
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে ব্রাজিলের বিপক্ষে নরওয়ে যে সহজে মাথা নত করবে না, ম্যাচের প্রথমার্ধেই সেটি পরিষ্কার করে দিয়েছে। শুরুর ধাক্কা, ভিএআরের নাটক, পেনাল্টি, দুর্দান্ত গোলকিপিং—সব মিলিয়ে জমজমাট এক প্রথমার্ধের পরও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।
নিউ জার্সিতে ম্যাচের শুরু থেকেই ব্রাজিলকে চাপে রাখে নরওয়ে। তৃতীয় মিনিটেই প্যাট্রিক বার্গ বল জালে জড়িয়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু আলেক্সান্ডার সোরলথ অফসাইডে থাকায় সেই গোল বাতিল করেন রেফারি। অল্পের জন্য পিছিয়ে পড়া থেকে বেঁচে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
শুরুর সেই চাপ সামলে ধীরে ধীরে খেলায় ফেরে ব্রাজিল। বাঁ প্রান্তে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গতি আর গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির দৌড়ে নরওয়ের রক্ষণে অস্বস্তি বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় ১১ মিনিটে আসে ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত। ব্রুনো গিমারেসের পাসে বক্সে ঢুকে পড়া মাথিয়াস কুনিয়াকে ফেলে দেন নরওয়ের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আজের। প্রথমে খেলা চালিয়ে যেতে বললেও ভিএআরের ডাকে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি।
ব্রাজিলকে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব ছিল ব্রুনো গিমারেসের কাঁধে। কিন্তু থেমে থেমে নেওয়া তাঁর শট পড়ে নরওয়ের গোলরক্ষক অরইয়ান নিল্যান্ডের নাগালের মধ্যেই। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেন নিল্যান্ড। ১৯৮৬ সালে জিকোর পর বিশ্বকাপে কোনো ব্রাজিলিয়ানের পেনাল্টি মিসের প্রথম ঘটনাও এটি।
পেনাল্টি থেকে বেঁচে যাওয়ার পর আরও সাহসী হয়ে ওঠে নরওয়ে। বলের দখল নিজেদের কাছেই রাখে তারা, তবে শেষ পাস আর ফিনিশিংয়ে ঘাটতি ছিল স্পষ্ট। আর্লিং হালান্ডকে বেশির ভাগ সময়ই আটকে রাখেন মারকিনিয়োস ও তাঁর সঙ্গীরা। তবু ৩৮ মিনিটে দূর থেকে আলিসনকে লব করার চেষ্টা করেছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার, যদিও সফল হননি। কিছুক্ষণ পর মার্টিন ওডেগার্ডের শটও ব্লক হয়ে যায়।
পাল্টা আক্রমণেই বেশি ভয়ঙ্কর ছিল ব্রাজিল। ৩১ মিনিটে মার্তিনেল্লির নিচু ক্রস পা বাড়িয়ে ঠেকিয়ে দেন নিল্যান্ড। ৪১ মিনিটে আবারও আলো ছড়ান নরওয়ের গোলরক্ষক। বক্সের মধ্যে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ভিনিসিয়ুসের নেওয়া শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন তিনি। কয়েক মিনিট পর হালান্ড–ওডেগার্ডের আরেকটি আক্রমণ থেকেও গোল আদায় করতে পারেনি নরওয়ে। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ভালো সুযোগ পান ওডেগার্ড। তবে দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই শট ফিরিয়ে দেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক আলিসন বেকার। নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দলকে ম্যাচে রাখেন তিনি।

ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এমন প্রতিপক্ষ খুব বেশি নেই, যাদের বিপক্ষে কখনো জয়ের স্বাদই পাওয়া হয়নি। নরওয়ে সেই বিরল ব্যতিক্রম। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর মঞ্চে সেই অস্বস্তিকর ইতিহাস আরও দীর্ঘ করলেন আর্লিং হালান্ড। এক গোলে ব্রাজিলকে চাপে ফেললেন, তো আরেক গোলে শেষ করে দিলেন ম্যাচ। তাঁর জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানে
২ মিনিট আগে
ম্যাচের শুরুতে ভিএআরের সহায়তায় পেনাল্টি পেয়ে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
২ ঘণ্টা আগে
রেফারি যখন শেষ বাঁশি বাজালেন, কিলিয়ান এমবাপ্পে তখন প্যারাগুয়ের গোলকিপার ওরলান্ডো গিলের সামনে দাঁড়িয়ে উদ্যাপন শুরু করেছেন। গিলকে যেন দেখিয়ে একটু বেশি উচ্ছ্বাস করলেন এমবাপ্পে। গিল তখন ফরাসি অধিনায়কের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সৌজন্য দেখিয়ে, এমবাপ্পে সেদিকে ভ্রুক্ষেপই করলেন না।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কিছু ম্যাচ থাকে, যেগুলোর ফাইনালের আগেই ফাইনালের আবহ তৈরি হয়ে যায়। ডালাসে সোমবার (আজ) রাত ১টায় স্পেন ও পর্তুগালের শেষ আটে ওঠার লড়াইও তেমনই। একদিকে চার ম্যাচে একটিও গোল না খাওয়া স্পেন, অন্যদিকে নাটকীয়ভাবে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে টইটম্বুর পর্তুগাল।
২ ঘণ্টা আগে