ক্রীড়া ডেস্ক

টি-টোয়েন্টির বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। ফেবারিট হিসেবেই তারা খেলতে নামছে এবারের এশিয়া কাপে। ভারত বাদে টুর্নামেন্টে খেলছে আরও ৭ দল। কিন্তু কোনো দলকেই ভারতের সমকক্ষ হিসেবে মনে করছেন না রবিচন্দ্রন অশ্বিন। এমনকি বাংলাদেশও ভারতের সামনে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান তিনি।
২০২৩ সালে সবশেষ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কাকে লজ্জায় ডুবিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। সুপার ফোরের ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হেরেছিল তারা। যদিও সংস্করণটি ছিল ওয়ানডে। এবার হচ্ছে টি-টোয়েন্টিতে। এই সংস্করণের সবশেষ (২০২২) এশিয়া কাপে ফাইনালে উঠতে পারেনি ভারত। তবে এবার তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য দেখতে পাচ্ছেন অশ্বিন। সাবেক এই স্পিনারের মতে, জাতীয় দলের পাশাপাশি ভারতের ‘এ’ দল থাকলে এশিয়া কাপ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হত।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেন, ‘তারা চাইলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে আফ্রো-এশিয়া কাপ বানাতে পারত। প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বর্তমান অবস্থায় অন্তত ভারত এ দল রাখা উচিত। কথায় কথায় বাংলাদেশের কথাই ভুলে গেছি। তারাও এই টুর্নামেন্টে খেলছে। কিন্তু তাদের ব্যাপারে কথা বলার মতো কিছু নেই। তারা সবাই টি-টোয়েন্টিতে সংগ্রাম করছে। ভারতের বিপক্ষে কীভাবে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।’
ভারতকে হারাতে হলে কী করতে হবে সেই পথও বাতলে দিয়েছেন অশ্বিন। তিনি বলেন, ‘একজন ভারতীয় ও ভারতীয় ক্রিকেটের ভক্ত হিসেবে আমি খুবই খুশি যে, আমরা এমন শক্তিশালী অবস্থায় আছি। ভারতকে হারানোর একটাই উপায় হলো ভালো দিনে তাদের ১৫৫ রানের মধ্যে আটকে ফেলা। তারপর সেটা তাড়া করা। টি-টোয়েন্টি সাধারণত রোমাঞ্চকর হয়, তবে ভারত সম্ভবত এশিয়া কাপকে একপেশে লড়াইয়ে পরিণত করবে।’

টি-টোয়েন্টির বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত। ফেবারিট হিসেবেই তারা খেলতে নামছে এবারের এশিয়া কাপে। ভারত বাদে টুর্নামেন্টে খেলছে আরও ৭ দল। কিন্তু কোনো দলকেই ভারতের সমকক্ষ হিসেবে মনে করছেন না রবিচন্দ্রন অশ্বিন। এমনকি বাংলাদেশও ভারতের সামনে দাঁড়াতে পারবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান তিনি।
২০২৩ সালে সবশেষ এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কাকে লজ্জায় ডুবিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। সুপার ফোরের ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হেরেছিল তারা। যদিও সংস্করণটি ছিল ওয়ানডে। এবার হচ্ছে টি-টোয়েন্টিতে। এই সংস্করণের সবশেষ (২০২২) এশিয়া কাপে ফাইনালে উঠতে পারেনি ভারত। তবে এবার তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য দেখতে পাচ্ছেন অশ্বিন। সাবেক এই স্পিনারের মতে, জাতীয় দলের পাশাপাশি ভারতের ‘এ’ দল থাকলে এশিয়া কাপ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হত।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে অশ্বিন বলেন, ‘তারা চাইলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে নিয়ে আফ্রো-এশিয়া কাপ বানাতে পারত। প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বর্তমান অবস্থায় অন্তত ভারত এ দল রাখা উচিত। কথায় কথায় বাংলাদেশের কথাই ভুলে গেছি। তারাও এই টুর্নামেন্টে খেলছে। কিন্তু তাদের ব্যাপারে কথা বলার মতো কিছু নেই। তারা সবাই টি-টোয়েন্টিতে সংগ্রাম করছে। ভারতের বিপক্ষে কীভাবে তারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।’
ভারতকে হারাতে হলে কী করতে হবে সেই পথও বাতলে দিয়েছেন অশ্বিন। তিনি বলেন, ‘একজন ভারতীয় ও ভারতীয় ক্রিকেটের ভক্ত হিসেবে আমি খুবই খুশি যে, আমরা এমন শক্তিশালী অবস্থায় আছি। ভারতকে হারানোর একটাই উপায় হলো ভালো দিনে তাদের ১৫৫ রানের মধ্যে আটকে ফেলা। তারপর সেটা তাড়া করা। টি-টোয়েন্টি সাধারণত রোমাঞ্চকর হয়, তবে ভারত সম্ভবত এশিয়া কাপকে একপেশে লড়াইয়ে পরিণত করবে।’

বাংলাদেশ-ভারতের শীতল সম্পর্কের ছাপ ক্রিকেটেও। অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দুই দেশের প্রথম ম্যাচে টসের পর হাতে হাত মেলালেন না দুই দলের অধিনায়ক। ব্যাপারটা রীতিমতো বিস্ময় হয়েই এসেছে সবার কাছে। এমন উত্তেজনার একটা আবহে শুরু হওয়া বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে নাটকীয়ভাবে (ডিএলএস মেথডে) আজ ১৮ রানে হার
৭ ঘণ্টা আগে
ফুটবলপ্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখার জন্য অধীর আগ্রহে থাকেন। ফলে বিশ্বজুড়ে থাকে টিকিট সংগ্রহের তুমুল লড়াই। অনলাইন ছাড়াও ফিফা তাদের সদস্যভুক্ত দেশগুলোর ফেডারেশনের জন্যও টিকিট বরাদ্দ রাখে। সে হিসেবে ২০২৬ বিশ্বকাপে বাফুফে ৩৩০ টিকিট কেনার সুযোগ পাবে ফিফার কাছ থেকে।
৮ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের সম্ভাবনা আর নেই। তবে বাকি রয়েছে একটি ম্যাচ। সেই ম্যাচে সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে তাদের মাটিতে ৩১ মার্চ মুখোমুখি হবেন হামজা-শমিতরা। এই ম্যাচের আগে সিলেটে বাংলাদেশকে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলাতে চায় বাফুফে। কিন্তু এবারও পায়নি শক্ত প্রতিপক্ষ।
৮ ঘণ্টা আগে
সিনিয়রদের এশিয়া কাপে বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের হাত না মেলানো ইস্যু। এবার যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও দেখা গেল একই চিত্র। টসের সময় হ্যান্ডশেক করেননি বাংলাদেশ-ভারত অধিনায়ক। তা রীতিমত খবরের শিরোনাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বিসিবি বলছে, করমর্দন না করাটা নিতান্তই অনিচ্ছাকৃত।
৯ ঘণ্টা আগে