নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে সংলাপ শেষে রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আপনারা মাঠে থাকবেন। মাঠটা নিয়ন্ত্রণ করবেন আপনারা। আপনাদের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।’
নিজের এক বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সিইসি বলেন, ‘একটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। গত পরশু বলেছিলাম, যদি কেউ তলোয়ার নিয়ে আসে, আপনারা রাইফেল নিয়ে দাঁড়াবেন। এটা আপনাদের বুঝতে হবে যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই কথাটা কখনো মিন করে বলতে পারেন না। আমি হয়তো অল্প শিক্ষিত। কিন্তু অল্প শিক্ষিত মানুষ হলেও এ ধরনের কথা আমি বলতে পারি না। ববি হাজ্জাজ নামের এক ভদ্রলোকের কথার পিঠে আমি হেসে কথাটি বলেছিলাম। আমি হিউমার করে কথাটি বলেছিলাম। এটাকে ওইভাবে প্রচার না করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রচার করা উচিত ছিল। আমি অস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত থাকার বিষয় মিন করি নাই। আমাকে ক্ষমা করবেন।’
উল্লেখ্য, গত রোববার জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) সঙ্গে সংলাপে ভোটের মাঠে কেউ যদি তলোয়ার নিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোকে রাইফেল অথবা তলোয়ার নিয়ে দাঁড়ানোর কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে সংলাপ শেষে রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আপনারা মাঠে থাকবেন। মাঠটা নিয়ন্ত্রণ করবেন আপনারা। আপনাদের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।’
নিজের এক বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে সিইসি বলেন, ‘একটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। গত পরশু বলেছিলাম, যদি কেউ তলোয়ার নিয়ে আসে, আপনারা রাইফেল নিয়ে দাঁড়াবেন। এটা আপনাদের বুঝতে হবে যে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এই কথাটা কখনো মিন করে বলতে পারেন না। আমি হয়তো অল্প শিক্ষিত। কিন্তু অল্প শিক্ষিত মানুষ হলেও এ ধরনের কথা আমি বলতে পারি না। ববি হাজ্জাজ নামের এক ভদ্রলোকের কথার পিঠে আমি হেসে কথাটি বলেছিলাম। আমি হিউমার করে কথাটি বলেছিলাম। এটাকে ওইভাবে প্রচার না করে বস্তুনিষ্ঠভাবে প্রচার করা উচিত ছিল। আমি অস্ত্র নিয়ে প্রস্তুত থাকার বিষয় মিন করি নাই। আমাকে ক্ষমা করবেন।’
উল্লেখ্য, গত রোববার জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) সঙ্গে সংলাপে ভোটের মাঠে কেউ যদি তলোয়ার নিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোকে রাইফেল অথবা তলোয়ার নিয়ে দাঁড়ানোর কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৭ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৯ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৯ ঘণ্টা আগে