
টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতা হলো না লিওনেল মেসির। ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে মাঠ ছাড়লেও বিশ্বকাপজুড়ে আর্জেন্টাইন মহাতারকার পারফরম্যান্সে মুগ্ধ গোটা ফুটবল বিশ্ব। বিশ্বকাপ শেষে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—রানার্সআপের কান্না কি আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির শেষ বিশ্বকাপের স্মৃতি হয়ে থাকবে? সুইডেনের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ অবশ্য তেমনটা চান না।
ফক্স স্পোর্টসের স্টুডিওতে ইব্রাহিমোভিচ বলেন, ‘আমি আশা করি ও যত দিন সম্ভব খেলা চালিয়ে যাবে, যাতে আমরা ওকে আরও বেশি উপভোগ করতে পারি। ও কি পরের বিশ্বকাপে থাকবে? আমি জানি না, ফুটবলে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। তবে ও খেলছে, এটাই আমাদের আনন্দ। যেদিন ও খেলা ছেড়ে দেবে, সেদিন আমাদের সবার মন খারাপ হবে।’
এটি ছিল মেসির ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ বিশ্বকাপ। বয়সকে পেছনে ফেলে পুরো আসরজুড়ে ছিলেন দুর্দান্ত ছন্দে। টুর্নামেন্টে ৮ গোলের পাশাপাশি করেছেন ৪ অ্যাসিস্ট। প্রথম পাঁচ ম্যাচে টানা জালের দেখা পেয়েছেন ইন্টার মায়ামি তারকা। কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনালে গোল না পেলেও সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৩ গোল। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নাটকীয় প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে মেসির অ্যাসিস্ট থেকেই গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। যা ফুটবলপ্রেমীদের দীর্ঘদিন মনে থাকবে।
বিশ্বকাপে মেসির এমন পারফরম্যান্সে মন্ত্র মুগ্ধ গোটা ফুটবল দুনিয়া। ইব্রাহিমোভিচ নিজেও এলএমটেনের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, বিশ্বকাপ জিততে না পারার কষ্ট থাকলেও মেসি খেলেছেন অবিশ্বাস্য এক টুর্নামেন্ট, ‘এই বিশ্বকাপে আমরা ওকে মন ভরে উপভোগ করেছি। আমি জানি বিশ্বকাপটা জিততে না পেরে ও ভীষণ দুঃখী। কিন্তু ও একটা অবিশ্বাস্য বিশ্বকাপ কাটিয়েছে। একা হাতে এই দলটাকে টেনে নিয়ে গেছে। ও যা করেছে, তা স্রেফ জাদুকরি।’
মেসির এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে গিয়ে ইব্রাহিমোভিচ আরও যোগ করেন, ‘এই টুর্নামেন্টে কখনো মনে হয়েছে ও এই গ্রহেরই কেউ না, আবার কখনো একদম আমাদের মতো রক্তমাংসের মানুষ হয়ে উঠেছে।’

অন্য সতীর্থদের মতো এমিলিয়ানো মার্তিনেসও বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের কষ্ট এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি। আর্জেন্টিনার হয়ে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ না হওয়ায় হতাশ এই গোলরক্ষক এবার নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ মিশন শেষে সোমবার দিবাগত রাতে দেশে ফেরেন আর্জেন্টিনার বেশিরভাগ ফুটবলার। যে কয়েকজন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন, লিওনেল মেসি তাঁদের মধ্যে অন্যতম। এবার এই তারকা ফরোয়ার্ডও দেশে ফিরলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর লিওনেল মেসির অশ্রুসিক্ত মুখ ভক্তদের হৃদয়ে নাড়া দিয়েছে। অনেকের দাবি, আর্জেন্টিনার হয়ে শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন ৩৯ বছর বয়সী ফুটবলার। তবে বিশ্বকাপ ফাইনালই মেসির শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ নয়—এমনটাই জানিয়েছেন টিওয়াইসি স্পোর্টসের সাংবাদিক গাস্তন এদুল।
৩ ঘণ্টা আগে
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ সবে শেষ হয়েছে। তবে এরই মধ্যে আগামী বিশ্বকাপ নিয়ে শুরু হচ্ছে জল্পনা-কল্পনা। আর্জেন্টিনা ২০৩০ বিশ্বকাপের আয়োজক হলেও টুর্নামেন্টের আগে তাদের বাছাইপর্ব খেলতে হবে।
৪ ঘণ্টা আগে