নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

‘অ্যাটাক–সেট–হিট’—বাংলাদেশ দলের নতুন ফিল্ডিং কোচ জেমস প্যামেন্টের এই দর্শন যেন পারভেজ হোসেন ইমনের অনুপ্রেরণার বাতিঘর! শারজার গ্যালারিতে উপস্থিত প্রবাসীদের সামনে সেই দর্শনকেই ব্যাটিংয়ে অনূদিত করলেন জাতীয় দলের এই ওপেনার। সেঞ্চুরি করে রেকর্ড বইয়ের পাতায় কাটলেন আঁকিবুকিও। তাঁর সেঞ্চুরির সুবাদেই আরব আমিরাতের দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৭ উইকেটে ১৯১ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
শুরুটা হয়েছিল দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও ইমনের ঝোড়ো সূচনায়। তবে সত্যিকারের ঝড় তোলেন একাই ইমন। ৯টি ছক্কা হাঁকিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির এক ইনিংসে বাংলাদেশের পক্ষে গড়েছেন সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। রেকর্ড গড়েছেন ৫৩ বলে সেঞ্চুরি করেও। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম সেঞ্চুরি। আসলে এই সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরিই আছে আর একটি। ২০১৬ সালে ধর্মশালায় তামিম ইকবাল করেছিলেন ওমানের বিপক্ষে। সেঞ্চুরি করতে তামিম বল খেলেছিলেন ৬০টি। তামিমের সেই কীর্তির ৯ বছর পর তাঁর চেয়ে ৭ বল কম খেলেই সেঞ্চুরি করলেন ইমন।
তামিমের সেই ১০৩* রানের ইনিংসে চার-ছক্কায় এসেছিল ৭০ রান। আর শারজায় ইমন বাউন্ডারি থেকে রান তোলায়ও ছাড়িয়ে গেছেন তামিমকে, চার ও ছয় থেকে ৭৪ রান তুলেছেন তিনি।
ইমনের ব্যাটিং প্রদর্শনীর আগে ইনিংসের শুরুতে এক ওভারে চার ও ছয়ে ১০ রান তুলে সম্ভাবনার আভাস দিয়েছিলেন তানজিদ। তবে অভিষিক্ত মাতিউল্লাহ খানের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ধরা পড়ে ফেরেন দ্রুতই। অধিনায়ক লিটন দাসও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি—জাওয়াদুল্লাহর দুর্দান্ত ইয়র্কারে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন ৮ বলে ১১ রানে।
তবে এক প্রান্ত আগলে আগ্রাসী ব্যাটিং চালিয়ে যান ইমন। ২৮ বলে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক ফিফটি। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশ ছিল ২ উইকেটে ১০৩ রানে। কিন্তু স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউটের পরেই ছন্দপতন—১১তম ওভারে হৃদয় ফিরে যান ধ্রুব পরাশরের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়ে।
নতুন সহ-অধিনায়ক শেখ মেহেদি পঞ্চম নম্বরে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন (৫ বলে ২)। ১০৩ রানে ২ উইকেট হারানো দল হঠাৎ ১১৩ রানে ৪ উইকেটে পরিণত হয়। ইমনের গতিও কিছুটা থমকে যায় সতীর্থদের আসা–যাওয়ার মাঝে। ছয় নম্বরে নামা জাকের আলী অনিক খেলেন ধীর গতির ইনিংস, ইনিংসের ১৪তম ওভার পর্যন্ত তাঁরা কেবল ৭ রান যোগ করতে পারেন। তবে ১৬তম ওভারে ইমন ফের ছন্দে ফেরেন—দুই ছক্কা হাঁকান জুহাইবকে। ওই ওভারেই অবশ্য জাকের আলী আউট হয়ে ফেরেন, লং অনে দুর্দান্ত ক্যাচে।
১৭তম ওভারে শামীম হোসেনকে নিয়ে ইমন তোলেন আরও গতি। দুজনে মিলে মাত্র ১৪ বলে গড়েন ৩৩ রানের জুটি। ইমন পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরি, ৫৩ বলে। তবে ৫৪তম বলে জাওয়াদুল্লাহর তৃতীয় শিকার হয়ে ইমনও থামেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। শেষ চার ওভারে আসে ৪২ রান, উইকেট পড়ে দুটি।

