নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গৃহবিবাদ কেটেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে যে জট লেগে আছে, তা কাটবে কি? এটাই এখন প্রশ্ন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা না খেলার ইস্যুর সমাধান এখনো হয়নি; অথচ সময় আর বেশি বাকি নেই।
সমাধান করতে আজ ঢাকায় আসছেন আইসিসির দুজন কর্মকর্তা। শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে হবে দুই পক্ষের বৈঠক। সেই বৈঠকে কী হয়, তা জানতে ক্রমেই বাড়ছে আগ্রহ ও উদ্দীপনা।
গতকাল মিরপুরে বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘আমি শুধু জানি, কালকে (আজ) আসছে (আইসিসির প্রতিনিধিদল)। পুরো বিষয়টা সভাপতি বলতে পারবেন। সভাপতি ও সহসভাপতি এটা নিয়ে আলোচনার জন্য বসবেন। আমরা এটা থেকে ভালো কিছুর আশা করছি।’
৪ জানুয়ারি নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। সেই অবস্থান থেকে কোনোভাবেই নড়েনি। মিঠু একই কথা বলেছেন আবার, ‘আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। সরকার, ক্রিকেট বোর্ড সবাই মনে করছে, খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, সাংবাদিক বা দর্শকেরা নিরাপদ না (ভারতে)। আইসিসি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মূলত এটা নিয়েই কথা হবে। সভাপতি নিজে বিষয়টি দেখছেন। তাই দেখি কাল (আজ) কী সিদ্ধান্ত হয়।’
আইসিসির এই সফর বিসিবিকে রাজি করানোর শেষ চেষ্টা বলে মনে হচ্ছে। তবে এর বাইরেও এটি একটি ‘আস্থা তৈরির’ উদ্যোগ, যাতে আইসিসি বা বিশ্ব ক্রিকেটের কাছে বাংলাদেশ নিজেদের বিচ্ছিন্ন মনে না করে।
গত মঙ্গলবার এক ভিডিও কলে আইসিসির সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। বিসিবির পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে জানতে চাওয়া হয়, যেখানে তাদের দেওয়া ‘ইন্টারনাল থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্টেই’ বলা হয়েছে, বাংলাদেশ দল ভারতে গেলে মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে নিরাপত্তা বিঘ্নের আশঙ্কা আছে, বাংলাদেশের জার্সি পরে বের হওয়া দর্শকদেরও বিপদের কারণ হতে পারে, সেখানে আইসিসি কীভাবে বিসিবিকে ভারতে দল পাঠাতে বলে? সেই আলোচনায় ফলপ্রসূ কিছু হয়নি। তবে আইসিসি পুনরায় যোগাযোগ করে একটি মাঝামাঝি পথ খোঁজার চেষ্টা করছে। আজকের আলোচনায় সরকারের প্রতিনিধিরও যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানায়, বর্তমান সংকটের মূলে রয়েছে দুটি বিষয় ভারতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাঝুঁকি এবং মোস্তাফিজুর রহমান-সংক্রান্ত বিতর্ক। দুবাই থেকে আসা আইসিসি কর্মকর্তারা বিসিবিকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন, বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। তবে বাকি ১৯টি অংশগ্রহণকারী দেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গভর্নিং বডি হিসেবে আইসিসিকে সব দেশের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের চাহিদার সমন্বয় করতে হয়।
ক্রিকবাজ আরও জানায়, বিসিবি সভাপতি নিরাপত্তা প্রতিবেদনের একটি বিশেষ অংশ নিয়ে অনড় অবস্থানে আছেন, যেখানে বলা হয়েছে, ভারতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। মোস্তাফিজুর রহমানের নিরাপত্তার ব্যাপারেও একই ধরনের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন এবং বিজেপি ও শিবসেনা নেতাদের বিভিন্ন মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলেছেন। আইসিসি জানিয়েছে, ঝুঁকি বাড়লে নিরাপত্তাব্যবস্থাও সে অনুযায়ী জোরদার করা হবে।
