আজকের পত্রিকা ডেস্ক

ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন ওরফে নিক্সন চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী তারিন হোসেনের নামে থাকা ৭২টি ব্যাংক হিসাবে ৩ হাজার ১৬২ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
নিক্সন চৌধুরী বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, সংসদ সদস্য পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ১১ কোটি ২৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে নিজ ভোগদখলে রেখেছেন।
এ ছাড়া, তাঁর নিজ নামে ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫৫টি ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে মোট ১ হাজার ৪০২ কোটি ৫১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৯১ টাকা অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। যা মূলত অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আড়াল করার চেষ্টা করেছেন তিনি। কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
অন্য একটি মামলায় নিক্সনের স্ত্রী তারিন হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। স্ত্রীর সঙ্গে নিক্সন চৌধুরীকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে। এই মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শিহাব সালাম।
মামলার এজাহার থেকো জানা যায়, তারিন হোসেন তাঁর স্বামীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ৮ কোটি ৫ লাখ ৯২ হাজার ৭০৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি তাঁর নিজ নামীয় ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামীয় ১৭টি ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে মোট ১ হাজার ৭৬০ কোটি ৩৪ লাখ ৫১ হাজার ৩২০ টাকা অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন।
অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিং করার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়া তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) (৩) ধারায় মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছে। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ অক্টোবর নিক্সন চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী তারিন হোসেনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।
নিক্সন চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয়। অভিযোগ, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন সাবেক এমপি নিক্সন। তাঁর নিজের ও পরিবারের নামে ঢাকার পূর্বাচল, আদাবর, গুলশান ও বনানীতে প্লট ও ফ্ল্যাট। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, কানাডায় তাঁর বাড়ি থাকার তথ্য রয়েছে।
এদিকে, নরসিংদীর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আশরাফ খানের নামে ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ ব্যাংক হিসাবে ৪৪১ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে একটি মামলা করেছে দুদক। মামলায় আনোয়ারুল আশরাফ খান ও তাঁর স্ত্রী আফরোজা সুলতানার নামে প্রায় ১৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এক মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আশরাফ খানের বিরুদ্ধে ১১ কোটি ৮২ লাখ ৯০ হাজার ৩১৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরেক মামলায় আফরোজা সুলতানার নামে ৩ কোটি ৯৮ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে সহযোগিতায় করায় এ মামলায় আফরোজার পাশাপাশি স্বামী আনোয়ারুল আশরাফ খানকেও আসামি করা হয়েছে।

ফরিদপুর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন ওরফে নিক্সন চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী তারিন হোসেনের নামে থাকা ৭২টি ব্যাংক হিসাবে ৩ হাজার ১৬২ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে প্রায় সাড়ে ১৯ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছে। সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
নিক্সন চৌধুরী বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, সংসদ সদস্য পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে ১১ কোটি ২৩ লাখ ৬২ হাজার ৪৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে নিজ ভোগদখলে রেখেছেন।
এ ছাড়া, তাঁর নিজ নামে ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫৫টি ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে মোট ১ হাজার ৪০২ কোটি ৫১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৯১ টাকা অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। যা মূলত অপরাধলব্ধ অবৈধ অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আড়াল করার চেষ্টা করেছেন তিনি। কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
অন্য একটি মামলায় নিক্সনের স্ত্রী তারিন হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। স্ত্রীর সঙ্গে নিক্সন চৌধুরীকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে। এই মামলার বাদী দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শিহাব সালাম।
মামলার এজাহার থেকো জানা যায়, তারিন হোসেন তাঁর স্বামীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ৮ কোটি ৫ লাখ ৯২ হাজার ৭০৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি তাঁর নিজ নামীয় ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামীয় ১৭টি ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে মোট ১ হাজার ৭৬০ কোটি ৩৪ লাখ ৫১ হাজার ৩২০ টাকা অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন।
অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিং করার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়া তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭-এর ৫ (২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪ (২) (৩) ধারায় মামলা দুটি দায়ের করা হয়েছে। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৩ অক্টোবর নিক্সন চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী তারিন হোসেনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত।
নিক্সন চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয়। অভিযোগ, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন সাবেক এমপি নিক্সন। তাঁর নিজের ও পরিবারের নামে ঢাকার পূর্বাচল, আদাবর, গুলশান ও বনানীতে প্লট ও ফ্ল্যাট। এ ছাড়া সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া, কানাডায় তাঁর বাড়ি থাকার তথ্য রয়েছে।
এদিকে, নরসিংদীর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আশরাফ খানের নামে ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে ৩০ ব্যাংক হিসাবে ৪৪১ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে একটি মামলা করেছে দুদক। মামলায় আনোয়ারুল আশরাফ খান ও তাঁর স্ত্রী আফরোজা সুলতানার নামে প্রায় ১৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এক মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আশরাফ খানের বিরুদ্ধে ১১ কোটি ৮২ লাখ ৯০ হাজার ৩১৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরেক মামলায় আফরোজা সুলতানার নামে ৩ কোটি ৯৮ লাখ ৫৯ হাজার ৭৫০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনে সহযোগিতায় করায় এ মামলায় আফরোজার পাশাপাশি স্বামী আনোয়ারুল আশরাফ খানকেও আসামি করা হয়েছে।

আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এই অবস্থায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৫৩ আসনে জোটের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে ঝুলে থাকল ৪৭টি আসন। তিনটি দলের আসনের ভাগ জানানো হয়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। দল দুটি আজ বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে এই অভিযোগ জানিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সংবাদ সম্মেলনে জাগপা, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আসন সমঝোতা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। তবে জোটের একটি সূত্র এই তিন দলের আসন বণ্টন বিষয়ে তথ্য দিয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৫৩টিতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে আসন সমঝোতার রূপরেখা ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, জামায়াত ১৭৯টি আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবার।
১০ ঘণ্টা আগে