Ajker Patrika

ওয়াশিংটন সফরে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, যা আলোচনা হলো মার্কিনদের সঙ্গে

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১০: ১০
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ। ছবি: ফেসবুক
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ। ছবি: ফেসবুক

যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। এ ছাড়া তিনি সহকারী ইউএসটিআর ব্রেন্ডন লিঞ্চের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করেন।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজা বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি জানান, অ্যাম্বাসেডর গ্রিয়ারের সঙ্গে বৈঠককালে ড. খলিলুর রহমান বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ব্যবধান কমানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিটি (reciprocal trade agreement) আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগেই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করার মাধ্যমে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে এবং চুক্তির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন করেছে।’

এর পরিপ্রেক্ষিতে ড. খলিলুর রহমান বর্তমান ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক কমানোর জন্য ইউএসটিআরের কাছে প্রস্তাব দেন। অ্যাম্বাসেডর গ্রিয়ার এই প্রস্তাবটি ‘ইতিবাচকভাবে’ বিবেচনার আশ্বাস দেন। এ ছাড়া মার্কিন কাঁচামাল বা উপকরণ ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক শুল্ক কমানো বা বাতিলের বিষয়ে ড. রহমানের প্রস্তাবটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে তিনি সম্মত হন।

উভয় পক্ষ পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিটি দ্রুত চূড়ান্ত ও কার্যকর করার লক্ষ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধির ফলে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশকে মার্কিন ‘ভিসা বন্ড’-এর অন্তর্ভুক্ত করার প্রেক্ষাপটে তিনি অ্যাম্বাসেডর গ্রিয়ারকে তাঁর প্রভাব খাটিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য ব্যবসায়িক ভ্রমণ সহজ করার আহ্বান জানান। খলিলুর রহমান এই সুযোগে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য ‘ডিএফসি’ অর্থায়নের সুযোগ প্রদানেরও অনুরোধ করেন। অ্যাম্বাসেডর গ্রিয়ার এই বিষয়গুলোতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন। অন্যদিকে ইউএসটিআরের পক্ষে সহকারী ইউএসটিআর ব্রেন্ডন লিঞ্চ এবং অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ড. খলিলুর রহমান আগামীকাল মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত