নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে হত্যার ঘটনাকে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করার ‘অজুহাত’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্নিত করার জন্য বিশেষ কোনো মহলের প্ররোচনায় এই ধরনের ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে সন্দেহ করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।’
আজ সোমবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এ অভিযোগ করেন। বিএনপির মহাসচিব জানান, এই ঘটনা অনুসন্ধান করতে বিএনপির পক্ষ থেকে একটি কমিটি করা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘লাল চাঁদ হত্যাকে ঘিরে পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা চলছে। কোনো একটি মহলের প্ররোচনায় এ ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিএনপি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টায় এই হত্যাকাণ্ডকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আশপাশে সাধারণ মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও কেউ কোনো ধরনের প্রতিরোধে এগিয়ে আসেনি—যা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে ৯ জুলাই, কিন্তু হত্যাকাণ্ডের ভিডিও পরিকল্পিতভাবে ১১ জুলাই জুমার নামাজের পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছু সুনির্দিষ্ট আইডি ও পেজ থেকে আগে থেকেই তৈরি করা ফটোকার্ড প্রচার করা হয়। যা প্রমাণ করে, ঘটনাটি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আগেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।’
এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা দেখছি, অপরাজনীতি প্রতিরোধে সরকারের নির্লিপ্ততা উদ্বেগজনক। দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের অবনতি ঘটিয়ে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হলে এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি কখনো কোনো অপরাধীর পক্ষে দাঁড়ায় না। বরং অভিযোগের ভিত্তিতে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের সাহসী পদক্ষেপই প্রমাণ করে, আমরা অপরাধের বিরুদ্ধে। অথচ এখন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চরিত্র হননের চেষ্টা চলছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তে আবারও অশ্লীল অপপ্রচার চালিয়ে ফ্যাসিস্ট কণ্ঠস্বরের পুনরাবৃত্তি ঘটানো হচ্ছে।’
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘খুলনায় যুবদল নেতাকে হত্যার ঘটনায় কি সবার প্রতিবাদ ছিল একই রকম? গুটিকয়েক সন্ত্রাসীর হাতে প্রকাশ্যে একজনকে হত্যা করার ঘটনা আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে আঘাত করে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় দল নেবে না। লাল চাঁদ হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পক্ষে বিএনপি দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে একদল দুর্বৃত্ত লাল চাঁদকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে বিএনপির পাঁচ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে হত্যার ঘটনাকে নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত করার ‘অজুহাত’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্নিত করার জন্য বিশেষ কোনো মহলের প্ররোচনায় এই ধরনের ঘটনাকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে সন্দেহ করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে।’
আজ সোমবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এ অভিযোগ করেন। বিএনপির মহাসচিব জানান, এই ঘটনা অনুসন্ধান করতে বিএনপির পক্ষ থেকে একটি কমিটি করা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘লাল চাঁদ হত্যাকে ঘিরে পরিকল্পিতভাবে রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা চলছে। কোনো একটি মহলের প্ররোচনায় এ ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিএনপি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টায় এই হত্যাকাণ্ডকে ব্যবহার করা হচ্ছে। আশপাশে সাধারণ মানুষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও কেউ কোনো ধরনের প্রতিরোধে এগিয়ে আসেনি—যা জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে ৯ জুলাই, কিন্তু হত্যাকাণ্ডের ভিডিও পরিকল্পিতভাবে ১১ জুলাই জুমার নামাজের পর সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। কিছু সুনির্দিষ্ট আইডি ও পেজ থেকে আগে থেকেই তৈরি করা ফটোকার্ড প্রচার করা হয়। যা প্রমাণ করে, ঘটনাটি অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আগেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল।’
এ সময় অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা দেখছি, অপরাজনীতি প্রতিরোধে সরকারের নির্লিপ্ততা উদ্বেগজনক। দেশের রাজনৈতিক পরিবেশের অবনতি ঘটিয়ে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হলে এর দায় সরকারকেই নিতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি কখনো কোনো অপরাধীর পক্ষে দাঁড়ায় না। বরং অভিযোগের ভিত্তিতে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের সাহসী পদক্ষেপই প্রমাণ করে, আমরা অপরাধের বিরুদ্ধে। অথচ এখন এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চরিত্র হননের চেষ্টা চলছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’
তারেক রহমানের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তে আবারও অশ্লীল অপপ্রচার চালিয়ে ফ্যাসিস্ট কণ্ঠস্বরের পুনরাবৃত্তি ঘটানো হচ্ছে।’
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘খুলনায় যুবদল নেতাকে হত্যার ঘটনায় কি সবার প্রতিবাদ ছিল একই রকম? গুটিকয়েক সন্ত্রাসীর হাতে প্রকাশ্যে একজনকে হত্যা করার ঘটনা আইনের শাসনের পরিপন্থী এবং গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে আঘাত করে।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় দল নেবে না। লাল চাঁদ হত্যার দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পক্ষে বিএনপি দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।’
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে একদল দুর্বৃত্ত লাল চাঁদকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে বিএনপির পাঁচ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও তথাকথিত রাজনৈতিক শূন্যতার প্রেক্ষাপটে আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। সংগঠনটির নাম হতে পারে নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন বা নিউ পলিটিক্যাল অ্যাকশন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পূর্ণ নামের পাশাপাশি সংক্ষেপে ‘এনপিএ’ নামেই সংগঠনটির প্রচারণা চালানো হবে।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও শেষ মুহূর্তে আটকে গেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অসন্তোষে জোট নিয়ে আবার অনিশ্চয়তার আভাস মিলছে। এতে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘনিয়ে এলেও জোটের ভেতরে আসন বণ্টন নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যাচ্ছে না।
১০ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে
নির্বাচনে জিতে সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কী কী কাজ করবে, ভোটের আগে ইশতেহার আকারে তা জনগণের কাছে তুলে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো। প্রধান তিনটি দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি এখনো ইশতেহার ঘোষণা করেনি। তবে দলগুলোর নেতারা জানিয়েছেন কী থাকতে পারে তাদের এবারের ইশতেহারে।
১১ ঘণ্টা আগে