
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ, বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফেরত এনে কলকারখানা গড়ে তোলা এবং অর্থ পাচারকারীদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা চারটি বামপন্থী দলের জোট গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক সমাবেশে এসব দাবি জানান দলটির নেতারা।
সমাবেশে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সমন্বয়ক ও সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসডিপি) আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। এর মধ্যেই সরকার বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা করছে।
সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভোটাধিকার হরণকারী এ সরকার ডামি ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় বাহিনী ও ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সহযোগিতায় ক্ষমতা ধরে রেখেছে। তাই তারা জনগণ নয়, অসাধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থরক্ষা করছে।
দেশ থেকে পাচার করা অর্থ ফেরত আনার দাবি জানিয়ে আজাদ বলেন, ‘দেশের অর্থ বিদেশে পাচারের ফলে দেশে শিল্পকারখানা স্থাপন হচ্ছে না। ফলে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। অবিলম্বে পাচার করা অর্থ দেশে এনে পাচারকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের (এম এল) সাধারণ সম্পাদক কমরেড হারুন চৌধুরী, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) মহাসচিব হারুন আল রশীদ খাঁন, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সামছুল আলম প্রমুখ।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘ঢাকায় যদি ভারতের সেভেন সিস্টার্সের কোনো স্বাধীনতাকামী সংগঠন সংবাদ সম্মেলন করে এবং বাংলাদেশ সরকার বলে, ‘‘এর দায় আমাদের নয়, আমরা জানি না কীভাবে হয়েছে’’—পৃথিবীর কেউ কি সেটা বিশ্বাস করবে? দিল্লিতে যে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে, সেটিও ভারত সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনেই হয়েছে।’
২ ঘণ্টা আগে
দেশে ব্যাপক বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে নাগরিক দুর্ভোগ বাড়লেও সংকট নিরসনে সরকার কার্যকর কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিরসনে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া জনগণের প্রতি দায়িত্বহীনতার পরিচয়।
৩ ঘণ্টা আগে
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আজকে কোনো বৈঠক ছিল না। যেহেতু তিনি প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারম্যান, ওনাকে আমরা দায়িত্ব দিয়েছিলাম, উনি আমাদের ডেকে সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। সেখানে কোনো বৈঠক হয়নি।’
৮ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের সহাকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সচিবালয় হলো একটা নির্বাহী জায়গা, এখানে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ বৈঠক হবে! শীর্ষ ফোরামের বৈঠক হবে এটা অতীতের রেকর্ড আমাদের জানা নাই। এই কাজটি উনারা করছেন!
১০ ঘণ্টা আগে