নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

গণ অধিকার পরিষদের দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল ও কথা-কাটাকাটি হয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নিবন্ধন না পাওয়া ১০ রাজনৈতিক দলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানোকে কেন্দ্র করে এ হট্টগোল হয়। এ সময় সম্মেলনস্থলে উত্তেজনা দেখা দেয়।
প্রেসক্লাবের আজকের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমে আসেন ড. রেজা কিবরিয়ার নেতৃত্বাধীন গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান। তারপর আসেন নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা। এ সময় এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুর উদ্দেশে ফারুক হাসান বলেন, ‘ভাই গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বিদেশে থাকায় ওনার পক্ষ থেকে দলের প্রতিনিধি হিসেবে আমি এখানে এসেছি।’ জবাবে নুর বলেন, ‘মঞ্জু ভাই, আপনারা তাদের যদি ডেকে থাকেন—তাহলে আমরা এখান থেকে চলে যাই।’ এ সময় নুরের কর্মীরা বলেন, ‘নুরুল হক নুর আমাদের নির্বাচিত সভাপতি। সুতরাং, আমাদের নিয়ে আপনারা খেলতে পারেন না।’
তখন মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘গতকাল রাতে এই প্রশ্ন উঠেছিল যে, দুটি (গণ অধিকার পরিষদ) পক্ষ। কাকে সমন্বয়ক করব। তখন মান্না ভাই বলেছেন, “এটা আমাদের বিষয় না। আর এখানে দুটি বিষয় হতে পারে, একটি হচ্ছে—গণ অধিকার পরিষদকে বাদ দিয়ে হতে পারে। আরেকটি হচ্ছে—বিএনপি দুটি পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে। সুতরাং, আমরাও দুটি পক্ষকেই দাওয়াত দেব”।’
এ সময় নুরুল হক নুর বলেন, ‘মঞ্জু ভাই বলেছেন বিএনপি দুই অংশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আমরা বিএনপিকে জানিয়েছি যে নির্বাচন কমিশনের প্রতিবেদন এবং কিছু দুষ্কৃতকারী গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা, যারা নির্বাচনের আগে দল ভাঙে, দল নিয়ে ষড়যন্ত্র করে তাদের যদি আমাদের রাজনৈতিক বন্ধুরা সমর্থন করে তাহলে মূলধারার দলের প্রতি সেটা অন্যায় ও অবিচার হয়। আশা করি, আমাদের কোনো বন্ধু এটা করবে না। বিএনপিকেও আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, যারা দুর্বৃত্ত ও দুষ্কৃতকারীদের সমর্থন করবেন, প্রয়োজনে আমরা তাদের সঙ্গে যাব না।’
পরে ফারুক হাসানকে বক্তব্যের জন্য ডাকা হলে নুরুল হক নুর চেয়ার থেকে উঠে বলেন, ‘এটা তো ঠিক না। আমরা চলে যাচ্ছি।’ এ সময় নুরের নেতা-কর্মীরা স্লোগান ধরেন, ‘ভুয়া, ভুয়া, ভুয়া।’
স্লোগানের মধ্যেও ফারুক হাসান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘ড. রেজা কিবরিয়া অসুস্থতাজনিত কারণে দেশের বাইরে রয়েছেন। তাঁর পক্ষ থেকে আমি আজকের সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে রাখছি। আপনারা সবাই জানেন, গণ অধিকার পরিষদের নিবন্ধন পাওয়ার জন্য আমাদের আহ্বায়কের স্বাক্ষরে দলিল জমা দিয়েছিলাম। সেটা নির্বাচন কমিশন যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকায় যে ১২ দল ছিল, তার মধ্যে গণ অধিকার পরিষদ অন্যতম দল ছিল।’
পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে আবারও সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর, গণ অধিকার পরিষদের (ড. রেজা কিবরিয়া) যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএলডিপির চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, বিপিপি চেয়ারম্যান বাবুল সর্দার চাখারী, ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি আশিক বিল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

গণ অধিকার পরিষদের দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল ও কথা-কাটাকাটি হয়েছে। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে নিবন্ধন না পাওয়া ১০ রাজনৈতিক দলের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য দেওয়ার আমন্ত্রণ জানানোকে কেন্দ্র করে এ হট্টগোল হয়। এ সময় সম্মেলনস্থলে উত্তেজনা দেখা দেয়।
প্রেসক্লাবের আজকের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমে আসেন ড. রেজা কিবরিয়ার নেতৃত্বাধীন গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান। তারপর আসেন নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা। এ সময় এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুর উদ্দেশে ফারুক হাসান বলেন, ‘ভাই গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া বিদেশে থাকায় ওনার পক্ষ থেকে দলের প্রতিনিধি হিসেবে আমি এখানে এসেছি।’ জবাবে নুর বলেন, ‘মঞ্জু ভাই, আপনারা তাদের যদি ডেকে থাকেন—তাহলে আমরা এখান থেকে চলে যাই।’ এ সময় নুরের কর্মীরা বলেন, ‘নুরুল হক নুর আমাদের নির্বাচিত সভাপতি। সুতরাং, আমাদের নিয়ে আপনারা খেলতে পারেন না।’
তখন মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ‘গতকাল রাতে এই প্রশ্ন উঠেছিল যে, দুটি (গণ অধিকার পরিষদ) পক্ষ। কাকে সমন্বয়ক করব। তখন মান্না ভাই বলেছেন, “এটা আমাদের বিষয় না। আর এখানে দুটি বিষয় হতে পারে, একটি হচ্ছে—গণ অধিকার পরিষদকে বাদ দিয়ে হতে পারে। আরেকটি হচ্ছে—বিএনপি দুটি পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেছে। সুতরাং, আমরাও দুটি পক্ষকেই দাওয়াত দেব”।’
এ সময় নুরুল হক নুর বলেন, ‘মঞ্জু ভাই বলেছেন বিএনপি দুই অংশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আমরা বিএনপিকে জানিয়েছি যে নির্বাচন কমিশনের প্রতিবেদন এবং কিছু দুষ্কৃতকারী গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরা, যারা নির্বাচনের আগে দল ভাঙে, দল নিয়ে ষড়যন্ত্র করে তাদের যদি আমাদের রাজনৈতিক বন্ধুরা সমর্থন করে তাহলে মূলধারার দলের প্রতি সেটা অন্যায় ও অবিচার হয়। আশা করি, আমাদের কোনো বন্ধু এটা করবে না। বিএনপিকেও আমরা পরিষ্কার করে বলেছি, যারা দুর্বৃত্ত ও দুষ্কৃতকারীদের সমর্থন করবেন, প্রয়োজনে আমরা তাদের সঙ্গে যাব না।’
পরে ফারুক হাসানকে বক্তব্যের জন্য ডাকা হলে নুরুল হক নুর চেয়ার থেকে উঠে বলেন, ‘এটা তো ঠিক না। আমরা চলে যাচ্ছি।’ এ সময় নুরের নেতা-কর্মীরা স্লোগান ধরেন, ‘ভুয়া, ভুয়া, ভুয়া।’
স্লোগানের মধ্যেও ফারুক হাসান তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘ড. রেজা কিবরিয়া অসুস্থতাজনিত কারণে দেশের বাইরে রয়েছেন। তাঁর পক্ষ থেকে আমি আজকের সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে রাখছি। আপনারা সবাই জানেন, গণ অধিকার পরিষদের নিবন্ধন পাওয়ার জন্য আমাদের আহ্বায়কের স্বাক্ষরে দলিল জমা দিয়েছিলাম। সেটা নির্বাচন কমিশন যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকায় যে ১২ দল ছিল, তার মধ্যে গণ অধিকার পরিষদ অন্যতম দল ছিল।’
পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে আবারও সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এবি পার্টির সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর, গণ অধিকার পরিষদের (ড. রেজা কিবরিয়া) যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, বিএলডিপির চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন আল আজাদ, বিপিপি চেয়ারম্যান বাবুল সর্দার চাখারী, ডেমোক্রেটিক পার্টির সভাপতি আশিক বিল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আগামী ২২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সিলেট সফরের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারে নামছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সফরের সূচনা করবেন।
১৮ মিনিট আগে
বৈষম্যহীন ব্যবস্থা এবং নতুন আর্থ-রাজনৈতিক বন্দোবস্তের লক্ষ্যে নতুন এক রাজনৈতিক শক্তির কথা বলেছেন সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। দুই সপ্তাহ ধরে ছাত্র ও সাধারণ নাগরিকদের সঙ্গে নিবিড় আলোচনার পর এই সম্ভাবনার কথা লিখলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
পেশার চেয়ে গোপন উৎসে ৫ গুণেরও বেশি আয় জাতীয় পার্টির সাবেক মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁর। তাঁর স্থাবর কিংবা অস্থাবর কোনো সম্পদের মূল্যও বাড়েনি। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-১ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের হলফনামায় তিনি এমন তথ্য তুলে ধরেছেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-১৯ (সাভার) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের বিরুদ্ধে ছিল দুর্নীতির একটিসহ ১৮টি মামলা। এর মধ্যে ৯টিতে খালাস পেয়েছেন তিনি। ৮টি মামলা এখনো বিচারাধীন। একটি মামলার তদন্ত চলছে। এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আফজাল হোসাইন সাতটি মামলার মধ্যে চারটিতে খালাস পেয়েছেন। দুটিতে চূড়ান
১১ ঘণ্টা আগে