নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সরকার বিরোধী দলগুলোর যুগপৎ আন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থানে এই সরকার পদত্যাগে বাধ্য হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সরকার বিরোধী বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ার লক্ষ্যে বিএনপির চলমান সংলাপের অংশ হিসেবে ইসলামী ঐক্য জোট ও ডেমোক্রেটিক লীগ এর সঙ্গে সংলাপ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার সারমর্ম তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিত, দুর্নীতি প্রতিরোধ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষভাবে কাজ করার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা একমত হয়েছি যে এই সরকারের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তুলব এবং তাদেরকে পদত্যাগে বাধ্য করব।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অনির্বাচিত, গণতন্ত্র হরণকারী লুটেরা সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির লক্ষ্যে আমরা বেশ কিছুদিন ধরে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি, সংলাপ করছি। ইতিমধ্যে এক দফা আলোচনা শেষ করেছি। দ্বিতীয় দফায় মূল দাবিগুলো নিয়ে কথা বলছি। আজকে ডেমোক্রেটিক লীগ ও ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ইতোমধ্যে ১১টি দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিভাগীয় সমাবেশের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা জনগণের একটা অভ্যুত্থান হবে। এই সমাবেশগুলোর মধ্যে দিয়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্যে দিয়েই আমরা এই সরকারের পতন ঘটাব।’
সংলাপ শেষে ইসলামী ঐক্যজোটের (একাংশ) সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আবদুর রকিব বলেন, ‘আমরা ২০ দলীয় জোটের সৃষ্টি থেকে বিএনপির নেতৃত্বে আছি। বিএনপি কোনো দিন এই দেশের গণমানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি। গণতন্ত্রবিরোধী কোনো কর্মসূচি নেয়নি। আমাদের নেতা (মির্জা ফখরুল) যা বলেছেন সবগুলোর সঙ্গে আমরা একমত। এই দেশের অত্যন্ত নিরীহ অনেক সিনিয়র আলেম-ওলামাকে সরকার জেলে রেখেছে। আমি আলেম-ওলামাদের মুক্তির বিষয়টা যোগ করছি। আমরা আশা করি এই দেশে এমন গণ আন্দোলন হবে যে, মানুষের অভিশাপের কারণে জালেম সরকারের পতন হবে, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন।’
ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মনি বলেন, ‘আমরা খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই এবং তারেক রহমানকে সসম্মানে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন করব। আমাদের কোনো দফা নেই। আমাদের একদফা, এক দাবি, হাসিনা কখন যাবি। যাবে না? এরশাদও বলেছিল কোথায় যাব? কিন্তু পদত্যাগ করতে হয়েছিল। পদত্যাগ তাকে করতেই হবে, এটা আমাদের দাবি।’
সংলাপে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম খান, সহসভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ আহসান, যুগ্ম-সম্পাদক সামছুল হক ও ডেমোক্রেটিক লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহতাজ আহসানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সরকার বিরোধী দলগুলোর যুগপৎ আন্দোলন এবং গণঅভ্যুত্থানে এই সরকার পদত্যাগে বাধ্য হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ মঙ্গলবার বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সরকার বিরোধী বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য গড়ার লক্ষ্যে বিএনপির চলমান সংলাপের অংশ হিসেবে ইসলামী ঐক্য জোট ও ডেমোক্রেটিক লীগ এর সঙ্গে সংলাপ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার সারমর্ম তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিত, দুর্নীতি প্রতিরোধ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষভাবে কাজ করার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা একমত হয়েছি যে এই সরকারের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলন গড়ে তুলব এবং তাদেরকে পদত্যাগে বাধ্য করব।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অনির্বাচিত, গণতন্ত্র হরণকারী লুটেরা সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির লক্ষ্যে আমরা বেশ কিছুদিন ধরে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি, সংলাপ করছি। ইতিমধ্যে এক দফা আলোচনা শেষ করেছি। দ্বিতীয় দফায় মূল দাবিগুলো নিয়ে কথা বলছি। আজকে ডেমোক্রেটিক লীগ ও ইসলামী ঐক্যজোটের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ইতোমধ্যে ১১টি দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।
বিভাগীয় সমাবেশের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা জনগণের একটা অভ্যুত্থান হবে। এই সমাবেশগুলোর মধ্যে দিয়ে জনগণকে সম্পৃক্ত করে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্যে দিয়েই আমরা এই সরকারের পতন ঘটাব।’
সংলাপ শেষে ইসলামী ঐক্যজোটের (একাংশ) সভাপতি অ্যাডভোকেট মাওলানা আবদুর রকিব বলেন, ‘আমরা ২০ দলীয় জোটের সৃষ্টি থেকে বিএনপির নেতৃত্বে আছি। বিএনপি কোনো দিন এই দেশের গণমানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়নি। গণতন্ত্রবিরোধী কোনো কর্মসূচি নেয়নি। আমাদের নেতা (মির্জা ফখরুল) যা বলেছেন সবগুলোর সঙ্গে আমরা একমত। এই দেশের অত্যন্ত নিরীহ অনেক সিনিয়র আলেম-ওলামাকে সরকার জেলে রেখেছে। আমি আলেম-ওলামাদের মুক্তির বিষয়টা যোগ করছি। আমরা আশা করি এই দেশে এমন গণ আন্দোলন হবে যে, মানুষের অভিশাপের কারণে জালেম সরকারের পতন হবে, আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন।’
ডেমোক্রেটিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন মনি বলেন, ‘আমরা খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই এবং তারেক রহমানকে সসম্মানে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আন্দোলন করব। আমাদের কোনো দফা নেই। আমাদের একদফা, এক দাবি, হাসিনা কখন যাবি। যাবে না? এরশাদও বলেছিল কোথায় যাব? কিন্তু পদত্যাগ করতে হয়েছিল। পদত্যাগ তাকে করতেই হবে, এটা আমাদের দাবি।’
সংলাপে মির্জা ফখরুলের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম খান, সহসভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ আহসান, যুগ্ম-সম্পাদক সামছুল হক ও ডেমোক্রেটিক লীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকবর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক মেহতাজ আহসানসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় রাজনীতিতে নতুন শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে প্রার্থী। কিন্তু এরপরও সাতটি আসনে প্রার্থী হিসেবে রয়ে গেছেন জামায়াতসহ জোটের...
৫ ঘণ্টা আগে
মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিংয়ের একটি গলি। শীতের দুপুরের হালকা রোদ। গলির এক পাশে ডাব বিক্রির একটি ভ্যান। ক্রেতা খুব একটা নেই। নরম রোদে শীত পোহাচ্ছিলেন ডাবওয়ালা ও তাঁর বন্ধু। এই প্রতিবেদক এগিয়ে গেলেও নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে প্রথমে তাঁরা খুব একটা ইচ্ছুক ছিলেন না। খানিক কুশল বিনিময়ে বরফ গলে।
৫ ঘণ্টা আগে
সিলেটে পৌঁছে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত ও সেখানে নফল নামাজ পড়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বুধবার রাত ৯টার দিকে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করতে সেখানে যান। পরে তিনি ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে রওনা করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে