
২০৩০ সালের মধ্যে টিকার মাধ্যমে ক্যানসার নিরাময় নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জার্মানির জৈবপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেকের প্রতিষ্ঠাতা উগুর সাহিন এবং ওজলেম টুরেচি দম্পতি। গতকাল রোববার বিবিসির এক সাক্ষাৎকারে টুরেচি বলেছেন, ‘এমআরএনএ প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়েএনটেক উৎপাদিত কোভিড ভ্যাকসিনগুলোর জৈব-রাসায়নিক গঠন পরিবর্তনের মাধ্যমে ক্যানসার নিরাময় সম্ভব হতে পারে।’
সাক্ষাৎকারে এই গবেষক দম্পতি আরও বলেন, ‘এমআরএনএ ভিত্তিক কোভিড ভ্যাকসিন শরীরে কোভিড ভাইরাসের ক্ষতিকারক স্পাইক প্রোটিনের জেনেটিক নির্দেশনা বহন করে। দেহের রোগপ্রতিরোধী কোষগুলো সেই নির্দেশনা কাজ করে।’
এ বিষয়ে বায়োএনটেকের প্রধান মেডিকেল কর্মকর্তা ওজলেম টুরেচি বলেন, ‘এই একই পদ্ধতি আমরা ক্যানসার নিরাময়ে ব্যবহার করতে পারব বলে আশাবাদী। ভ্যাকসিনে ভাইরাস শনাক্তকারী নির্দেশাবলির পরিবর্তে শরীরের ভেতরে ক্যানসারের কোষ বা টিউমার শনাক্তকারী জেনেটিক নির্দেশাবলি অনুপ্রবেশ করানোর মাধ্যমে ক্যানসার নিরাময় সম্ভব হতে পারে।’
ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, করোনা মহামারি আঘাত হানার আগে থেকেই বায়োএনটেক এমআরএনএ ভিত্তিক ক্যানসারের টিকা নিয়ে কাজ করছে। বর্তমানে তাদের বেশ কয়েকটি ক্যানসারের টিকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে রয়েছে।

কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের নথিপত্র থেকে এবার সামনে এলো ডিএনএ-র গঠনের সহ-আবিষ্কারক নোবেলজয়ী মার্কিন বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসনের নাম। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত কিছু ছবিতে দেখা গেছে, এপস্টেইনের নিউইয়র্ক ম্যানশনে তিন তরুণীর সঙ্গে হাস্যোজ্জ্বল অবস্থায় রয়েছেন এই বিজ্ঞ
২ দিন আগে
বাংলাদেশে ভাইরাসবাহিত রহস্যজনক এক রোগের সংক্রমণের খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুরুতে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব বলে মনে করা হলেও, এটি আসলে আরেকটি নতুন ও সম্ভাব্য প্রাণঘাতী বাদুড়বাহিত ভাইরাসের কারণে হয়েছে। নতুন এক গবেষণায় এমন সতর্কবার্তাই দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের....
১৬ দিন আগে
ধনকুবের এবং যৌন পাচারের দায়ে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে এখন সারা দুনিয়ায় তোলপাড় চলছে। এবার আলোচনার কেন্দ্রে শিশুকামিতা, কিশোরী পাচার, রাজনীতি ও কূটনীতি। তবে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত নথিতে উঠে এসেছিল আরও এক বিস্ফোরক তথ্য।
১৬ দিন আগে
বিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহটির তার নিজ নক্ষত্র মণ্ডলের বাসযোগ্য অঞ্চলে অবস্থান করার প্রায় ৫০ শতাংশ সম্ভাবনা রাখে। তবে এটির পৃষ্ঠের তাপমাত্রা মঙ্গলগ্রহের মতো অত্যন্ত শীতল হতে পারে, যা মাইনাস ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে পারে।
২২ দিন আগে