Ajker Patrika

বড় জয়ে সিরিজ শুরু অস্ট্রেলিয়ার

ক্রীড়া ডেস্ক    
আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ৩৩
বড় জয়ে সিরিজ শুরু অস্ট্রেলিয়ার
সিরিজে এগিয়ে গেল মিচেল মার্শের দল। ছবি: ক্রিকইনফো

শক্তি, সামর্থ্য কিংবা পরিসংখ্যান—সব দিক থেকেই এগিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া। মাঠের পারফরম্যান্সেও স্পষ্ট ছিল সেটার ছাপ। ব্যাটিং কিংবা বোলিং—দুই বিভাগেই জিম্বাবুয়ের ওপর ছড়ি ঘুরিয়েছে সফরকারীরা। ফলস্বরূপ বড় জয়ে সিরিজ শুরু করেছে মিচেল মার্শের দল।

সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৫৯ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অজিরা। দ্বিতীয় ম্যাচে ১৮ সেপ্টেম্বর মাঠে নামবে দুই দল। সিরিজে টিকে থাকতে সে ম্যাচে জিততেই হবে জিম্বাবুয়েকে।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই সিরিজ দিয়ে এক বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরেছেন ব্রেন্ডন টেলর। প্রত্যাবর্তনেই দারুণ একটি রেকর্ড গড়েন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন টেন্ডুলকারকে পেছনে ফেলে পুরুষদের ওয়ানডে ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ ক্যারিয়ারের মালিক এখন তিনি। আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার পর টেলরের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দৈর্ঘ্য দাঁড়িয়েছে ২২ বছর ৪ মাস। অন্য দিকে ২০১২ সালে ওয়ানডে থেকে অবসর নেওয়া শচীনের ক্যারিয়ার স্থায়ী হয়েছিল ২২ বছর ৩ মাস। ম্যাচ হারার পর টেলরের এই রেকর্ড কিছুটা হলেও ম্লান হলো।

হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৪ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ৪৫.১ ওভারে ২৩৫ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

অস্ট্রেলিয়ার তিন শ ছোঁয়া পুঁজিতে সবচেয়ে বড় অবদান ম্যাট রেনশর; সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন এই ব্যাটার। এরপর বোলিংয়ে নেন ১ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পর অনুমিতভাবেই ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তাঁর হাতে।

ব্যাটিংয়ে রেনশের পর বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন নাথান এলিস। ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ের পথে ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন এই পেসার। এত দিন ৩৩ রানে ৪ উইকেট ছিল তাঁর সেরা বোলিং ফিগার। মূলত এলিসের দুর্দান্ত বোলিংয়েই পুরো ৫০ ওভার খেলতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। সমান ৫ উইকেট নেন নিউম্যান নিয়াম্বুরি। কিন্তু তাঁর এমন পারফরম্যান্স জিম্বাবুয়ের হার ঠেকাতে যথেষ্ট ছিল না।

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের শুরুতেই আঘাত হানেন ব্র্যাড ইভান্স। দলীয় ১০ রানেই ট্রাভিস হেডকে বোল্ড করেন এই পেসার। ম্যাচে জিম্বাবুয়ের সুখস্মৃতি বলতে ওই এতটুকুই। এরপর হেডের ধাক্কা সামলে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় অস্ট্রেলিয়া।

শুরুতে হেডকে হারালেও রানের চাকা সচল রাখে অস্ট্রেলিয়া। ১০৭ রানে চতুর্থ উইকেট হারানোর পর অ্যালেক্স ক্যারি ও অলিভার পিকের সঙ্গে দুটি মূল্যবান জুটি গড়ে দলকে বড় পুঁজি এনে দেন রেনশ। পঞ্চম উইকেটে তাঁর সঙ্গে ৭২ রান যোগ করে ব্যক্তিগত ২৭ রানে ফেরেন ক্যারি। এরপর পিককে নিয়ে ৭৫ রান করেন রেনশ। ৩০ রান আসে পিকের ব্যাট থেকে।

ইনিংসের শেষ ওভারে নিয়াম্বুরির বলে ওয়েসলে মাধেভেরের হাতে ধরা পড়ার আগে ১০৯ রানের ইনিংস খেলেন রেনশ। ১০৯ রানের ইনিংসটি সাজানো ৭ চার ও ৩ ছক্কায়। দলের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন দুর্দান্ত ছন্দে থাকা কুপার কনোলি। এ ছাড়া মার্শের অবদান ৩৬ রান। ৫ উইকেট নিলেও ৯ ওভারে ৬২ রান খরচ করেন নিয়াম্বুরি। ৫১ রানে ইভান্স নেন ২ উইকেট।

জবাবে ৬২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে জিম্বাবুয়ে। সে ধাক্কা সামলে ক্রেইগ আরভিন ও রাজা ৯৮ রান যোগ করলেও আর ম্যাচে ফেরা হয়নি স্বাগতিকদের। আরভিন ৫৯ ও রাজা ৫৭ রান করে ফেরেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত