জাপানে একটি জীবাশ্ম পর্যালোচনা করে নতুন প্রজাতির বর্মযুক্ত ডাইনোসর হিসেবে শনাক্ত করেছেন গবেষকেরা। প্রায় ৩০ বছর আগে আবিষ্কৃত ডাইনোসরের জীবাশ্মটি পর্যালোচনা করে এমন তথ্য জানিয়েছেন তাঁরা। আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী ক্রিটেশাস রিসার্চে প্রকাশিত গবেষণাপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ৯ কোটি ৩০ লাখ থেকে ১০ কোটি বছর পুরোনো ডাইনোসরটির নাম দেওয়া হয়েছে নিপ্পনোপেল্টা ইজোয়েন্সিস। জাপানি শব্দ নিপ্পন অর্থ জাপান, গ্রিক শব্দ পেল্টা অর্থ ছোট ঢাল এবং জাপানি শব্দ ইজো হলো হোক্কাইডো দ্বীপের প্রাচীন নাম।
১৯৯৫ সালে জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের সামুদ্রিক পলিমাটি থেকে উদ্ধার হওয়া জীবাশ্মটি সিটি স্ক্যান প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করেন বিজ্ঞানীরা। এটি হাড়ের তৈরি প্লেট দিয়ে আবৃত নোডাসরিড পরিবারের অন্তর্গত। সাধারণত চার পায়ে হাঁটা এই তৃণভোজী ডাইনোসরগুলো উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস করত। উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে নোডাসরিড প্রজাতি প্রচুর দেখা গেলেও এশিয়ায় এটি ডাইনোসরের অত্যন্ত বিরল প্রজাতি। গবেষকদের মতে, ১০ থেকে ১১ কোটি বছর আগে এই ডাইনোসরের পূর্বপুরুষেরা বেরিং ল্যান্ড ব্রিজ, অর্থাৎ বর্তমান আলাস্কা ও রাশিয়ার মধ্যবর্তী স্থান পার হয়ে উত্তর আমেরিকা থেকে এশিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিল।
মৃত্যুর পর নদীপ্রবাহের মাধ্যমে সমুদ্রের পলিমাটিতে তলিয়ে যাওয়ায় জীবাশ্মটি সংরক্ষিত হয়। এশিয়ায় নোডাসরিডের সংখ্যা কম হওয়ার কারণ হতে পারে জীবাশ্ম রেকর্ডের সীমাবদ্ধতা। বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, ভবিষ্যতে আরও খননকাজের মাধ্যমে এই প্রাচীন প্রজাতির আন্তমহাদেশীয় স্থানান্তর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উদ্ঘাটিত হবে।
সূত্র: লাইফ সায়েন্স

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের মেগারকেট ‘স্টারশিপ’ ১৪তম বারের মতো পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের পর অবশেষে সফলভাবে পৃথিবীর কক্ষপথে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) টেক্সাসের স্টারবেস কেন্দ্র থেকে উৎক্ষেপণের পর মহাকাশে ২৬টি স্টারলিংক ভি-৩ স্যাটেলাইট স্থাপন করে রকেটটি।
১০ ঘণ্টা আগে
পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনো প্রাণের অস্তিত্বের এখনো কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বিজ্ঞানীরা প্রতিনিয়ত খুঁজে চলেছেন এবং মহাবিশ্বে আমরা সত্যিই একা নই, এমন কোনো ইঙ্গিতের জন্য সংকেতও শুনে চলেছেন। এবার হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্স এবং ইউনিভার্সিটি অব ওরেগনের...
৭ দিন আগে
পৃথিবীর আলো, উষ্ণতা ও প্রাণের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস এই সূর্যকে আমাদের কাছে চিরস্থায়ী মনে হয়। কিন্তু মহাবিশ্বের কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। একসময় সূর্যও তার বর্তমান রূপ হারিয়ে ফেলবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, এই পরিবর্তন ঘটতে এখনো বিপুল সময় বাকি।
১০ দিন আগে
আফ্রিকা মহাদেশ ধারণার চেয়েও দ্রুত দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার পথে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূতত্ত্ববিদেরা। মহাদেশটির একটি সক্রিয় রিফট বা ভূত্বক বিচ্ছিন্ন হওয়া অঞ্চল ইতিমধ্যে ‘গুরুত্বপূর্ণ সীমা’ বা ক্রিটিক্যাল থ্রেশহোল্ডে পৌঁছে গেছে। ফলে আগামী কয়েক মিলিয়ন বছরের মধ্যে এই অঞ্চল ভেঙে গিয়ে সেখানে...
১১ দিন আগে