আইসিসি ও বিসিসিআই মনে করে, শেষ মুহূর্তে সূচি পরিবর্তন করলে তা ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টগুলোর জন্য একটি ‘বিপজ্জনক’ নজির হয়ে থাকবে। আইসিসির মতে, সূচি পরিবর্তনের সময় পার হয়ে গেছে।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। যৌথভাবে এই টুর্নামেন্টের আয়োজক শ্রীলঙ্কাও। বাংলাদেশ চাচ্ছে শ্রীলঙ্কায় খেলতে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ তাদের গ্রুপ পর্বের প্রথম তিনটি ম্যাচ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে) কলকাতায় এবং শেষ ম্যাচটি নেপালের বিপক্ষে মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

গৃহবিবাদ কেটেছে। কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে যে জট লেগে আছে, তা কাটবে কি? এটাই এখন প্রশ্ন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা না খেলার ইস্যুর সমাধান এখনো হয়নি; অথচ সময় আর বেশি বাকি নেই।
সমাধান করতে আজ ঢাকায় আসছেন আইসিসির দুজন কর্মকর্তা। শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে হবে দুই পক্ষের বৈঠক। সেই বৈঠকে কী হয়, তা জানতে ক্রমেই বাড়ছে আগ্রহ ও উদ্দীপনা।
গতকাল মিরপুরে বিসিবি পরিচালক ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘আমি শুধু জানি, কালকে (আজ) আসছে (আইসিসির প্রতিনিধিদল)। পুরো বিষয়টা সভাপতি বলতে পারবেন। সভাপতি ও সহসভাপতি এটা নিয়ে আলোচনার জন্য বসবেন। আমরা এটা থেকে ভালো কিছুর আশা করছি।’
৪ জানুয়ারি নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। সেই অবস্থান থেকে কোনোভাবেই নড়েনি। মিঠু একই কথা বলেছেন আবার, ‘আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। সরকার, ক্রিকেট বোর্ড সবাই মনে করছে, খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, সাংবাদিক বা দর্শকেরা নিরাপদ না (ভারতে)। আইসিসি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মূলত এটা নিয়েই কথা হবে। সভাপতি নিজে বিষয়টি দেখছেন। তাই দেখি কাল (আজ) কী সিদ্ধান্ত হয়।’
আইসিসির এই সফর বিসিবিকে রাজি করানোর শেষ চেষ্টা বলে মনে হচ্ছে। তবে এর বাইরেও এটি একটি ‘আস্থা তৈরির’ উদ্যোগ, যাতে আইসিসি বা বিশ্ব ক্রিকেটের কাছে বাংলাদেশ নিজেদের বিচ্ছিন্ন মনে না করে।
গত মঙ্গলবার এক ভিডিও কলে আইসিসির সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সহসভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন। বিসিবির পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে জানতে চাওয়া হয়, যেখানে তাদের দেওয়া ‘ইন্টারনাল থ্রেট অ্যাসেসমেন্ট রিপোর্টেই’ বলা হয়েছে, বাংলাদেশ দল ভারতে গেলে মোস্তাফিজুর রহমানকে ঘিরে নিরাপত্তা বিঘ্নের আশঙ্কা আছে, বাংলাদেশের জার্সি পরে বের হওয়া দর্শকদেরও বিপদের কারণ হতে পারে, সেখানে আইসিসি কীভাবে বিসিবিকে ভারতে দল পাঠাতে বলে? সেই আলোচনায় ফলপ্রসূ কিছু হয়নি। তবে আইসিসি পুনরায় যোগাযোগ করে একটি মাঝামাঝি পথ খোঁজার চেষ্টা করছে। আজকের আলোচনায় সরকারের প্রতিনিধিরও যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
ক্রিকেটভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজ জানায়, বর্তমান সংকটের মূলে রয়েছে দুটি বিষয় ভারতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তাঝুঁকি এবং মোস্তাফিজুর রহমান-সংক্রান্ত বিতর্ক। দুবাই থেকে আসা আইসিসি কর্মকর্তারা বিসিবিকে বোঝানোর চেষ্টা করবেন, বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ। তবে বাকি ১৯টি অংশগ্রহণকারী দেশের স্বার্থ ও নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। গভর্নিং বডি হিসেবে আইসিসিকে সব দেশের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের চাহিদার সমন্বয় করতে হয়।
ক্রিকবাজ আরও জানায়, বিসিবি সভাপতি নিরাপত্তা প্রতিবেদনের একটি বিশেষ অংশ নিয়ে অনড় অবস্থানে আছেন, যেখানে বলা হয়েছে, ভারতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। মোস্তাফিজুর রহমানের নিরাপত্তার ব্যাপারেও একই ধরনের আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন এবং বিজেপি ও শিবসেনা নেতাদের বিভিন্ন মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলেছেন। আইসিসি জানিয়েছে, ঝুঁকি বাড়লে নিরাপত্তাব্যবস্থাও সে অনুযায়ী জোরদার করা হবে।
আইসিসি ও বিসিসিআই মনে করে, শেষ মুহূর্তে সূচি পরিবর্তন করলে তা ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টগুলোর জন্য একটি ‘বিপজ্জনক’ নজির হয়ে থাকবে। আইসিসির মতে, সূচি পরিবর্তনের সময় পার হয়ে গেছে।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। যৌথভাবে এই টুর্নামেন্টের আয়োজক শ্রীলঙ্কাও। বাংলাদেশ চাচ্ছে শ্রীলঙ্কায় খেলতে। ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশ তাদের গ্রুপ পর্বের প্রথম তিনটি ম্যাচ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইতালি ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে) কলকাতায় এবং শেষ ম্যাচটি নেপালের বিপক্ষে মুম্বাইয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

২০২৬ বিপিএলে এরই মধ্যে প্লে অফ নিশ্চিত করেছে তিনটি দল। বাকি একটি জায়গার জন্য লড়াইয়ে টিকে আছে রংপুর রাইডার্স ও ঢাকা ক্যাপিটালস। তবে সম্ভাবনা বেশি রংপুরের সামনে। তাদের সংগ্রহ ৮ পয়েন্ট। ২ জয়ে মোহাম্মদ মিঠুনের দল পেয়েছে ৪ পয়েন্ট। সেরা চারের দৌঁড়ে টিকে থাকতে চাইলে আজ লিটন দাসদের বিপক্ষে জিততেই হবে ঢাকাকে
১০ মিনিট আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে কোর্টনি ওয়ালশকে নিয়োগ দিয়েছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ড (জেডসি)। ছোট সংস্করণের বিশ্বকাপ সামনে রেখে আফ্রিকান দলটির বোলিং পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি পেসার। বাংলাদেশের সাবেক পেস বোলিং কোচকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্
৩২ মিনিট আগে
শেষের পথে ২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ২৬টি ম্যাচ মাঠে গড়ালেও এখনো ২০০ রানের দেখা মেলেনি। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল সিলেট টাইটানসের ব্যাটার পারভেজ হোসেন ইমনের কাছে। তাঁর মতে, উইকেট ভালো না হওয়ার কারণেই কোনো দল এখন পর্যন্ত ২০০ রান করতে পারেনি।
১ ঘণ্টা আগে
ক্রিকেট বিশ্বে আফগানিস্তানের আজকের এই অবস্থানের পেছনে যে কয়েকজনের অবদান আছে তাঁদের মধ্যে শাপুর জাদরান অন্যতম। জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন সাবেক এই বাঁ হাতি পেসার। অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। পরিবার এবং আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (এসিবি) পক্ষ থেকে জাদরানের অসুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত কর
২ ঘণ্টা আগে