
মাঠে নামার আগে সমীকরণটা কি জানা ছিল জার্মানির? এখন হয়তো জেনে যাওয়ার কথা। নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের মালিক বনেছে তারা। পেছনে ফেলেছে ব্রাজিলকে।
কুরাসওয়ের বিপক্ষে এই গোলবন্যার পর বিশ্বকাপে জার্মানির মোট গোল সংখ্যা এখন ২৩৯। এত দিন ২৩৮ গোল নিয়ে এককভাবে চূড়ায় বসে ছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। কাকতালীয় বিষয় হলো, এক যুগ আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে এই ব্রাজিলকে তাদেরই মাটিতে ৭-১ গোলে হারিয়েছিল জার্মানি। এবার কুরাসাওয়ের বিপক্ষে সেই একই ব্যবধানের জয় তাদের সহায়তা করল সেলেসাওদের টপকে যেতে।
শুধু সর্বাচ্চ গোলই নয়, প্রতিপক্ষকে গোলবন্যায় ভাসানোর ক্ষেত্রেও এই শতাব্দীতে একচেটিয়া রাজত্ব জার্মানির। ২০০০ সালের পর থেকে বিশ্বকাপে এক ম্যাচে কোনো দলের ৭ বা তার বেশি গোল দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে মাত্র পাঁচবার। এর মধ্যে তিনটিই জার্মানির। ২০০২ বিশ্বকাপে সৌদি আরবকে ৮-০ গোলে হারিয়ে এই ধারা শুরু করেছিল তারা। এরপর ২০১৪ সালের সেই বিখ্যাত ৭-১ এবং এবার ২০২৬ বিশ্বকাপে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে একই স্কোরের পুনরাবৃত্তি।
চলতি শতাব্দীতে জার্মানির বাইরে কেবল দুটি দল বিশ্বমঞ্চে এক ম্যাচে সাত বা তার বেশি গোল দেওয়ার স্বাদ পেয়েছে—২০১০ বিশ্বকাপে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে পর্তুগাল (৭-০) এবং ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে কোস্টারিকার বিপক্ষে স্পেন (৭-০)।

টিম টেক্টর লং অনে ক্যাচ ধরার পর মুষ্টিবদ্ধ উদযাপন শুরু করলেন। তাঁর উদযাপন যেন থামতেই চাইছে না। ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যে আজ যাঁরা বেলফাস্টে আয়ারল্যান্ড-ভারত প্রথম টি-টোয়েন্টি দেখেছেন, নিশ্চয়ই তাঁরা বুঝতে পেরেছেন টিম টেক্টরের এমন উচ্ছ্বাসের কারণ। ভারতকে ৩৪ রানে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে
৮ মিনিট আগে
এই তো গত পরশু ৩৯ বছর পূর্ণ করেছেন লিওনেল মেসি। ক্যারিয়ার সায়াহ্নে এসে কী দুর্দান্ত পারফর্ম করছেন তিনি। এই বয়সেও তাঁর এমন তারুণ্য রীতিমতো অবাক করে সবাইকে। কিন্তু কাউকে কোনো না কোনো সময় তো ‘ফুলস্টপ’ টানতে হয়। মেসিও এখন সেই অবস্থাতেই আছেন।
২৮ মিনিট আগে
২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর যখন সূচি ঘোষণা করা হয়, তখনই বেজে যায় বিশ্বকাপের দামামা। ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ম্যাচ নিয়েই মূলত বাংলাদেশের ফুটবল সমর্থকদের আগ্রহ বেশি থাকে। যদি দুই দল বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হয়, তাহলে তো কথাই নেই। সমর্থকদের কথার লড়াই, হইচইয়ে তৈরি হবে অন্যরকম এক উন্মাদনা। সেই সুযোগ এবার...
১ ঘণ্টা আগে
অপরাজিত দল হয়েই শেষ বত্রিশ পর্বে উঠেছে জাপান। গ্রুপ পর্বের দুই ম্যাচ ড্র ও এক ম্যাচ জিতে এশিয়ার দলটি পেরিয়েছে গ্রুপ পর্বের বাধা। নকআউট পর্বে তারা খেলবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে। শেষ বত্রিশের ম্যাচের আগে জাপানের কোচ হাজিমে মরিয়াসু প্রতিপক্ষকে প্রচ্ছন্ন হুমকিই দিয়ে রেখেছেন।
২ ঘণ্টা আগে