
বাইরের বায়ু দূষণ নিয়ে অনেকই সচেতন। কিন্তু ঘরের অভ্যন্তরীণ বায়ুও দূষিত হতে পারে এবং ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। এমনকি ঘরের ভেতরে রান্নার ধোঁয়া বা সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য মোম জ্বালালেও, তা ধীরে ধীরে মানুষের ডিএনএনের ক্ষতি করতে পারে। ডেনমার্কের সম্প্রতি এক গবেষণায় এসব তথ্য জানা যায়।
ঘরের ভেতরের বায়ু দূষণ যেসব কারণে হয়
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্কের বায়ু দূষণ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর নিকোলা কারসল বলেন, বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যালের জন্য এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তিনি বায়ু দূষণ সম্পর্কিত এক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেন। এই প্রকল্পের ফলাফলে দেখা যায়, নয়শটিরও বেশি পদার্থ বায়ুদূষণের জন্য দায়ী।
তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আপনি নয়শটি কেমিক্যাল নিয়ে ভাবতে পারবেন না। তাই পদার্থগুলো কোনো উৎস থেকে উৎপন্ন হয়, তা নিয়ে সচেতন থাকতে হবে।’
ঘরের ভেতর রং করা থেকে শুরু করে রান্না ঘর ও বাথরুম পরিষ্কারের জন্য বিভিন্ন পণ্য, নেইল ভার্নিস ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন ক্ষতিকর কেমিক্যাল বাতাসের সঙ্গে মিশে যায়।
এছাড়া চুলার আগুনের জন্য জ্বালানি পোড়ানো, মোম জ্বালানো বায়ু দূষণের প্রধান উপাদানগুলো তৈরি করে। ধুলা ময়লা, কাচ ও বিভিন্ন কেমিক্যাল এক সঙ্গে আটকে যায়।
এছাড়া উদ্বায়ী জৈব রাসায়নিক পদার্থগুলোও (ভিওসিএস) বায়ু দূষণে ভূমিকা রাখে। এগুলো বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী ও নতুন আসবাবপত্র থেকে তৈরি হয়। এছাড়া রান্নার মাধ্যমেও এসব কেমিক্যাল উৎপন্ন হয়। সেই সঙ্গে বাইরের দূষিত বায়ুও ঘরের বাতাসকে দূষিত করে।
রান্নাবান্না কীভাবে বায়ু দূষণ করে
গাড়ির ইঞ্জিনের মতো, জ্বালানি পোড়ানোর মত রান্নার ফলে প্রচুর পরিমাণে কণার নির্গমন হয়। স্বল্পোন্নত দেশে রান্নার জন্য কেরোসিন (প্যারাফিন) ও কয়লার মতো জ্বালানির ব্যাপক ব্যবহার মানুষের স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, রান্নার ফলে কেমিক্যাল নির্গমনের কারণে প্রতি বছর ত্রিশ লাখ মানুষে অকাল মৃত্যু ঘটে। এসব নির্গমন হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ফুসফুসের ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
কারসল বলেন, সমস্যাটি বিভিন্ন দেশে খুবই তীব্র। এটি সম্ভবত রান্নার চেয়ে বেশি জ্বালানি পোড়ানোর সঙ্গে সম্পর্কিত।
ইউরোপীয় দেশগুলোতে তুলনামূলকভাবে পরিষ্কারভাবে রান্না করা হয়। তবে এরপরও তাপ ও রান্নার জন্য বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নির্গমন হয়। তবে নির্গমনগুলো কতটুকু ক্ষতিকর এই বিষয়ে সীমিত গবেষণার জন্য তা স্পষ্ট নয়।
ঘরের মধ্যে বারবিকিউ করা বা মোম জ্বালানো কতটুকু নিরাপদ
মাঝেমধ্যে ঘরের ভেতরে বারবিকিউ করা বা মোম জ্বালানো নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
