
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলে হারের পরও ক্ষোভ কাটছে না নরওয়ের। জুড বেলিংহামের সমতাসূচক গোলের আগে বল ক্যামেরার তারে লেগেছিল বলে দাবি করেছে নরওয়ে। তবে ফিফা সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, ‘কানেক্টেড বল’-এর সেন্সর ডেটায় বলের গতিপথ পরিবর্তনের কোনো প্রমাণ মেলেনি। ম্যাচজুড়ে আরও কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ঘিরেও ক্ষুব্ধ নরওয়েজিয়ান শিবির।
ম্যাচের ৪৫+২ মিনিটে জুড বেলিংহাম ইংল্যান্ডের সমতাসূচক গোল করার পরপরই নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান হাসকিয়োল্ড নাইল্যান্ড মাঠের ওপরে থাকা ক্যামেরার তারের দিকে ইশারা করে রেফারি ক্লেমঁ তুরপাঁর কাছে প্রতিবাদ জানান। তাঁর দাবি ছিল, আক্রমণ শুরুর আগে বলটি তারে লেগে দিক পরিবর্তন করেছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান ফক্সের সম্প্রচারিত ভিডিওতেও বলটি তারের খুব কাছ দিয়ে যেতে দেখা যায়। সেটিকে সামনে এনে বিতর্ক আরও জোরালো হয়।
তবে পরে এক বিবৃতিতে ফিফা জানায়, বলের ভেতরে থাকা ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তির সেন্সর বিশ্লেষণে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, যা থেকে বোঝা যায় বলটি তারে লেগেছিল। ফিফার ভাষ্য, বল বাতাসে থাকার সময় সেন্সরের তথাকথিত ‘বলস হার্টবিট’-এ কোনো অতিরিক্ত সংকেত ধরা পড়েনি। ফলে বলের গতিপথ তারে লেগে বদলে গেছে—এমন দাবি সমর্থনের মতো প্রমাণ নেই।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পরই ক্ষোভ প্রকাশ করেন নরওয়ের কোচ স্তালে সোলবাক্কেন ও তাঁর সহকারী ব্রেদে হ্যাঙ্গেল্যান্ড। সহকারী কোচ কেন্ট বের্গারসেন নরওয়েজিয়ান টিভি ২-কে বলেন, ‘বলটি ক্যামেরার তারে লেগেছিল। রেফারির বিষয়টি দেখা উচিত ছিল।’
শুধু এই ঘটনাই নয়, দ্বিতীয়ার্ধে কর্নার থেকে তোরবিয়র্ন হেগেমের করা গোল ভিএআরের সহায়তায় বাতিল হওয়াতেও ক্ষোভ বাড়ে নরওয়ের। গোলের আগে আরলিং হালান্ড ও এলিয়ট অ্যান্ডারসনের দ্বৈরথে ফাউল হয়েছে বলে সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। তাঁকে খোঁচা মেরে হালান্ডের বাবা আলফি হালান্ড লিখেছেন, ‘ দারুণ কাজ করেছে বেলিংহাম ও রেফারি।’
সব বিতর্কের মধ্যেও অতিরিক্ত সময়ে বেলিংহামের দ্বিতীয় গোলে ২-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে গেছে ইংল্যান্ড। তবে ম্যাচের পরও আলোচনার বড় অংশ জুড়ে রয়েছে রেফারিং ও ভিএআর বিতর্ক।

লিওনেল মেসিকে আপনি হাসতে দেখেছেন। আবার কাঁদতেও দেখেছেন। কিন্তু রেফারির দিকে আঙুল উঁচিয়ে মেসির কথা বলার দৃশ্য অপরিচিতই বটে। কানসাসে আজ সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে দেখা গেছে ক্রুদ্ধ অবস্থায়।
১৪ মিনিট আগে
কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার জন্য মাঠের লড়াইটা কঠিনই চলছে। সেই লড়াইয়ের মাঝেই আরেকটি অস্বস্তিকর মুহূর্তের মুখোমুখি হন লিওনেল মেসি। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর ডান চোখের পাশে কেটে রক্ত পড়তে দেখা যায়, যদিও ঘটনাটি রেফারি জোয়াও পেদ্রো সিলভা পিনেইরোর নজর এড়িয়ে যায়।
১৮ মিনিট আগে
মাত্র ১০ মিনিটেই এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এরপর আরও ৮০ মিনিটের বেশি সময় ছিল সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার। কিন্তু সেই সময়টুকু যত গড়িয়েছে, ম্যাচ ততই আর্জেন্টিনার হাতছাড়া হয়েছে। সুইজারল্যান্ড ধৈর্য হারায়নি, বরং চাপ বাড়িয়েছে।শেষ পর্যন্ত ৬৭ মিনিটে দান এনদোয়ের গোলে সমতাও ফিরিয়েছে। ৭২ মিনি
৩৭ মিনিট আগে
প্রথমার্ধের ১০ মিনিটে মাক আলিস্তারের হেডে এগিয়ে যাওয়ার পর থেকে আর্জেন্টিনা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে প্রতিপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছিল। সেই সুযোগই কাজে লাগিয়ে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে লড়াইকে নতুন করে জমিয়ে তুলেছে সুইজারল্যান্ড।
১ ঘণ্টা আগে