
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠন ও দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করা হবে এবং সেখানে জাতীয় পার্টিও (কাজী জাফর) থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান কাজী জাফর আহমদের ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয় প্রয়োজন। জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে সবাইকে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, বিগত সময়ের আন্দোলনগুলোতে বিএনপির পাশে ছিল কাজী জাফর আহমদের জাতীয় পার্টি। আর কাজী জাফর আহমদ ছিলেন একজন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা। বিভিন্ন শ্রমিক আন্দোলনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাঁর কাছ থেকে রাজনীতিবিদেরা অনেক কিছু শিখেছেন।
স্মরণসভায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন ভাষানী জনশক্তি পার্টির সভাপতি শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান আহসান হাবীব লিংকন ও নওয়াব আলী আব্বাস খান এবং পার্টির মহাসচিব কাজী মো. নাহিদ।

ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা না হলেও ইতিমধ্যে অধিকাংশ ইউপির চেয়ারম্যান ও সদস্য পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে সংসদে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী। এই নির্বাচনে ভালো ফল করতে কয়েক মাস আগে থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে প্রচার চালাচ্ছেন দলটির নেতা-কর্মীরা। তবে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ইউপি নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের দলগুলোর সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতার ভিত্তিতে নয়, নিজেদের সাংগঠনিক সক্ষমতা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে স্থানীয় পর্যায়ে কোনো এলাকায় রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় এনসিপি-সমর্থিত প্রার্থীরা অন্য
৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে নিজেদের জন্য দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি। একদিকে সরকার হিসেবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা, অন্যদিকে দল হিসেবে নির্বাচনে সফল হতে স্থানীয় পর্যায়ে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের প্রতিযোগিতা, নেতাদের প্রভাব বিস্তার এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দল সামাল দিতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে
গত ১৫ মে এনসিপির সাধারণ সভায় দলের সাংগঠনিক কাঠামো ও কেন্দ্রীয় কমিটি পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। মুখ্য সমন্বয়ক, মুখ্য সংগঠক, মুখপাত্র পদ বিলুপ্ত করারও সিদ্ধান্ত হয় ওই সভায়। এরপর গত ১১ অক্টোবর এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের বৈঠকে কেন্দ্রীয় কমিটির তালিকা চূড়ান্ত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে