নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিদেশে চিকিৎসাধীন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের অবস্থার উন্নতি-অবনতি কিছুই নেই। তাঁর শারীরিক অবস্থা এমন যে, তিনি কখনো খুব ভালো আবার কখনো খুব খারাপ বোধ করছেন। বয়সের কারণে তাঁর সেরে ওঠাটা সময়সাপেক্ষও বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ। মায়ের সুস্থতার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
বার্ধক্যজনিত সমস্যার পাশাপাশি নানাবিধ শারীরিক জটিলতা নিয়ে তিন মাসের বেশি সময় ধরে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রওশন এরশাদ। তাঁর সঙ্গে আছেন পুত্র সাদ এরশাদ। গত ৬ নভেম্বর এ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এর আগে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) বেশ কয়েক মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।
রওশন এরশাদের শারীরিক অবস্থার খবর জানতে সাদ এরশাদকে বেশ কয়েকবার ফোনকল করা হলেও তিনি জবাব দেননি। তবে গত ৯ ফেব্রুয়ারি নিজের ফেসবুক পেজে রওশন সম্পর্কে একটি পোস্ট করেন সাদ। সেখানে অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন সাদ। তিনি বলেন, ‘রওশন এরশাদের মতো একজন বয়স্ক মানুষের অসুখ সেরে ওঠার বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। তাঁর এখন যে অবস্থা, তাতে তিনি এই ভালো তো এই খারাপ।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আশা ছাড়িনি। সর্বশক্তিমান আল্লাহ অনেক ক্ষমাশীল। আশা করছি, তিনি দ্রুত সেরে উঠবেন। সবাই তাঁর জন্য দোয়া করবেন।’
রওশন এরশাদকে দেখতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি থাইল্যান্ডে যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদ। আজ শুক্রবার ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। রওশন এরশাদের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো বলে তাঁর দাবি। রওশন এরশাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ম্যাডামের অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। স্বাভাবিকভাবে তিনি খাবার খেতে না পারলেও অল্প করে মুখে খাবার খাওয়া শুরু করেছেন। কথাবার্তা খুব আস্তে বলেন, লোকজনকেও চিনতে পারছেন। চিকিৎসকেরা বলেছেন, তাঁর সেরে উঠতে সময় লাগবে।’

বিদেশে চিকিৎসাধীন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের অবস্থার উন্নতি-অবনতি কিছুই নেই। তাঁর শারীরিক অবস্থা এমন যে, তিনি কখনো খুব ভালো আবার কখনো খুব খারাপ বোধ করছেন। বয়সের কারণে তাঁর সেরে ওঠাটা সময়সাপেক্ষও বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ। মায়ের সুস্থতার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।
বার্ধক্যজনিত সমস্যার পাশাপাশি নানাবিধ শারীরিক জটিলতা নিয়ে তিন মাসের বেশি সময় ধরে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রওশন এরশাদ। তাঁর সঙ্গে আছেন পুত্র সাদ এরশাদ। গত ৬ নভেম্বর এ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। এর আগে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) বেশ কয়েক মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।
রওশন এরশাদের শারীরিক অবস্থার খবর জানতে সাদ এরশাদকে বেশ কয়েকবার ফোনকল করা হলেও তিনি জবাব দেননি। তবে গত ৯ ফেব্রুয়ারি নিজের ফেসবুক পেজে রওশন সম্পর্কে একটি পোস্ট করেন সাদ। সেখানে অসুস্থ মায়ের জন্য দোয়া চেয়েছেন সাদ। তিনি বলেন, ‘রওশন এরশাদের মতো একজন বয়স্ক মানুষের অসুখ সেরে ওঠার বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। তাঁর এখন যে অবস্থা, তাতে তিনি এই ভালো তো এই খারাপ।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আশা ছাড়িনি। সর্বশক্তিমান আল্লাহ অনেক ক্ষমাশীল। আশা করছি, তিনি দ্রুত সেরে উঠবেন। সবাই তাঁর জন্য দোয়া করবেন।’
রওশন এরশাদকে দেখতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি থাইল্যান্ডে যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদ। আজ শুক্রবার ঢাকায় ফিরেছেন তিনি। রওশন এরশাদের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো বলে তাঁর দাবি। রওশন এরশাদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ম্যাডামের অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। স্বাভাবিকভাবে তিনি খাবার খেতে না পারলেও অল্প করে মুখে খাবার খাওয়া শুরু করেছেন। কথাবার্তা খুব আস্তে বলেন, লোকজনকেও চিনতে পারছেন। চিকিৎসকেরা বলেছেন, তাঁর সেরে উঠতে সময় লাগবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে গিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাতে আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে সেখানে যান তিনি।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদায় বেলায়’ শিরোনামের এই কবিতা দিয়ে ফেসবুকে দাদি বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করলেন জাইমা রহমান। কবিতার সঙ্গে তিনি একটি ছবিও শেয়ার করেছেন। এতে দেখা যায়, দাদির সঙ্গে মুখোমুখি বসে আছেন জাইমা।
৩ ঘণ্টা আগে
জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির সমঝোতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগের দিন যে ৩০ জন নেতা এই সমঝোতা না করতে দলের আহ্বায়ককে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রথম নামটি ছিল মুশফিকের। মুশফিক উস সালেহীনের পদত্যাগের মাধ্যমে জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতাকে কেন্দ্র করে অন্তত ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতা এনসিপি ছাড়লেন।
৩ ঘণ্টা আগে
আলোচিত মডেল মেঘনা আলমের কোনো নেই কোনো গয়না, গাড়ি বা আসবাবপত্র। পেশায় রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হলেও আয় করেন ব্যবসা থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রে এমনই তথ্য উল্লেখ করেছেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে