল না খাওয়া স্পেন, অন্যদিকে নাটকীয়ভাবে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে টইটম্বুর পর্তুগাল।
২ ঘণ্টা আগে