
এবারের আইপিএলে এমনিতেই তথৈবচ অবস্থা কলকাতা নাইট রাইডার্সের। দশ দলের মধ্যে একেবারে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে। আজ লক্ষ্ণৌর শ্রী অটল বিহারি বাজপেয়ি স্টেডিয়ামে লঙ্কাকাণ্ড বাঁধিয়ে দিল কলকাতা।
লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে কলকাতার ব্যাটার অংক্রীশ রঘুবংশী অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড আউট হওয়ার পরই ঘটনার সূত্রপাত। তৃতীয় আম্পায়ার রোহন পন্ডিতের সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে মাঠেই রাগে ফুঁসছিলেন তিনি। ডাগআউটে গিয়ে এরপর ব্যাট ছুড়ে মারেন কুশনের ওপর। এখানেই শেষ নয়। এক ম্যাচ কর্মকর্তার সঙ্গে কলকাতার প্রধান কোচ অভিষেক নায়ারের তীব্র বাদানুবাদ হয়েছে।
টস জিতে আজ আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক ঋষভ পন্ত। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে মোহাম্মদ শামিকে মিড অনে ঠেলে অর্ধেক বেরিয়েও এসেছিলেন রঘুবংশী। শামি দ্রুত বল ধরে স্ট্রাইকপ্রান্ত বরাবর ছুড়ে মারেন। সে সময় রঘুবংশী নিজের উইকেট বাঁচাতে দৌড়াচ্ছিলেন। কলকাতার ব্যাটারের গায়ে বল লেগে যাওয়ার পর লক্ষ্ণৌ আবেদন করে। মাঠোর আম্পায়ার সিদ্ধান্তটি তৃতীয় আম্পায়ারের কাছে পাঠিয়েছেন। রঘুবংশী ফেরার সময় তাঁর দিক পরিবর্তন করেছিলেন বলে আউট ঘোষণা করেন রোহন।
অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ডের শিকার রঘুবংশী ৮ বলে ৯ রান করেন। কলকাতা নাইট রাইডার্স নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রান করেছে। রিংকু সিংয়ের ৫১ বলে ৮৩ রানের অপরাজিত ইনিংসের কারণেই কলকাতা ১৫০ পেরিয়েছে। ৭ চার ও ৫ ছক্কা মেরেছেন তিনি। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস ৭ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৪২ রান করেছে।

টস হেরে আগে ব্যাটিং পেয়ে নিউজিল্যান্ড তাণ্ডব চালাচ্ছিল বাংলাদেশের ওপর। অধিনায়ক লিটন দাস একের পর এক বোলার পরিবর্তন করেও সফল হচ্ছিলেন না। তবে ম্যাচের শেষ দিকে এসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের স্কোর যেখানে চোখ বন্ধ করে ২০০ পার হওয়ার কথা ছিল, তা আর হয়নি।
৮ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ৯৯তম বলে হঠাৎ করে খেলা থামিয়ে দিলেন আম্পায়াররা। আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির কোনো ছিঁটেফোটা ছিল না।
৩০ মিনিট আগে
চট্টগ্রামে গতকাল লিটন দাসের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ট্রফি উন্মোচন করেছিলেন টম লাথাম। সংবাদ সম্মেলনেও এসেছিলেন লাথাম। কিন্তু আজ লিটনের সঙ্গে টস করতে দেখা গেল অন্য কাউকে।
১ ঘণ্টা আগে
অর্থের ঝনঝনানি, চার-ছক্কার বন্যা—সব মিলিয়ে আইপিএলে ক্রিকেটারদের পাশাপাশি অনেক ধনকুবেরেরও নজর থাকে। স্টেডিয়ামগুলোও কড়া নিরাপত্তার বলয়ে থাকে। কিন্তু বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে যা ঘটে গেল, তাতে এই টুর্নামেন্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সিসিক্যামেরা নষ্ট করার দায়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার
২ ঘণ্টা আগে