নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আবারও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান আজকের পত্রিকাকে এই খবর জানান। তিনি জানান স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন। বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী বিএনপির চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল চারটার পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য গুলশানের বাসা থেকে হাসপাতালে আনা হয় খালেদা জিয়াকে।
এর আগে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর চলতি বছরের ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ৫৪ দিন চিকিৎসা নিয়ে গত ১৯ জুন গুলশানের বাসায় ফেরেন তিনি। হাসপাতাল থেকে বাসায় আসার পর শুরুতে কিছুটা ভালোই ছিলেন খালেদা জিয়া। মানসিকভাবেও ছিলেন চাঙ্গা। করোনার টিকাও নিয়েছেন স্বাচ্ছন্দ্যে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তখনই তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। খালেদা জিয়া রাজি না থাকায় এত দিন সেটা সম্ভব হয়নি।
খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ একজন জানান, পুরোনো জটিলতা বিশেষ করে লিভার, কিডনি ও হার্টের জটিলতার পাশাপাশি শরীরে ব্যথাসহ আরও কিছু সমস্যা তাঁর (খালেদা জিয়া) নিত্য সঙ্গী হিসেবে রয়েই গেছে। লিভার আর কিডনির সমস্যাটা এখন বেশি ভোগাচ্ছে তাঁকে। করোনার টিকা নেওয়ার পরে বেশ কিছুদিন তিনি ভালোই ছিলেন। তবে এখন তাঁর মাঝে মাঝেই জ্বর আসছে, শরীরের দুর্বলতাও বাড়ছে। চিকিৎসকেরা আরও আগে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি রাজি হচ্ছিলেন না, তাই সেটা সম্ভব হয়নি।

আবারও হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান আজকের পত্রিকাকে এই খবর জানান। তিনি জানান স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড তাকে হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেন। বোর্ডের পরামর্শ অনুযায়ী বিএনপির চেয়ারপারসনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকেল চারটার পরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য গুলশানের বাসা থেকে হাসপাতালে আনা হয় খালেদা জিয়াকে।
এর আগে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর চলতি বছরের ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ৫৪ দিন চিকিৎসা নিয়ে গত ১৯ জুন গুলশানের বাসায় ফেরেন তিনি। হাসপাতাল থেকে বাসায় আসার পর শুরুতে কিছুটা ভালোই ছিলেন খালেদা জিয়া। মানসিকভাবেও ছিলেন চাঙ্গা। করোনার টিকাও নিয়েছেন স্বাচ্ছন্দ্যে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তখনই তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। খালেদা জিয়া রাজি না থাকায় এত দিন সেটা সম্ভব হয়নি।
খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ একজন জানান, পুরোনো জটিলতা বিশেষ করে লিভার, কিডনি ও হার্টের জটিলতার পাশাপাশি শরীরে ব্যথাসহ আরও কিছু সমস্যা তাঁর (খালেদা জিয়া) নিত্য সঙ্গী হিসেবে রয়েই গেছে। লিভার আর কিডনির সমস্যাটা এখন বেশি ভোগাচ্ছে তাঁকে। করোনার টিকা নেওয়ার পরে বেশ কিছুদিন তিনি ভালোই ছিলেন। তবে এখন তাঁর মাঝে মাঝেই জ্বর আসছে, শরীরের দুর্বলতাও বাড়ছে। চিকিৎসকেরা আরও আগে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি রাজি হচ্ছিলেন না, তাই সেটা সম্ভব হয়নি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সব প্রস্তুতি নিলেও শেষ পর্যন্ত তারা ভোটের মাঠে থাকবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন এবং সব দল সমান সুযোগ পাচ্ছে না বলে অভিযোগ আছে দলটির।
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ‘পরিকল্পনা’ নিয়ে জনগণের মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। সোমবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ দলের প্রতি পক্ষপাত করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানিয়েছেন, ২০০৮ সালের মতো ‘ভারসাম্যহীন’ নির্বাচন হলে সেই নির্বাচন তাঁরা মেনে নেবেন না।
৫ ঘণ্টা আগে
এনসিপির দুই প্রার্থীকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শোকজ করা হয়েছে মন্তব্য করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছেন দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, নির্বাচন কমিশন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পক্ষ থেকে যে শোকজ দেওয়া হয়েছে, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে উইথড্র করতে হবে।
৫ ঘণ্টা আগে