এই বিষয়ে ডেনমার্কের আরহাস ইউনিভার্সিটি সম্প্রতি এক গবেষণা করে। গবেষণার প্রধান কারিন রোজেনকিল্ড লরসেন বলেন, কীভাবে রান্না, মোমবাতি জ্বালানো মানুষের শরীরে ক্ষতি করে সেই সম্পর্কে নতুন অন্তর্দৃষ্টি তুলে ধরে এই গবেষণা।
হালকা হাঁপানি রয়েছে এমন মানুষদের একটি বদ্ধ ঘরে ৫ ঘণ্টা ধরে বসে থাকার জন্য তিনি এবং তার সহকর্মীরা অনুরোধ করেন। ফিল্টার করা বাতাস রয়েছে এমন রুমে এক দলকে বসানো হয়। আরেক দলকে এমন এক ঘরে রাখা হয়, যেখানে একটি সংযোগকারী চেম্বার থেকে মাংস পোড়ানো গন্ধযুক্ত বায়ু ও কিছু মোম জ্বালানো ধোঁয়াযুক্ত বায়ু প্রবেশ করছিল।
তাদের গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, রান্নার ও মোম জ্বালানোর ধোঁয়াযুক্ত বায়ু থেকে বিভিন্ন আকারের উপাদান ও কেমিক্যাল নির্গত হয়। উভয় উৎসই শ্বাসনালির প্রদাহের সঙ্গে যুক্ত প্রোটিনের মাত্রা বাড়িয়েছে।
লরসেন বলেন, এই গবেষণায় কান্সার বা ক্যান্সারের প্রাক–পর্যায়ের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তবে রান্না থেকে নির্গমন হওয়া ক্ষতিকর কেমিক্যাল ডিনএনএনের ক্ষতি করে। এর ফলে কোনো না কোন সময় ডিএনএনের মিউটেশনের (বির্বতনের) মাধ্যমে, তা ক্যান্সারে পরিবর্তিত হবে।
তবে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের যখন পরিষ্কার ও ফিল্টার করা বায়ুতে থাকতে দেওয়ার পর এই লক্ষণগুলো কমতে দেখা যায়।
ঘরের অভ্যন্তরীণ বায়ুর দূষণ যেভাবে কমাবেন
ঘরের অভ্যন্তরীণ বায়ুর দূষণ কমানোর জন্য কারসল ‘বায়ুচলাচল বা ভ্যানটিলেশন, মডারেশন বা মিতাচার ও শিক্ষার’ ওপর গুরুত্ব দেন। ভ্যানটিলেশন বলতে তিনি রান্নার সময় ঘরের জালানা খোলা ও কুকার হেডের ব্যবহারকে বোঝান।
মডারেশন বলতে সুঘ্রাণ যুক্ত মোমবাতি, ব্লিচের মত তীব্র ঘর পরিষ্কারের পণ্য ব্যবহার কমানোকে বুঝিয়েছেন। রান্নার ক্ষেত্রেও সচেতন থাকতে হবে। বেশি তাপমাত্রায় বেশি চর্বিযুক্ত মাংস রান্না করলে বেশি ক্ষতিকর কেমিকেল নির্হমন হয়। তাই একই ধরনের খাবার না খেয়ে বিভিন্ন প্রকারের খাবার খাওয়া উচিত।
সর্বশেষে ঘরের বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানতে হবে। এ বিষয়ে সবাইকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি সায়েন্স ফোকাস

বাইরের বায়ু দূষণ নিয়ে অনেকই সচেতন। কিন্তু ঘরের অভ্যন্তরীণ বায়ুও দূষিত হতে পারে এবং ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে। এমনকি ঘরের ভেতরে রান্নার ধোঁয়া বা সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য মোম জ্বালালেও, তা ধীরে ধীরে মানুষের ডিএনএনের ক্ষতি করতে পারে। ডেনমার্কের সম্প্রতি এক গবেষণায় এসব তথ্য জানা যায়।
ঘরের ভেতরের বায়ু দূষণ যেসব কারণে হয়
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্কের বায়ু দূষণ বিশেষজ্ঞ প্রফেসর নিকোলা কারসল বলেন, বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যালের জন্য এই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। তিনি বায়ু দূষণ সম্পর্কিত এক প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেন। এই প্রকল্পের ফলাফলে দেখা যায়, নয়শটিরও বেশি পদার্থ বায়ুদূষণের জন্য দায়ী।
তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আপনি নয়শটি কেমিক্যাল নিয়ে ভাবতে পারবেন না। তাই পদার্থগুলো কোনো উৎস থেকে উৎপন্ন হয়, তা নিয়ে সচেতন থাকতে হবে।’
ঘরের ভেতর রং করা থেকে শুরু করে রান্না ঘর ও বাথরুম পরিষ্কারের জন্য বিভিন্ন পণ্য, নেইল ভার্নিস ব্যবহারের ফলে বিভিন্ন ক্ষতিকর কেমিক্যাল বাতাসের সঙ্গে মিশে যায়।
এছাড়া চুলার আগুনের জন্য জ্বালানি পোড়ানো, মোম জ্বালানো বায়ু দূষণের প্রধান উপাদানগুলো তৈরি করে। ধুলা ময়লা, কাচ ও বিভিন্ন কেমিক্যাল এক সঙ্গে আটকে যায়।
এছাড়া উদ্বায়ী জৈব রাসায়নিক পদার্থগুলোও (ভিওসিএস) বায়ু দূষণে ভূমিকা রাখে। এগুলো বিভিন্ন নির্মাণ সামগ্রী ও নতুন আসবাবপত্র থেকে তৈরি হয়। এছাড়া রান্নার মাধ্যমেও এসব কেমিক্যাল উৎপন্ন হয়। সেই সঙ্গে বাইরের দূষিত বায়ুও ঘরের বাতাসকে দূষিত করে।
রান্নাবান্না কীভাবে বায়ু দূষণ করে
গাড়ির ইঞ্জিনের মতো, জ্বালানি পোড়ানোর মত রান্নার ফলে প্রচুর পরিমাণে কণার নির্গমন হয়। স্বল্পোন্নত দেশে রান্নার জন্য কেরোসিন (প্যারাফিন) ও কয়লার মতো জ্বালানির ব্যাপক ব্যবহার মানুষের স্বাস্থ্যে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, রান্নার ফলে কেমিক্যাল নির্গমনের কারণে প্রতি বছর ত্রিশ লাখ মানুষে অকাল মৃত্যু ঘটে। এসব নির্গমন হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ফুসফুসের ক্যানসারসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।
কারসল বলেন, সমস্যাটি বিভিন্ন দেশে খুবই তীব্র। এটি সম্ভবত রান্নার চেয়ে বেশি জ্বালানি পোড়ানোর সঙ্গে সম্পর্কিত।
ইউরোপীয় দেশগুলোতে তুলনামূলকভাবে পরিষ্কারভাবে রান্না করা হয়। তবে এরপরও তাপ ও রান্নার জন্য বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নির্গমন হয়। তবে নির্গমনগুলো কতটুকু ক্ষতিকর এই বিষয়ে সীমিত গবেষণার জন্য তা স্পষ্ট নয়।
ঘরের মধ্যে বারবিকিউ করা বা মোম জ্বালানো কতটুকু নিরাপদ
মাঝেমধ্যে ঘরের ভেতরে বারবিকিউ করা বা মোম জ্বালানো নিয়ে বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
এই বিষয়ে ডেনমার্কের আরহাস ইউনিভার্সিটি সম্প্রতি এক গবেষণা করে। গবেষণার প্রধান কারিন রোজেনকিল্ড লরসেন বলেন, কীভাবে রান্না, মোমবাতি জ্বালানো মানুষের শরীরে ক্ষতি করে সেই সম্পর্কে নতুন অন্তর্দৃষ্টি তুলে ধরে এই গবেষণা।
হালকা হাঁপানি রয়েছে এমন মানুষদের একটি বদ্ধ ঘরে ৫ ঘণ্টা ধরে বসে থাকার জন্য তিনি এবং তার সহকর্মীরা অনুরোধ করেন। ফিল্টার করা বাতাস রয়েছে এমন রুমে এক দলকে বসানো হয়। আরেক দলকে এমন এক ঘরে রাখা হয়, যেখানে একটি সংযোগকারী চেম্বার থেকে মাংস পোড়ানো গন্ধযুক্ত বায়ু ও কিছু মোম জ্বালানো ধোঁয়াযুক্ত বায়ু প্রবেশ করছিল।
তাদের গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, রান্নার ও মোম জ্বালানোর ধোঁয়াযুক্ত বায়ু থেকে বিভিন্ন আকারের উপাদান ও কেমিক্যাল নির্গত হয়। উভয় উৎসই শ্বাসনালির প্রদাহের সঙ্গে যুক্ত প্রোটিনের মাত্রা বাড়িয়েছে।