‘অ্যাটাক–সেট–হিট’—বাংলাদেশ দলের নতুন ফিল্ডিং কোচ জেমস প্যামেন্টের এই দর্শন যেন পারভেজ হোসেন ইমনের অনুপ্রেরণার বাতিঘর! শারজার গ্যালারিতে উপস্থিত প্রবাসীদের সামনে সেই দর্শনকেই ব্যাটিংয়ে অনূদিত করলেন জাতীয় দলের এই ওপেনার। সেঞ্চুরি করে রেকর্ড বইয়ের পাতায় কাটলেন আঁকিবুকিও। তাঁর সেঞ্চুরির সুবাদেই আরব আমিরাতের দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ৭ উইকেটে ১৯১ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
শুরুটা হয়েছিল দুই ওপেনার তানজিদ তামিম ও ইমনের ঝোড়ো সূচনায়। তবে সত্যিকারের ঝড় তোলেন একাই ইমন। ৯টি ছক্কা হাঁকিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির এক ইনিংসে বাংলাদেশের পক্ষে গড়েছেন সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড। রেকর্ড গড়েছেন ৫৩ বলে সেঞ্চুরি করেও। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম সেঞ্চুরি। আসলে এই সংস্করণে বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরিই আছে আর একটি। ২০১৬ সালে ধর্মশালায় তামিম ইকবাল করেছিলেন ওমানের বিপক্ষে। সেঞ্চুরি করতে তামিম বল খেলেছিলেন ৬০টি। তামিমের সেই কীর্তির ৯ বছর পর তাঁর চেয়ে ৭ বল কম খেলেই সেঞ্চুরি করলেন ইমন।
তামিমের সেই ১০৩* রানের ইনিংসে চার-ছক্কায় এসেছিল ৭০ রান। আর শারজায় ইমন বাউন্ডারি থেকে রান তোলায়ও ছাড়িয়ে গেছেন তামিমকে, চার ও ছয় থেকে ৭৪ রান তুলেছেন তিনি।
ইমনের ব্যাটিং প্রদর্শনীর আগে ইনিংসের শুরুতে এক ওভারে চার ও ছয়ে ১০ রান তুলে সম্ভাবনার আভাস দিয়েছিলেন তানজিদ। তবে অভিষিক্ত মাতিউল্লাহ খানের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ধরা পড়ে ফেরেন দ্রুতই। অধিনায়ক লিটন দাসও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি—জাওয়াদুল্লাহর দুর্দান্ত ইয়র্কারে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন ৮ বলে ১১ রানে।
তবে এক প্রান্ত আগলে আগ্রাসী ব্যাটিং চালিয়ে যান ইমন। ২৮ বলে পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক ফিফটি। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশ ছিল ২ উইকেটে ১০৩ রানে। কিন্তু স্ট্র্যাটেজিক টাইম আউটের পরেই ছন্দপতন—১১তম ওভারে হৃদয় ফিরে যান ধ্রুব পরাশরের বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়ে।
নতুন সহ-অধিনায়ক শেখ মেহেদি পঞ্চম নম্বরে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন (৫ বলে ২)। ১০৩ রানে ২ উইকেট হারানো দল হঠাৎ ১১৩ রানে ৪ উইকেটে পরিণত হয়। ইমনের গতিও কিছুটা থমকে যায় সতীর্থদের আসা–যাওয়ার মাঝে। ছয় নম্বরে নামা জাকের আলী অনিক খেলেন ধীর গতির ইনিংস, ইনিংসের ১৪তম ওভার পর্যন্ত তাঁরা কেবল ৭ রান যোগ করতে পারেন। তবে ১৬তম ওভারে ইমন ফের ছন্দে ফেরেন—দুই ছক্কা হাঁকান জুহাইবকে। ওই ওভারেই অবশ্য জাকের আলী আউট হয়ে ফেরেন, লং অনে দুর্দান্ত ক্যাচে।
১৭তম ওভারে শামীম হোসেনকে নিয়ে ইমন তোলেন আরও গতি। দুজনে মিলে মাত্র ১৪ বলে গড়েন ৩৩ রানের জুটি। ইমন পেয়ে যান কাঙ্ক্ষিত সেঞ্চুরি, ৫৩ বলে। তবে ৫৪তম বলে জাওয়াদুল্লাহর তৃতীয় শিকার হয়ে ইমনও থামেন। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯১ রান তোলে বাংলাদেশ। শেষ চার ওভারে আসে ৪২ রান, উইকেট পড়ে দুটি।

৭ ফেব্রুয়ারি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগমুহূর্তে চলছে নানা রকম জটিলতা। ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে এখনো অনড় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাশাপাশি পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারদের ভারতীয় ভিসা না পাওয়ার ব্যাপারেও চলছে নানারকম কথাবার্তা।
১৭ মিনিট আগে
মোহাম্মদ নবি তাঁর বাড়িতে টিভি সেটের সামনে বসে আছেন কি না জানা নেই। যদি সত্যিই টিভি সেটের সামনে থাকেন, তাহলে এই মুহূর্তে তাঁর চেয়ে বেশি খুশি আর কেউ হবেন না। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আজ তাঁর ছেলে করেছেন সেঞ্চুরি।
১ ঘণ্টা আগে
জয় দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে হেসেখেলে জিতেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
বুলাওয়েতে গতকাল বিকেলে টসের সময় হাত মেলাননি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রে করমর্দন করেননি। সামাজিক মাধ্যমে মুহূর্তেই সেই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই তখন গত বছরের সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের ‘নো হ্যান্ডশেক’ ঘটনার সঙ্গে মিল খুঁজে পেয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে