নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলে বাবা মোহাম্মদ নবির সঙ্গেই ছিলেন। একই হোটেলে থেকেছেন, দলীয় অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন বাবার সঙ্গে। তবে এই বিপিএলে একটি ম্যাচও খেলা হয়নি তাঁর। আজ সিলেটে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মাথায় পরিয়ে দেওয়া হলো ক্যাপ। সেটিও নিজ হাতে পরিয়ে দিলেন বাবা নবি। ওপেনিংয়ে দারুণ ঔজ্জ্বল্য ছড়ালেন নবি-তনয় হাসান ইসাখিল। ৭টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৬০ বলে খেললেন ৯২ রানের ইনিংস। তাঁর এই ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত গড়ে দিয়েছে ব্যবধান।
বিপিএলে অভিষেকে ইসাখিলের আলো ছড়ানোর ম্যাচে দারুণ একটা ক্যামিও উপহার দিয়েছেন সৌম্য সরকারও। ৫৬ বলে দুজনের ১০১ রানের জুটিতে এই বিপিএলে নিজেদের সর্বোচ্চ ১৮৪ রান তোলে নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেস। জবাবে ঢাকা ক্যাপিটালস ২০ ওভার খেললেও ১৪৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি। হারে ৪১ রানে। টানা ৬ ম্যাচ হারের পর এটি টানা দ্বিতীয় জয় খালেদ মাহমুদ সুজনের দলের।
নোয়াখালীর হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন হাসান ইসাখিল। পরে একসময় উইকেটে তাঁর সঙ্গে জুটি বাঁধেন তাঁর বাবা মোহাম্মদ নবি। এতে বিপিএলের রেকর্ড বইয়ের নতুন এক পাতার জন্ম দিলেন তাঁরা। বিপিএলের ইতিহাসে একই দলের হয়ে একই সঙ্গে বাপ-বেটার ব্যাটিং যে এটাই প্রথম!
নবি-ইসাখিলের আগে বাপ-বেটার একসঙ্গে ব্যাটিং স্বীকৃত ক্রিকেট দেখেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শিবনারায়ন চন্দরপল ও তাঁর ছেলে তেজনারায়ন চন্দরপলের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট একই সঙ্গে খেলেছেন তাঁরা। খুঁজতে গেলে ক্রিকেটে এমন অনেক বাপ-বেটারই সন্ধান পাওয়া যাবে। ডব্লিউ জি গ্রেস-চার্লস গ্রেস, অ্যালেক স্টুয়ার্ট-মিকি স্টুয়ার্ট, হিথ স্ট্রিক-ডেনিস স্ট্রিক...।
ইসাখিল আর সৌম্যের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১০ ওভারের আগেই দলীয় সেঞ্চুরি পূরণ করে নোয়াখালী। তখন মনে হয়েছিল স্কোরটাকে হয়তো দুই শর কাছাকাছি নিয়ে যাবে তারা। দলীয় ১০১ রানে সৌম্য আউট হয়ে গেলে দ্রুত ফিরে যান শাহাদাত হোসেন দিপু (৩) ও হাবিবুর রহমান সোহান (৪)। আউট হওয়ার আগে ৭টি চার ও ১টি ২৫ বলে ৪৮ রান করেন সৌম্য। এরপর নোয়াখালীর ব্যাটাররা আসা-যাওয়াই করেছেন। ব্যতিক্রম শুধু ইসাখিলের বাবা নবি। পাঁচ নম্বরে উইকেটে এসে ১৩ বলে ১৭ রান করেন তিনি। ছেলের সঙ্গে ৩৭ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন নবি। বাপ-বেটার কল্যাণেই নোয়াখালী ৭ উইকেটে তাদের দলীয় সর্বোচ্চ ১৮৪ রান তোলে।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি ঢাকা ক্যাপিটালসের। চতুর্থ ওভার শেষের আগেই ১৯ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তারা। ফিরে যান রহমানউল্লাহ গুরবাজ (১১), আবদুল্লাহ আল মামুন (২), সাইফ হাসান (০), নাসির হাসান (০)। ৪টি চার ও ১টি ছয়ে ১৬ বলে ২৯ রান করে জ্বলে ওঠার ইঙ্গিত দিয়ে শামীম হোসেন পাটোয়ারীও বিদায় নিলে ঢাকার স্কোর দাঁড়ায় ৭২/৫।
এ অবস্থায় জয় সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় নোয়াখালীর।

নোয়াখালী এক্সপ্রেস দলে বাবা মোহাম্মদ নবির সঙ্গেই ছিলেন। একই হোটেলে থেকেছেন, দলীয় অনুশীলনে অংশ নিয়েছেন বাবার সঙ্গে। তবে এই বিপিএলে একটি ম্যাচও খেলা হয়নি তাঁর। আজ সিলেটে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরুর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর মাথায় পরিয়ে দেওয়া হলো ক্যাপ। সেটিও নিজ হাতে পরিয়ে দিলেন বাবা নবি। ওপেনিংয়ে দারুণ ঔজ্জ্বল্য ছড়ালেন নবি-তনয় হাসান ইসাখিল। ৭টি চার ও ৫টি ছক্কায় ৬০ বলে খেললেন ৯২ রানের ইনিংস। তাঁর এই ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত গড়ে দিয়েছে ব্যবধান।
বিপিএলে অভিষেকে ইসাখিলের আলো ছড়ানোর ম্যাচে দারুণ একটা ক্যামিও উপহার দিয়েছেন সৌম্য সরকারও। ৫৬ বলে দুজনের ১০১ রানের জুটিতে এই বিপিএলে নিজেদের সর্বোচ্চ ১৮৪ রান তোলে নবাগত নোয়াখালী এক্সপ্রেস। জবাবে ঢাকা ক্যাপিটালস ২০ ওভার খেললেও ১৪৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি। হারে ৪১ রানে। টানা ৬ ম্যাচ হারের পর এটি টানা দ্বিতীয় জয় খালেদ মাহমুদ সুজনের দলের।
নোয়াখালীর হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন হাসান ইসাখিল। পরে একসময় উইকেটে তাঁর সঙ্গে জুটি বাঁধেন তাঁর বাবা মোহাম্মদ নবি। এতে বিপিএলের রেকর্ড বইয়ের নতুন এক পাতার জন্ম দিলেন তাঁরা। বিপিএলের ইতিহাসে একই দলের হয়ে একই সঙ্গে বাপ-বেটার ব্যাটিং যে এটাই প্রথম!
নবি-ইসাখিলের আগে বাপ-বেটার একসঙ্গে ব্যাটিং স্বীকৃত ক্রিকেট দেখেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের শিবনারায়ন চন্দরপল ও তাঁর ছেলে তেজনারায়ন চন্দরপলের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট একই সঙ্গে খেলেছেন তাঁরা। খুঁজতে গেলে ক্রিকেটে এমন অনেক বাপ-বেটারই সন্ধান পাওয়া যাবে। ডব্লিউ জি গ্রেস-চার্লস গ্রেস, অ্যালেক স্টুয়ার্ট-মিকি স্টুয়ার্ট, হিথ স্ট্রিক-ডেনিস স্ট্রিক...।
ইসাখিল আর সৌম্যের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১০ ওভারের আগেই দলীয় সেঞ্চুরি পূরণ করে নোয়াখালী। তখন মনে হয়েছিল স্কোরটাকে হয়তো দুই শর কাছাকাছি নিয়ে যাবে তারা। দলীয় ১০১ রানে সৌম্য আউট হয়ে গেলে দ্রুত ফিরে যান শাহাদাত হোসেন দিপু (৩) ও হাবিবুর রহমান সোহান (৪)। আউট হওয়ার আগে ৭টি চার ও ১টি ২৫ বলে ৪৮ রান করেন সৌম্য। এরপর নোয়াখালীর ব্যাটাররা আসা-যাওয়াই করেছেন। ব্যতিক্রম শুধু ইসাখিলের বাবা নবি। পাঁচ নম্বরে উইকেটে এসে ১৩ বলে ১৭ রান করেন তিনি। ছেলের সঙ্গে ৩৭ বলে ৫৩ রানের জুটি গড়েন নবি। বাপ-বেটার কল্যাণেই নোয়াখালী ৭ উইকেটে তাদের দলীয় সর্বোচ্চ ১৮৪ রান তোলে।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি ঢাকা ক্যাপিটালসের। চতুর্থ ওভার শেষের আগেই ১৯ রানে ৪ উইকেট খুইয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে তারা। ফিরে যান রহমানউল্লাহ গুরবাজ (১১), আবদুল্লাহ আল মামুন (২), সাইফ হাসান (০), নাসির হাসান (০)। ৪টি চার ও ১টি ছয়ে ১৬ বলে ২৯ রান করে জ্বলে ওঠার ইঙ্গিত দিয়ে শামীম হোসেন পাটোয়ারীও বিদায় নিলে ঢাকার স্কোর দাঁড়ায় ৭২/৫।
এ অবস্থায় জয় সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় নোয়াখালীর।

২৮ হাজার ১৬ আন্তর্জাতিক রান নিয়ে এত দিন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের পরই অবস্থান ছিল কুমার সাঙ্গাকারার। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক রানের দৌড়ে এবার শ্রীলঙ্কান সাঙ্গাকারাকে পেছনে ফেললেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় এই ব্যাটিং গ্রেটের সামনে শুধুই টেন্ডুলকার, যাঁর আন্তর্জাতিক রান—৩৪ হাজার ৩৫৭।
৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপ খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বোস্টনে ঘাঁটি গড়বে ফ্রান্স। আর জার্মানির ঘাঁটি হবে নর্থ ক্যারোলাইনায়। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অন্যতম দুই ফেবারিট ফ্রান্স ও জার্মানির এই অনুশীলন ক্যাম্পের কথা নিশ্চিত করেছে দুই দেশের ফুটবল ফেডারেশন।
১০ ঘণ্টা আগে
মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেটীয় সম্পর্কে। নিরাপত্তা শঙ্কার কারণ দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতে না খেলতে আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়েছে বিসিবি। যদিও আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে এর মধ্যেই ক্রিকেটীয় কারণে ভারতে গিয়েছেন বাংলাদেশি আম্পায়ার শরফ
১০ ঘণ্টা আগে
তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরি ছোঁয়া ইনিংস বাঁচাতে পারল না রংপুর রাইডার্সকে। এই ব্যাটারের ঝোড়ো ব্যাটিং বৃথা করে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ত্রাতা বনে গেলেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোহাম্মদ ওয়াসিম। তাঁদের দুজনের ব্যাটে চড়ে রংপুরকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে রাজশাহী।
১০ ঘণ্টা আগে