লরসেন বলেন, এই গবেষণায় কান্সার বা ক্যান্সারের প্রাক–পর্যায়ের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। তবে রান্না থেকে নির্গমন হওয়া ক্ষতিকর কেমিক্যাল ডিনএনএনের ক্ষতি করে। এর ফলে কোনো না কোন সময় ডিএনএনের মিউটেশনের (বির্বতনের) মাধ্যমে, তা ক্যান্সারে পরিবর্তিত হবে।
তবে গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের যখন পরিষ্কার ও ফিল্টার করা বায়ুতে থাকতে দেওয়ার পর এই লক্ষণগুলো কমতে দেখা যায়।
ঘরের অভ্যন্তরীণ বায়ুর দূষণ যেভাবে কমাবেন
ঘরের অভ্যন্তরীণ বায়ুর দূষণ কমানোর জন্য কারসল ‘বায়ুচলাচল বা ভ্যানটিলেশন, মডারেশন বা মিতাচার ও শিক্ষার’ ওপর গুরুত্ব দেন। ভ্যানটিলেশন বলতে তিনি রান্নার সময় ঘরের জালানা খোলা ও কুকার হেডের ব্যবহারকে বোঝান।
মডারেশন বলতে সুঘ্রাণ যুক্ত মোমবাতি, ব্লিচের মত তীব্র ঘর পরিষ্কারের পণ্য ব্যবহার কমানোকে বুঝিয়েছেন। রান্নার ক্ষেত্রেও সচেতন থাকতে হবে। বেশি তাপমাত্রায় বেশি চর্বিযুক্ত মাংস রান্না করলে বেশি ক্ষতিকর কেমিকেল নির্হমন হয়। তাই একই ধরনের খাবার না খেয়ে বিভিন্ন প্রকারের খাবার খাওয়া উচিত।
সর্বশেষে ঘরের বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জানতে হবে। এ বিষয়ে সবাইকে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
তথ্যসূত্র: বিবিসি সায়েন্স ফোকাস

সম্প্রতি অটোব্রুয়ারি সিনড্রোমে আক্রান্ত রোগীদের ওপর পরিচালিত এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় গবেষণায় নিশ্চিত করা হয়েছে, এই অবস্থার প্রধান হোতা আসলে ব্যাকটেরিয়া। নেচার মাইক্রোবায়োলজি সাময়িকীতে সম্প্রতি প্রকাশিত এই গবেষণা প্রতিবেদন রোগীদের অন্ত্রের অণুজীবের অ্যালকোহল বিপাক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন...
২ দিন আগে
বাঙালি পাতে এক টুকরা বড় কার্পের পেটি কিংবা মুড়িঘণ্ট না হলে ভোজন যেন অসম্পূর্ণই থেকে যায়। কিন্তু এই সুস্বাদু অভিজ্ঞতার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় সূক্ষ্ম কাঁটা। কার্প মাছ নিয়ে ভোজনরসিকদের ধৈর্যের পরীক্ষা হয়। এক পরীক্ষায় দেখা গেছে, একটি সাধারণ কার্পে প্রায় ৮০টির বেশি ক্ষুদ্র ও ওয়াই-আকৃতির...
১১ দিন আগে
বিলিয়ন বছর আগে পৃথিবী ছিল উত্তপ্ত ম্যাগমায় ঢাকা এক অনাবাসযোগ্য পাথুরে গ্রহ। আজকের নীল-সবুজ, প্রাণে ভরপুর পৃথিবীতে তার রূপান্তরের ইতিহাস এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে পুরোপুরি উন্মোচিত হয়নি। তবে ২০২৫ সালে একের পর এক বৈজ্ঞানিক গবেষণা আমাদের এই গ্রহটির অতীত, গভীরতা ও অদ্ভুত আচরণ সম্পর্কে নতুন জানালা খুলে দিয়েছ
১৩ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘তারমিম ভালোভাবে বেড়ে উঠছে। এর শারীরবৃত্তীয়, জৈব-রাসায়নিক ও শারীরিক সব সূচকই স্বাভাবিক রয়েছে। প্রত্যাশিতভাবে তারমিমের পেশির বৃদ্ধি তার অ-সম্পাদিত যমজ বোনের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই পার্থক্য আরও বাড়তে পারে বলে আমরা মনে করি।’
১৬ দিন আগে