নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিএনপিকে হিন্দুবিরোধী সংগঠন হিসেবে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছে অপপ্রচার চালায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ—এমন অভিযোগ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে কেউ নিরাপদ বোধ করে না। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কেউ নিরাপদ বোধ করে না। সাধারণ মানুষ নিরাপদ বোধ করে না।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের প্রতিনিধি সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এরা (আওয়ামী লীগ) একটা মার্কেটিং করে। মার্কেটিংটা হচ্ছে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত। সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক সবচেয়ে বেশি। তাদের কাছে একটা অপপ্রচার চালায় যে বাংলাদেশে বিএনপি হচ্ছে একটা হিন্দুবিরোধী সংগঠন। আমরা জোর গলায় বলতে পারি, বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে তখন তারা (অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন) নিরাপদ থাকে। তখন এই ধরনের কর্মকাণ্ড (মন্দির ও গির্জা ভাঙচুর) কম হয়।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘বিএনপির আমলে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। আমাদের যে ভিশন ২০৩০ এবং যে ৩১ দফা দিয়েছি, সেখানে সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি আছে। গণতন্ত্র থাকলে সেটা তো থাকবেই। আর গণতন্ত্র না থাকলে তো ওটাও থাকবে না। একমাত্র সুরক্ষা হচ্ছে গণতন্ত্র। এই গণতন্ত্রের লড়াই-সংগ্রামে আমাদের জয়ী হতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই।’
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘কথায় কথায় বলে, তারা হচ্ছে এ দেশে সবচেয়ে অসাম্প্রদায়িক। আমরা ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল দেখেছি। এ দেশে সত্যিকার অর্থে আমাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘু যারা আছে, তাদের বাড়িঘর-দোকানপাট ও ব্যবসা-বাণিজ্য যদি দখল করে থাকে, সেটা আওয়ামী লীগের লোকেরাই সবচেয়ে বেশি করেছে।’
প্রতিনিধি সভায় ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি বিজন কান্তি সরকার। সঞ্চালনা করেন আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব এস এন তরুণ দে।

বিএনপিকে হিন্দুবিরোধী সংগঠন হিসেবে প্রতিবেশী দেশ ভারতের কাছে অপপ্রচার চালায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ—এমন অভিযোগ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে কেউ নিরাপদ বোধ করে না। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান কেউ নিরাপদ বোধ করে না। সাধারণ মানুষ নিরাপদ বোধ করে না।
আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের প্রতিনিধি সভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এরা (আওয়ামী লীগ) একটা মার্কেটিং করে। মার্কেটিংটা হচ্ছে আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারত। সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক সবচেয়ে বেশি। তাদের কাছে একটা অপপ্রচার চালায় যে বাংলাদেশে বিএনপি হচ্ছে একটা হিন্দুবিরোধী সংগঠন। আমরা জোর গলায় বলতে পারি, বিএনপি যখন ক্ষমতায় থাকে তখন তারা (অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন) নিরাপদ থাকে। তখন এই ধরনের কর্মকাণ্ড (মন্দির ও গির্জা ভাঙচুর) কম হয়।’
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘বিএনপির আমলে এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটেনি। আমাদের যে ভিশন ২০৩০ এবং যে ৩১ দফা দিয়েছি, সেখানে সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি আছে। গণতন্ত্র থাকলে সেটা তো থাকবেই। আর গণতন্ত্র না থাকলে তো ওটাও থাকবে না। একমাত্র সুরক্ষা হচ্ছে গণতন্ত্র। এই গণতন্ত্রের লড়াই-সংগ্রামে আমাদের জয়ী হতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই।’
বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘কথায় কথায় বলে, তারা হচ্ছে এ দেশে সবচেয়ে অসাম্প্রদায়িক। আমরা ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল দেখেছি। এ দেশে সত্যিকার অর্থে আমাদের ধর্মীয় সংখ্যালঘু যারা আছে, তাদের বাড়িঘর-দোকানপাট ও ব্যবসা-বাণিজ্য যদি দখল করে থাকে, সেটা আওয়ামী লীগের লোকেরাই সবচেয়ে বেশি করেছে।’
প্রতিনিধি সভায় ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি বিজন কান্তি সরকার। সঞ্চালনা করেন আয়োজক সংগঠনের মহাসচিব এস এন তরুণ দে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল ও জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এসব সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
১ ঘণ্টা আগে
নিজের বাসভবন থেকে হেঁটে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে গিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে তিনি গুলশান কার্যালয়ে পৌঁছান।
২ ঘণ্টা আগে
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ ৯ জানুয়ারি সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিমুদ্দিন আলমকে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
তিনি বলেছেন, ‘আমরা আশা করছি, তারা (বিদ্রোহী প্রার্থী) প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন। অনেকে এরই মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন। আমি মনে করি, প্রার্থিতা প্রত্যাহার করার সময়ের মধ্যে এই পরিস্থিতির উন্নতি হয়ে যাবে। নইলে দল তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।’
৪ ঘণ্টা আগে